• ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের দর বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ

    | ০৫ জানুয়ারি ২০১৯ | ১২:০২ অপরাহ্ণ

    ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের দর বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ
    apps

    ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড গত সপ্তাহে দর বৃদ্ধির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে। আলোচিত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে ২৩ দশমিক ৫১ শতাংশ। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

    সূত্র মতে, গত সপ্তাহে কোম্পানিটির প্রতিদিন গড় লেনদেন হয়েছে এক কোটি ৮৪ লাখ ছয় হাজার ৬৭৭ টাকার শেয়ার। সপ্তাহ শেষে মোট লেনদেনের পরিমাণ পাঁচ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরে কোম্পানিটি ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে, যা আগের বছরের সমান। ওই সময় শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে দুই টাকা ৪১ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) ২৯ টাকা ৯৭ পয়সা। এটি আগের বছরের একই সময় ছিল যথাক্রমে দুই টাকা ৮৭ পয়সা ও ২৮ টাকা ৬৪ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে ১০ কোটি ১২ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ১২ কোটি চার লাখ ৯০ হাজার টাকা।

    সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে শেয়ারদর ৯ দশমিক ৯৩ শতাংশ বা দুই টাকা ৮০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৩১ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দরও ছিল ৩১ টাকা। দিনজুড়ে পাঁচ লাখ ৭৭ হাজার ৯৭টি শেয়ার মোট ১২২ বার হাতবদল হয়, যার বাজারদর এক কোটি ৭৮ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। দিনজুড়ে শেয়ারদর সর্বনিম্ন ২৮ টাকা ৯০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩১ টাকায় হাতবদল হয়। এক বছরে শেয়ারদর ১৯ টাকা ৩০ পয়সা থেকে ৩১ টাকার মধ্যে ওঠানামা করে।


    ‘এ’ ক্যাটেগরির কোম্পানিটি ১৯৯০ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে মূল্য আয় অনুপাতে ১২ দশমিক ৮৬ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ১২ দশমিক ৯২।

    কোম্পানির ৫০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ৪২ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৮৩ কোটি ৮৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। কোম্পানিটির চার কোটি ২০ লাখ শেয়ার রয়েছে। ডিএসইর সর্বশেষ তথ্যমতে, মোট শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৪৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ২৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে ২৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার রয়েছে

    প্রথম প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ, ২০১৮) ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৭২ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস কমেছে ২৭ পয়সা। ২০১৮ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এনএভি হয়েছে ৩০ টাকা ৪২ পয়সা, যা আগের বছরের ৩১ ডিসেম্বর ছিল ২৯ টাকা ৯৭ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে এক কোটি ৮৭ লাখ ২০ হাজার টাকা। দ্বিতীয় প্রান্তিকে ইপিএস হয়েছে ৪৫ পয়সা, যা আগের বছর একই সময় ছিল ৫০ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস পাঁচ পয়সা কমেছে। দুই প্রান্তিকে অর্থাৎ ছয় মাসে ইপিএস হয়েছে ৮৯ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল এক টাকা ২২ পয়সা। তৃতীয় প্রান্তিকের ইপিএস হয়েছে ৯০ পয়সা এবং কর-পরবর্তী মুনাফা হয়েছে তিন কোটি ৭৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

    তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে জেএমআই সিরিঞ্জ অ্যান্ড মেডিক্যাল ডিভাইস লিমিটেড। সপ্তাহজুড়ে শেয়ারদর বেড়েছে ২২ দশমিক ৪৭ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে প্রতিদিন গড়ে ১৬ কোটি তিন লাখ ৮১ হাজার ৬৬৭ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে ৪৮ কোটি ১১ লাখ ৪৫ হাজার টাকার শেয়ার।

    সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে ২০ কোটি ৬০ লাখ ৪৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে ছয় লাখ ৭৮ হাজার ১০০টি শেয়ার মোট তিন হাজার ৪৯৩ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর তিন দশমিক ৯৩ শতাংশ বা ১১ টাকা ৬০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ৩০৭ টাকায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ৩১১ টাকা ২০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২৯২ টাকা ৩০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ৩১৬ টাকা ৯০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে কোম্পানিটির শেয়ারদর ১৬৭ টাকা ১০ পয়সা থেকে ৩১৬ টাকা ৯০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

    ২০১৮ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত হিসাববছরে বিনিয়োগকারীদের ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। আলোচিত সময়ে ইপিএস হয়েছে ছয় টাকা ৮৬ পয়সা এবং এনএভি দাঁড়িয়েছে ৭১ টাকা ২৭ পয়সা।

    ২০১৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সমাপ্ত হিসাববছরে ৩০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। ওই সময় ইপিএস হয়েছে ছয় টাকা ৭৮ পয়সা এবং এনএভি ছিল ৬৭ টাকা ৬৪ পয়সা। ওই সময় কর-পরবর্তী মুনাফা করেছে সাত কোটি ৪৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। কোম্পানিটি ২০১৩ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়ে বর্তমানে ‘এ’ ক্যাটেগরিতে লেনদেন করছে।

    সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদন ও বাজারদরের ভিত্তিতে শেয়ারের মূল্য আয় (পিই) অনুপাত ৪৫ দশমিক ৯ এবং হালনাগাদ অনিরীক্ষিত ইপিএসের ভিত্তিতে ৭৭ দশমিক আট। কোম্পানিটির ১০০ কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধনের বিপরীতে পরিশোধিত মূলধন ১১ কোটি টাকা। রিজার্ভের পরিমাণ ৬৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

    কোম্পানির এক কোটি ১০ লাখ শেয়ারের মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের ৪৯ দশমিক ৩১ শতাংশ, প্রাতিষ্ঠানিক ১৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ২৪ দশমিক ২৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

    চলতি বছরের প্রথম ইপিএস হয়েছে এক টাকা, যা আগের বছর একই সময় ৭৮ পয়সা। অর্থাৎ ইপিএস ২২ পয়সা বেড়েছে। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এনএভি দাঁড়িয়েছে ৭২ টাকা ২২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময় ছিল ৬৮ টাকা ৩৯ পয়সা। তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। গত সপ্তাহজুড়ে কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আলোচ্য সময় প্রতিদিন গড়ে এক কোটি পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার ৬৬৭ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। আর পুরো সপ্তাহে লেনদেন হয়েছে তিন কোটি ১৬ লাখ এক হাজার টাকার শেয়ার।

    সর্বশেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে এক কোটি ৯৩ লাখ ৩৩ হাজার টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। দিনজুড়ে আট লাখ ৩২ হাজার ২৮৮টি শেয়ার মোট ৪২৪ বার হাতবদল হয়। শেয়ারদর ৯ দশমিক ৮১ শতাংশ বা দুই টাকা ১০ পয়সা বেড়ে প্রতিটি সর্বশেষ ২৩ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়, যার সমাপনী দর ছিল ২৩ টাকা ৪০ পয়সা। দিনভর শেয়ারদর সর্বনি¤œ ২২ টাকা ২০ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২৩ টাকা ৫০ পয়সায় হাতবদল হয়। গত এক বছরে শেয়ারদর ১৪ টাকা ২০ পয়সা থেকে ২৩ টাকা ৫০ পয়সার মধ্যে ওঠানামা করে।

    তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে সিভিও পেট্রোকেমিক্যাল রিফাইনারি. এমএল ডায়িং, সিলভা ফার্মা, ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস, এশিয়া ইন্স্যুরেন্স, সুহƒদ ইন্ডাস্ট্রিজ ও কাসেম ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১২:০২ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৫ জানুয়ারি ২০১৯

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি