• অর্থমন্ত্রীকে স্বস্তি দিচ্ছে না অর্থনৈতিক সাফল্য

    বিবিএনিউজ.নেট | ২৩ মে ২০১৯ | ২:১০ অপরাহ্ণ

    অর্থমন্ত্রীকে স্বস্তি দিচ্ছে না অর্থনৈতিক সাফল্য
    apps

    রাস্তায় হরতাল নেই। শক্ত বিরোধিতা নেই সংসদে। সামষ্টিক অর্থনীতির সব সূচকই আছে ভালো অবস্থানে। ৭ পেরিয়ে ৮ শতাংশের ঘরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি। এর মধ্যেও অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন নতুন সংকট তৈরি হচ্ছে। নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও আর্থিক খাতের সুশাসন ফিরছে না। ব্যাংকিং খাতে তারল্য সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনার পরও স্থিতিশীল হচ্ছে না পুঁজিবাজার। কমছে স্থানীয় বিনিয়োগ প্রস্তাবনাও। ভালো উৎপাদনের পরও শস্যের দাম পাচ্ছেন না কৃষক। আবার প্রবৃদ্ধির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেভাবে বাড়ছে না কর্মসংস্থান। বিভিন্ন খাতে শ্রমিক অসন্তোষও হচ্ছে। অর্থনৈতিক বড় সাফল্যের পরও এসব সংকট স্বস্তি দিচ্ছে না অর্থমন্ত্রীকে। এর মধ্যেই আগামী ১৩ জুন ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পেশ করতে যাচ্ছেন তিনি।

    সুশাসনের অভাবে আর্থিক খাতের সংকট ক্রমেই প্রকট হচ্ছে। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের পাশাপাশি সংকট তৈরি হয়েছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোতেও। স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ছে কোনো কোনো বেসরকারি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। একক পরিবারের নিরঙ্কুশ নিয়ন্ত্রণও তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকে। সুশাসনের বিপুল ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায়ও। এতে ব্যাংকিং খাতের অবস্থা ক্রমেই দুর্বল হচ্ছে। বেড়ে যাচ্ছে খেলাপি ঋণের হার। সেই সঙ্গে তীব্র হচ্ছে তারল্য সংকট।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    খেলাপি ঋণের লাগাম টানতে নানামুখী উদ্যোগ নিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক। যদিও সবক’টি উদ্যোগই ছিল ঋণখেলাপিদের সঙ্গে আপসের। সর্বশেষ ঋণখেলাপিদের ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট, ৯ শতাংশ সুদ এবং এক বছরের গ্রেস পিরিয়ডসহ ১০ বছরের জন্য পুনঃতফসিলের সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে উচ্চ আদালতের এক আদেশে আগামী ২৪ জুন পর্যন্ত বিশেষ এ পুনঃতফসিল সুবিধা স্থগিত করা হয়েছে। গত ডিসেম্বর শেষে দেশের ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। স্বাভাবিক পন্থায় আদায় অযোগ্য হওয়ায় একই সময়ে ৩৭ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা অবলোপন করা হয়েছে। সব মিলিয়ে গত ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

    পুনঃতফসিল করা খেলাপি ঋণ হিসাবে ধরলে ব্যাংকিং খাতে ২ লাখ কোটি টাকার বেশি স্ট্রেসড লোন রয়েছে।
    চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের (জানুয়ারি-জুন ২০১৯) জন্য ঘোষিত মুদ্রানীতিতে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। যদিও ২০১৮ সালের জুন থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি মাত্র ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। ২০১৮ সালের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এক বছরের হিসাবেও এ প্রবৃদ্ধি সাড়ে ১২ শতাংশের নিচে। মুদ্রানীতির লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধেরও।


    বেসরকারি খাতে ঋণের খরার চেয়েও বড় সংকট চলছে আমানতের প্রবৃদ্ধিতে। ব্যাংকগুলো দ্বিগুণ-তিন গুণ সুদ প্রস্তাব করেও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে আমানত সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়েছে। ২০১৮ সালের জুন থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকিং খাতে আমানতের প্রবৃদ্ধি মাত্র ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। বিদায়ী বছরের মার্চ থেকে চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত এক বছরের হিসাবেও এ প্রবৃদ্ধি সাড়ে ১০ শতাংশের বেশি নয়।

    ব্যাংকিং খাতে আমানত প্রবৃদ্ধির এ নিম্নমুখিতা চলছে কয়েক বছর ধরেই। ঋণের তুলনায় আমানতের প্রবৃদ্ধি অনেক কম হওয়ায় প্রায় দুই বছর ধরে ব্যাংকিং খাতে নগদ তারল্যের সংকট চলছে। চলতি বছরের মার্চে দেশের সবক’টি ব্যাংকের হাতে বিনিয়োগযোগ্য আমানত ছিল মাত্র ৬৪ হাজার ২৪৯ কোটি টাকা। যদিও এক বছর আগে প্রায় দ্বিগুণ ছিল বিনিয়োগযোগ্য আমানত। অতিরিক্ত এ তারল্যের সিংহভাগই রয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও রূপালী ব্যাংকের কাছে। অথচ চলতি বছরের শুরু থেকে এ ব্যাংকগুলোকেও কলমানি বাজার ও বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ধার করতে হচ্ছে।
    রফতানি ও রেমিট্যান্স আয়ের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয় হচ্ছে আমদানিতে। এতে দুর্বল হচ্ছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। দুই বছর আগেও রিজার্ভ দিয়ে প্রায় আট মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা ছিল। সেটি এখন চার মাসে নেমে এসেছে। চলতি মাসে রিজার্ভও ৩০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে নেমে এসেছে।

    বৈদেশিক মুদ্রা আয় ও ব্যয়ে বড় ব্যবধানের প্রভাব পড়েছে দেশের চলতি হিসাবের ভারসাম্য এবং ব্যালান্স অব পেমেন্টে। অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ এ দুটি সূচকই নেতিবাচক পর্যায়ে নেমেছে।

    অর্থনীতিবিদ ড. মইনুল ইসলাম বলেন, দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বাড়ছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আগ বাড়িয়ে প্রবৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ১৩ শতাংশের যে ঘোষণা দেয়া হয়েছে, সেটির সঙ্গে সরকারের অন্যান্য সংস্থার তথ্য-উপাত্তের সংগতি নেই। দেশের ব্যাংকিং খাতকে যে পন্থায় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে, সেটি ঠিক নয়। খেলাপি ঋণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপিদের চিহ্নিত করে ট্রাইব্যুনালের আওতায় আনতে হবে। দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করে ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি রাঘববোয়ালদের শাস্তি দিলে ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কমে যাবে। আইন ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা বাড়বে। অন্যথায় দেশের ব্যাংকিং খাতে আরো বড় ধস নামলে আমি অবাক হব না।

    অর্থবাজারের তারল্য সংকটের প্রভাব পড়ছে শেয়ারবাজারে। দুই বছর ধনাত্মক রিটার্নের পর ২০১৮ সালে প্রায় ১৪ শতাংশ কমে যায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স। লেনদেনে বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণও অনেক কমে যায়। তবে সরকারের ধারাবাহিকতা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সহায়ক হবে—এমন আশায় বিনিয়োগকারীরা বাজারে ফিরতে শুরু করেছিলেন। ডিসেম্বরের সর্বনিম্ন ৫ হাজার ২০০ থেকে বাড়তে থাকে ডিএসইএক্স। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে সূচকটি ৫ হাজার ৯৯২ পয়েন্টে উন্নীত হয়।

    তবে ব্যাংকিং খাত থেকে কোনো সুসংবাদ না আসায় বিক্রয়চাপ আবারো বাড়তে থাকে। শেয়ারবাজারেও তারল্য সংকট প্রকট হয়। জানুয়ারির উত্থানের পর তিন মাসের ব্যবধানে ডিএসইএক্স নির্বাচন-পূর্ব সর্বনিম্ন স্তর থেকেও নিচে নেমে যায়। নানা আশ্বাস আর মার্কেট সাপোর্টের খবরে চলতি মাসে এসে সূচক সামান্য বাড়লেও শেষ পর্যন্ত তা টেকসই হচ্ছে না। এক সপ্তাহে কিছুটা বাড়লে ঠিক পরের সপ্তাহেই আবার দরপতন। মন্দাবস্থা কাটছে না লেনদেনেও।

    কৃষিতে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কৃষকের দাম নিশ্চিত করা। উৎপাদনে সফল হলেও কয়েক বছর ধরেই শস্যের দাম পাচ্ছেন না কৃষক। সেটি খাদ্যশস্য থেকে শুরু করে মাছ, প্রাণী, ডিম ও পোলট্রিতে বিদ্যমান রয়েছে। এবার সবচেয়ে বেশি দৃষ্টিগোচর হয়েছে বোরো ধানে। উৎপাদন ভালো হওয়ার পরও দাম পাচ্ছেন না কৃষক। এর প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচিও পালন করছেন তারা। এর পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার চাল আমদানিতে দ্বিগুণ শুল্ক আরোপ করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এ সিদ্ধান্তকেও বিলম্বিত বলছেন সংশ্লিষ্টরা।

    ২০১৭ সালের মে মাসে হাওড়ে আগাম বন্যায় ফসলহানির পর সরকার চালের আমদানি শুল্ক উঠিয়ে দিয়েছিল। সরকার থেকে বলা হয়েছিল, এ ক্ষতির ফলে ঘাটতি হবে ১০ লাখ টন চালের। কিন্তু গত দুই বছরে দেশে প্রায় ৬০ লাখ টন চাল আমদানি হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে সরকার ২৮ শতাংশ আমদানি শুল্ক পুনর্বহাল করে। এতে চাল আমদানি কমলেও বন্ধ হয়নি।

    আমদানিতে কৃষকের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে এনবিআর চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভুঁইয়া  বলেন, চলতি ২০১৮-১৯ অর্থবছরের ১০ মাসে প্রায় ৩ লাখ ৩ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়েছে। এতে দেশীয় কৃষক উৎপাদন খরচের চেয়ে কম মূল্যে চাল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে প্রান্তিক কৃষকরা আর্থিকভাবে বিপুল ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। কৃষকদের আর্থিক ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন অনুযায়ী আমদানি পর্যায়ে চালের ওপর আমদানি শুল্ক বাড়ানো হয়েছে।

    আবার বাজেটে বরাদ্দকৃত ভর্তুকির টাকার সিংহভাগই যাচ্ছে সারে। ফলে কৃষির অন্যান্য উপখাত এবং যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকির অর্থের ব্যবহার বাড়াতে না পারলে সংকট আরো ঘনীভূত হবে।
    উচ্চপ্রবৃদ্ধিও কর্মবাজারে সেভাবে গুণগত পরিবর্তন আনতে পারছে না। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সমানতালে বাড়ছে না কর্মসংস্থান। আবার শ্রমবাজারের গুণগত মানও বাড়ছে না। মোট কর্মসংস্থানের ৮৫ শতাংশই এখনো অপ্রাতিষ্ঠানিক।

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ শ্রমশক্তি জরিপের তথ্যমতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের হার ছিল ৮৫ দশমিক ১ শতাংশ। যদিও ২০১৫-১৬ অর্থবছর এ হার আরো বেশি ছিল। ওই সময় অপ্রাতিষ্ঠানিক কর্মসংস্থান ছিল মোট কর্মসংস্থানের ৮৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

    শ্রমবাজারের সবচেয়ে অগ্রণী অংশ ধরা হয় যুবাদের, যাদের বয়স ১৫ থেকে ২৯ বছর। দেশের মোট শ্রমশক্তির এক-তৃতীয়াংশ এরাই। যদিও শ্রমশক্তিতে এ বয়সগোষ্ঠীর মানুষের অংশগ্রহণ কমেছে। শ্রমশক্তি জরিপ ২০১৫-১৬ অনুযায়ী শ্রমশক্তিতে ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সীরা ছিল ৪ কোটি ১৬ লাখ ৩৯ হাজার। ২০১৬-১৭-এর জরিপ অনুযায়ী এ সংখ্যা ৪ কোটি ১২ লাখ ৫৪ হাজারে নেমে এসেছে।

    অর্থনীতিকে এগিয়ে নিতে মানবসম্পদে সর্বোচ্চ মনোযোগ দিতে হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের (বিসিআই) সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী পারভেজ। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা রেখেই এ মানবসম্পদকে এগিয়ে নিতে হবে। অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে ব্যাংকিং খাতে বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে। এ খাতের প্রতি মানুষের অনাস্থা আমাদের অনেকভাবেই ধাক্কা দিতে পারে। শিল্প খাতের বিষয়ে বলতে গেলে পোশাক খাতের বাইরে অন্যান্য খাতের বিকাশ ঘটাতে হবে। এছাড়া দেশের স্থানীয় শিল্প, ক্ষুদ্র-মাঝারি ও নতুন উদ্যোক্তা এসব ক্ষেত্রে অর্থ মন্ত্রণালয়কে কর, নগদ প্রণোদনার মতো বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নিতে হবে। এ ধরনের পদক্ষেপ ছাড়া কম্পিটিটিভ হওয়া সম্ভব হবে না।

    এমনিতেই দেশের কর-জিডিপি অনুপাত অনেক কম। রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রারও পুরোটা অর্জিত হচ্ছে না। চলতি অর্থবছরের বাজেটে এনবিআরের মাধ্যমে ২ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। যদিও অর্থবছরের প্রথম সাত মাসেই ৩৩ হাজার কোটি টাকার বেশি ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

    দেশের অর্থনীতির আকার অনুযায়ী রাজস্ব আহরণ প্রায় অর্ধেক বলে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল নিজেই মন্তব্য করেছেন। বুধবার এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আমরা যদি ৬ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আহরণ করতে না পারি, তাহলে আমাদের অর্থনীতি যে গতিশীল বা গভীরতা পেয়েছে, তার সঙ্গে রাজস্ব আহরণের মিল থাকে না। তাই আমাদের রাজস্ব আহরণ বাড়াতে হবে।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ২:১০ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    রডের দাম বাড়ছে

    ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি