• পাঁচ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৫৭ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা

    বিবিএনিউজ.নেট | ১৩ জানুয়ারি ২০২০ | ১২:০০ অপরাহ্ণ

    পাঁচ মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ৫৭ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা
    apps

    বাংলাদেশে আমদানি করা পণ্যের ব্যয়ের তুলনায় রপ্তানি আয় অনেক কম। ফলে রফতানি আয় বাড়লেও বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী জুলাই-নভেম্বর সময়ে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬৮ কোটি ডলার বা ৫৬ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। জুলাই-নভেম্বরে আমদানি ব্যয় কমার পরও বাণিজ্য ঘাটতি বেড়েছে। কারণ রফতানি আয় কমেছে আমদানি ব্যয়ের তুলনায় বেশি। বিশ্লেষকরা বলছেন বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পাওয়া অর্থনীতির জন্য মোটেও মঙ্গলজনক নয়।

    তথ্য বলছে, জুলাই থেকে নভেম্বর সময়ে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৬৬৮ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল এর চেয়ে কিছুটা কম, ৬৬৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। গত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের পুরো সময়ে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫৪৯ কোটি ৪০ লাখ ডলার।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা কমেছে। জুলাই-নভেম্বর সময়ে এ খাতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি ডলার। গত বছরের একই সময়ে ঘাটতি ছিল এর চেয়ে একচু বেশি; ১৪৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। তবে আর্থিক হিসাবে উদ্বৃত্ত ধরে রেখেছে বাংলাদেশ। জুলাই-নভেম্বর সময়ে এই উদ্বৃত্ত দাঁড়িয়েছে ১২২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ে উদ্বৃত্ত ছিল ১০৩ কোটি ৯০ লাখ ডলার।

    চলতি হিসাবের ভারসাম্যে উদ্বৃত্ত নিয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছর শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম মাস জুলাইয়ে ২৪ কোটি ডলার উদ্বৃত্ত ছিল। অগাস্ট শেষে উদ্বৃত্ত দাঁড়ায় ২৬ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সেপ্টেম্বর থেকে ঘাটতি দেখা দেয়। চলতি হিসাবের ভারসাম্য ৫২৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের বড় ঘাটতি (ঋণাত্মক) নিয়ে শেষ হয়েছিল গত ২০১৮-১৯ অর্থবছর। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ ঘাটতি ছিল আরও বেশি, ৯৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার।


    নিয়মিত আমদানি-রফতানিসহ অন্যান্য আয়-ব্যয় চলতি হিসাবের অন্তর্ভুক্ত। এই হিসাব উদ্বৃত্ত থাকার অর্থ হল, নিয়মিত লেনদেনে দেশকে কোনো ঋণ করতে হচ্ছে না। আর ঘাটতি থাকলে সরকারকে ঋণ নিয়ে তা পূরণ করতে হয়।

    তবে গত অর্থবছরের ধারাবাহিকতায় প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। গত বছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে ২১০ কোটি ৮০ লাখ ডলারের এফডিআই পেয়েছিল বাংলাদেশে। এ বছরের একই সময়ে এসেছে ২১৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার। এ হিসাবেই চার মাসে এফডিআই বেড়েছে ৪ দশমিক ৪২ শতাংশ। এই চার মাসে বাংলাদেশে নিট এফডিআই এসেছে ১১২ কোটি ডলার। আগের বছরে একই মাসে এসেছিল ১০৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

    বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে মোট যে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আসে তা থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার অর্থ দেশে নিয়ে যাওয়ার পর যেটা অবশিষ্ট থাকে সেটাকেই নিট এফডিআই বলা হয়ে থাকে।

    এদিকে পুঁজিবাজারে বিদেশি বিনিয়োগ প্রবাহের গতি আগের মতোই হতাশাজনক।

    ২০১৯-২০ অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর সময়ে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে মাত্র ৪ কোটি ৪০ লাখ ডলারের নিট এফডিআই এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল আরও কম; ৪ কোটি ডলার।

    জুলাই-নভেম্বর সময়ে মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বাবদ বাংলাদেশে এসেছে ১৫৪ কোটি ৪০ লাখ ডলার। গত বছরের এই পাঁচ মাসে এসেছিল ১৪৪ কোটি ডলার।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১২:০০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৩ জানুয়ারি ২০২০

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    রডের দাম বাড়ছে

    ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি