• কমছে আমানতের প্রবৃদ্ধি, কমছে ব্যাংকের তারল্য

    পান্না কুমার রায় রজত | ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ | ৫:৩৩ অপরাহ্ণ

    কমছে আমানতের প্রবৃদ্ধি, কমছে ব্যাংকের তারল্য
    apps

    কোভিডের ধাক্কা কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হলো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ^ বাজারে জ¦ালানির দাম দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ডলারের দামও। মূল্যস্ফীতি বাড়তে থাকে, দেখা দেয় জ¦ালানি সংকট কমে যায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ফলে ব্যাংকিং খাতে দেখা দেয় ডলার সংকট। এতে প্রভাব পড়ে ব্যাংকের আমানতের ওপর এবং কমে যাচ্ছে আমানতের প্রবৃদ্ধি। মূল্যস্ফীতির হিসাবে মানুষের প্রকৃত আয় কমে গেছে। আয়ের সঙ্গে ব্যয় মেলাতে না পেরে মানুষ এখন সঞ্চয় ভেঙ্গে খাচ্ছে। ব্যাংকে কমে যাচ্ছে আমানতের প্রবৃদ্ধি। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, গত আগস্টে আমানতের সুদ হার ছিল ৪ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ। আর গত অক্টোবরে তা গড় হার ছিল ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। অথচ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য মতে, অক্টোবরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। শুধু মূল্যস্ফীতির হিসাব নিলে ব্যাংকে টাকা রেখে গ্রাহকের লোকসান হচ্ছে প্রতি ১০০ টাকায় প্রায় ৫ টাকা। অর্থাৎ ১০০ টাকা রেখে এক বছর পর প্রায় ৫ টাকা ক্ষয় হয়ে পাওয়া যাচ্ছে ৯৫ টাকা। যেখানে ডলারের সঙ্গে টাকার বিনিময় হার অবমূল্যায়িত হয়েছে এক বছরে প্রায় ২৮ শতাংশ। সেখানে ব্যাংকে আমানত রেখে প্রকৃত আয় না বেড়ে বরং কমে যাচ্ছে। মূল্যস্ফীতির কারণে আয়ের সঙ্গে ব্যয় সমন্বয় না হওয়ায় মানুষ তাই ব্যাংকে জমানো অর্থ উত্তোলন করে নিচ্ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায়, অক্টোবর ২০২১ সালে আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছিল যেখানে প্রায় ১১ শতাংশ, চলতি বছরের অক্টোবর ২০২২ সালে তা কমে এসেছে ৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে জুলাই ২০২২ হতে অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত চার মাসে যেখানে ১৮ হাজার ৫০০ কোটি টাকা আমানত এসেছে গত বছর একই সময়ে এসেছিল ৩৭ হাজার ১৮৭ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক পরিধি বৃদ্ধির কারণে দেশের ব্যাংক খাতের ঋণ বৃদ্ধি পেলেও সেই পরিমাণে বৃদ্ধি পায়নি ব্যাংক আমানত। বিভিন্ন সময় ব্যাংকে অনিয়ম, দুর্নীতি আর গুজবের কারণে আমানতকারীরা ব্যাংক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারির প্রভাবে ব্যাংক থেকে আমানত তুলে নিয়েছেন অনেক গ্রাহক। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য বলছে, ব্যাংক খাতে বর্তমানে মোট আমানতের পরিমাণ ১৪ লাখ ৯০ হাজার ৪৩ কোটি টাকা। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, ২০২২ সালের অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ব্যাংক খাতে ৮০ হাজার ৭০১ কোটি টাকা আমানত বাড়লেও ঋণের প্রবৃদ্ধি তার দ্বিগুণেরও বেশি। অর্থাৎ আলোচিত সময়ে দেশে অভ্যন্তরীণ ঋণ বেড়েছে ২ লাখ কোটি টাকার বেশি। আমানতের চেয়ে ঋণের প্রবৃদ্ধি বেশি হওয়ায় অনেক ব্যাংকে তারল্য সংকট তৈরি হয়েছে। যে কারণে দেশের ব্যাংকগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ধারের প্রবণতা বেড়েছে। এর প্রভাবে আন্তঃব্যাংক লেনদেনে সুদের হার কলমানি রেট বেড়েছে ১১৭ শতাংশ। শুধু তাই নয় এই সময় রেপোর মাধ্যমেও ঋণ নেয়া বাড়িয়েছে ব্যাংকগুলো। চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রথম প্রান্তিকেই জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোও নতুন রেপোর মাধ্যমে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। আমানত কমে যাওয়ার এ অস্বাভাবিকতা অর্থনীতির জন্য মোটেও সুখকর নয়। প্রশ্ন হলো এটা থামানোর উপায় কী? মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় করে আমানতের সুদহার বাড়ানো যেতে পারে। তাছাড়া ঋণের সুদহারের সীমা তুলে দেয়া উচিত। কিন্তু বিনিয়োগের জন্য অর্থের চাহিদা কমে গেলে সেটি কর্মসংস্থানে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এজন্য সঞ্চয় বৃদ্ধির উদ্যোগ নিতে হবে। মূল্যস্ফীতির হার কমিয়ে মানুষের প্রকৃত আয় বাড়াতে হবে। কারণ মূল্যস্ফীতির হার আমানত সুদ হারের চেয়ে বেশি হলে সেটি সঞ্চয়ে প্রভাব ফেলে। মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায়।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এক প্রতিবেদনে দেখা যায় যে, ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমার চারটি কারণকে শনাক্ত করেছে কেন্দ্রিয় ব্যাংক। এগুলো হচ্ছে করোনার পর হঠাৎ করে চাহিদা বৃদ্ধি, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহে বাড়তি প্রবৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ার কারণে আমদানি ব্যয়ের মাত্রাতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি ও ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে গ্রাহকরা নিজেদের হাতে রাখার প্রবণতা বেড়ে যাওয়া। তবে এসব কারণের বাইরেও ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমার আরও কিছু কারণ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে, ব্যাংকিং খাতে টাকা নেই। এ ধরনের গুজবের শিকার হয়ে ব্যাংক থেকে অনেকে টাকা তুলে নিয়েছেন। এ পরিস্থিতিতে ব্যাংকিং খাতে তারল্যের জোগান স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রিয় ব্যাংক থেকে নগদ টাকার জোগান বাড়ানো হয়েছে। বিশেষ করে মুদ্রানীতির বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে ব্যাংক গুলোর চাহিদা অনুযায়ী কেন্দ্রিয় ব্যাংক থেকে টাকা দেওয়া হয়েছে প্রায় প্রতিদিনই। কোনো কোনো দিন ১৩ হাজার কোটি টাকারও জোগান দেওয়া হয়েছে। এর বিপরীতে অনেক উপকরণের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ওইসব অর্থ ব্যাংকগুলো কেন্দ্রিয় ব্যাংককে ফেরত দিয়ে নতুন করে টাকা নিয়েছে। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের তথ্য মোতাবেক, ডলারের দামও আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির কারণে সরকারি ও বেসরকারি খাতে ঋণের জোগান বেড়েছে।


    আমদানি ব্যয় মেটাতে ব্যাংকগুলোকে ডলার দিতে হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ায়ও গ্রাহকরা নগদ টাকা তুলে নেওয়ায় সার্বিকভাবে তারল্য কমেছে। আবার ব্যাংকের আমানত, রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স কমায় নতুনভাবে তারল্যের জোগান কমেছে। এসব মিলে ব্যাংকিং খাতে তারল্য কমেছে। অর্থনৈতিক মন্দা মোকাবিলার বাড়তি খরচ মেটাতে চাহিদা অনুযায়ী রাজস্ব আয় বাড়ছে না। ফলে, সরকারের দৈনন্দিন আয়-ব্যয়ের হিসাবে বড় ঘাটতি দেখা দিয়েছে। কিন্তু ধারের অন্যতম খাত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে তারল্য সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে, ঘাটতি মেটাতে কেন্দ্রিয় ব্যাংকেই শেষ ভরসা হিসেবে দেখছে সরকার। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী বছর শেষে ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রি. পর্যন্ত কেন্দ্রিয় ব্যাংক হতে সরকারের ঋণের পরিমাণ ১ লাখ কোটি টাকার বেশি দাঁড়িয়েছে। ঠিক এক বছর আগে যার পরিমাণ ছিল ১৮ হাজার ২২৩ কোটি টাকা। সেই হিসাবে বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সরকারের ঋণ বেড়েছে ৮২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। অর্থাৎ সরকার বিভিন্ন ব্যয় মেটাতে আগে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং সঞ্চয়পত্র থেকে বেশি ঋণ গ্রহণ করতো।

    এ দুটো খাতে সরকারের সুদে পরিশোধ ব্যয় বেশি বলে এখন কেন্দ্রিয় ব্যাংক থেকে অনেক বেশি পরিমাণ ঋণ নিচ্ছে। সেপ্টেম্বর ২০২২ শেষে অভ্যন্তরীণ খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ৪২ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, আমদানি ব্যয়ের তুলনায় রপ্তানি ও রেমিট্যান্সের পরিমাণ কম হওয়ায় সার্বিক লেনদেন ভারসাম্য ঘাটতির পরিমাণ আগের প্রান্তিকের তুলনায় বেড়েছে। এটি টাকার বিনিময় হারে এবং বিদেশি মুদ্রার রিজার্ভের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন মোতাবেক, ২০২০ সালের জুন থেকে ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি বাড়তে থাকে। ওই বছরের জুন ২০২০ তারল্য ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। একই বছরের ডিসেম্বরে ২০২০ আরও বেড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। করোনার কারণে ওই সময়ে ঋণ প্রবাহ কমে যাওয়া ও আমানত বাড়ার কারণে তারল্য বেড়েছিল। ২০২১ সালের জুনে এসে তারল্য আরও বেড়ে ৪ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায় এবং ২০২১ সালের ডিসেম্বরে সামান্য বেড়ে তারল্য দাঁড়ায় ৪ লাখ ৪০ হাজার কোটি টাকা। তারপর ২০২২ সালের জানুয়ারি থেকে তারল্য কমতে থাকে। অক্টোবর ২০২২ তারল্য হয় ৪ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা। এটা ঠিক যে, ব্যাংকিং খাতে তারল্য পরিস্থিতি সব সময়ই ওঠানামা করে। তবে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা প্রবাহ ব্যাংকের বর্তমান তারল্য ব্যবস্থায় আরও চাপ তৈরি করেছে। ব্যাংক দেউলিয়া হয়ে যাবে এমন খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাংক থেকে টাকা তোলার হিড়িক পড়ে। তাই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর খবরে কান না দিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সবাইকে আহ্বান জানান। তবে সার্বিক তারল্য কমে যাওয়ার ক্ষেত্রে ঋণের সুদহার কমে যাওয়ার বিষয়টিও প্রভাব ফেলেছে। সুদহার কমে আসার কারণে এরপর থেকে ঋণের চাহিদা বাড়তে থাকে। মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ার পেছনে এটি ভূমিকা রাখে। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহ আরও কমিয়ে আনার পদক্ষেপের অংশ হিসেবে গত জুনে রেপো সুদহার ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে সাড়ে ৫ শতাংশ করা হয়। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে এনে বাংলাদেশ ব্যাংক চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য বেসরকারি খাতের ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ। এসব পদক্ষেপের মধ্যেই বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি বেড়েছে। ব্যাংক ব্যবস্থায় তারল্য কমার ক্ষেত্রে এটিকে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন ব্যাংকাররা। আরেকটি বিষয় হচ্ছে মানুষ ব্যাংকে সঞ্চয় করে সুদ পেত। মূল্যস্ফীতির বিবেচনায় যা এখন অনেক কম। বলা যায় প্রকৃত সুদ হার ‘ঋণাত্মক’ হয়ে গিয়েছে। সুদ না পেলে মানুষ অন্য কোথাও অর্থ খরচ করবে। এতে ব্যাংকে তারল্য সংকট তৈরি হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন মোতাবেক গত সেপ্টেম্বর ২০২২ শেষে ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে গিয়েছে ২ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯৮ কোটি টাকা। ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে চলে যাওয়া এ পরিমাণ অর্থ এখন নগদ আকারে মানুষের হাতে আছে। বড় অঙ্কের আমদানি দায় মেটাতে গিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত রির্জাভ থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করায় বিদেশী মুদ্রার মজুদ গত ১৪ ডিসেম্বর ২০২২ হিসাবে ৩৩ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। সেপ্টেম্বরে যা ছিল ৩৬ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রিয় ব্যাংকের তথ্য মোতাবেক, গত ৮ জানুয়ারি ২০২৩ এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) ১১২ কোটি ডলার পরিশোধের পর দিন শেষে রিজার্ভ কমে দাঁড়িয়েছে ৩২ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ২৫৭ কোটি ডলার।

    অর্থনীতিবিদদের মতে, যে দেশের নগদ টাকা ও ব্যাংকের বাইরে টাকার পরিমাণ যত কম, সেই দেশের অর্থনীতির গতি তত বাড়ে, ভিত শক্ত থাকে। কারণ, ব্যাংকের বাইরে টাকা থাকলে তা অর্থনীতিতে কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখে না। তাই এ নিয়ে কথা বলতে হয় সরকার প্রধানকেও। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে ঘরে টাকা রেখে চোরের সুবিধা করে দেয়ার বদলে ব্যাংকে নিরাপদে টাকা রাখার বিষয়ে সবাইকে আশ^স্ত করেন।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ৫:৩৩ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২৩

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    অফশোর ব্যাংকিং ও বাংলাদেশ

    ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি