• আলমগীর কবির ও সাউথইস্ট ব্যাংক

    প্রজন্মের অন্যতম সেরা ব্যাংক এবং উদ্যোক্তা

    | ১৭ আগস্ট ২০২২ | ১২:২৬ অপরাহ্ণ

    প্রজন্মের অন্যতম সেরা ব্যাংক এবং উদ্যোক্তা
    apps

    পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বেসরকারি খাতের সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) ব্যাংকের চেয়ারম্যান আলমগীর কবীর এফসিএ ব্যাংকগুলোকে পারিবারিক বলয় থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান। উন্নত বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষ, অভিজ্ঞ লোকদের সমন্বয়ে গড়ে তোলার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন ছিলো নিজে শিল্পপতি না হয়ে অসংখ্য শিল্পপতি তৈরিতে সহায়তা করা, যেন দেশ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়। আমার সেই স্বপ্ন সফল হয়েছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে চ্যালেঞ্জ করে বলেন, এই ব্যাংকে কোন বেনামি ঋণ নেই, আমরা খুব স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সাথে ব্যাংক পরিচালনা করি।

    তিনি আরো বলেন, ব্যাংক ভালো করলে প্রথমে উপকৃত হয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। আমি মনে করি, সাউথইস্ট ব্যাংক একটি কর্মীবান্ধব প্রতিষ্ঠান। কারণ ব্যাংক সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগ্যতার ভিত্তিতে মূল্যায়ন করে পদায়ন করে থাকে। সম্প্রতি ব্যাংক বেশ কিছু কর্মীদের স্বার্থে প্রনোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে, ব্যাংকে নিম্নপদে (যেমন- বার্তাবাহক, পিয়ন) চাকুরি করেন তাদের বেতনও সর্বনিম্ন বিশ হাজার টাকা করা হয়েছে। এছাড়া, রাজধানী ঢাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব বাসে অফিসে আসা-যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিলেট ও চট্টগ্রামেও তা সম্প্রসারণ করা হবে।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে দীর্ঘ ১৯ বছরের চেয়ারম্যানের দায়িত্বকালীন সময়ের স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমি দায়িত্ব নেয়ার পর ব্যাংক উপকৃত হয়েছে, কিন্তু বঞ্চিত হয়েছে আমার পরিবার। এই দায়িত্বপালনের কারণে আমি আমার পরিবারকেও সময় দিতে পারিনি। পরে তিনি তার দায়িত্ব গ্রহণের পর ব্যাংকের সাফল্য-ব্যর্থতার বিষয় তুলে ধরেন।

    সাউথইস্ট ব্যাংকের দীর্ঘ কার্যপরিধি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ব্যাংকটি দ্বিতীয় প্রজন্মের একটি বেসরকারি ব্যাংক। ১৯৯৫ সালে ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৯৯ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)তে তালিকাভুক্ত হয়। এই প্রেক্ষাপটে ২১ বছর (২০০০-২০২১) ব্যাংকের প্রধান প্রধান সূচক এর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে দেখা যায়-
    বিবরণ ২০০০ সাল ২০২১ সাল (কোটি টাকা )


    পরিশোধিত মূলধন ৩৩ ১,১৮৮
    আমানত ৮৫৭ ৩৭,৬৬৮
    ঋণ ও অগ্রিম ৭০৬ ৩৩,৩৫০
    আমদানি ১,১২৩ ৩১,৩২৬
    রফতানি ১৩১ ২২,০৪০
    মোট সম্পদ ১,১৭১ ৪৯,৪৪৯
    শেয়ারহোল্ডারস ইক্যুইটি ৫৬ ২,৯৯৮
    অপারেটিং প্রফিট ৩৪ ৮৬৭
    ২০০০ সাল থেকে প্রথম চার বছর চেয়ারম্যান হিসেবে যথাক্রমে- আবদুল্লাহ ইউসুফ হারুন, এম এ কাসেম, আজিম উদ্দিন আহমেদ ও রাগীব আলী দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৪ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ব্যাংকের খুব শঙ্কটকালীন সময়ে আলমগীর কবীর এফসিএ চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দীর্ঘ ১৯ বছর তিনি সুচারুভাবে ব্যাংক পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এই ব্যাংককে দুর্বল অবস্থা থেকে একটি ঈর্ষণীয় উচ্চতায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এই ১৯ বছরে তিনি ব্যাংকটিকে একটি পারিবারিক গণ্ডি থেকে বের করে প্রাতিষ্ঠানিক ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। বিভিন্ন অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতাকে দৃঢ়তার সাথে রুখে দিয়েছেন। তার নেতৃত্ব, মেধা ও প্রজ্ঞায় ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। যদিও এজন্য তাকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, বেনামী চিঠি, অপপ্রচার ও প্রতিরোধের মোকাবিলা করতে হয়েছে। ২০০৫ থেকে ২০২১ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংকসমূহের পারফরমেন্স তুলনামূলকভাবে পর্যালোচনা করলে আলমগীর কবিরের অবদান প্রস্ফুটিত হবে।

    আমানতের দিক বিবেচনা করে ২০০৫ থেকে ২০২১ পর্যন্ত দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংকসমূহের পারফরমেন্স তুলনামূলকভাবে পর্যালোচনা করে দেখা যায় সাউথইস্ট ব্যাংক বর্তমানে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। আমানতে ডাচবাংলা ব্যাংক সাউথ ইস্ট ব্যাংকের সামান্য উপরে অবস্থান করছে। যা নিম্নে দেখানো হলো-
    ব্যাংকের নাম ২০০৫ ২০২১ আমানত (কোটি টাকা )
    ১) সাউথ ইস্ট ৩৮২৫ ৩৭,৬৬৮(২)
    ২) প্রাইম ৩৬০২ ২৪,৩০৭(৬)
    ৩) ঢাকা ২৮৪৪ ২৩,০৪১(৭)
    ৪) ডাচবাংলা ২৭২৪ ৪০,১৫০(১)
    ৫)এনসিসিবিএল ২১৪৮ ২০,৩২৪(৮)
    ৬) ইবিএল ১৯৩৯ ২৬,৮০২(৫)
    ৭) এসআইবিএল ১৪৩৪ ৩৪,১৬৬(৩)
    ৮) আল আরাফা ১১৬৪ ৩৩,৫৩২(৪)

    ঋণ ও অগ্রিম টাকার সূচকে আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ে মাত্র ৩৩৯ কোটি টাকা বেশি। এ সূচকেও দ্বিতীয় প্রজন্মের ১০টি ব্যাংকের মধ্যে সাউথইস্ট ব্যাংকের অবস্থান দ্বিতীয়। যা নিম্নে উপস্থাপন কর হলো-
    ব্যাংকের নাম ২০০৫ ২০২১ ঋণ ও অগ্রিম (কোটি টাকায়)

    ১) সাউথ ইস্ট ৩২৫৫ ৩৩,৩৫০ (২)
    ২) প্রাইম ৩১৯১ ২৬,৩০১ (৬)
    ৩) ঢাকা ২৩৩৭ ২১,৫৪৫ (৭)
    ৪) ডাচবাংলা ২০১৩ ৩১,৯৪৪ (৩)
    ৫) এনসিসিবিএল ২০৫৩ ১৮,৯৪৯ (৮)
    ৬) ইবিএল ১৭৭৬ ২৬,৯৩৯ (৫)
    ৭) এসআইবিএল ১৫০৯ ৩১,২৭৭ (৪)
    ৮) আল-আরাফাহ ১১৪৭ ৩৩,৬৮৯ (১)

    মোট সম্পদের হিসেবেও সাউথইস্ট ব্যাংক দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার দুইযুগে এসে ৪৯ হাজার ৪৪৯ কোটি টাকার বিশাল সম্পদ গড়ে তুলেছে।

    ব্যাংকের নাম ২০০৬ ২০২১ মোট সম্পদ (কোটি টাকা)
    ১) প্রাইম ৬০৯০ ৩৮,৯৮৭(৫)
    ২) সাউথ ইস্ট ৫৪৮২ ৪৯,৪৪৯(২)
    ৩) ঢাকা ৪৮১৪ ৩৩,৫৩৫(৭)
    ৪) ডাচবাংলা ৪৫৪৯ ৫১,৪৪০ (১)
    ৫) এনসিসিবিএল ৩২৬১ ২৭,৭৮৯ (৮)
    ৬) ইবিএল ৩৫৯৭ ৩৮,৮৮১ (৬)
    ৭) আল-আরাফাহ ২১৩৭ ৪৬,২৬৯ (৩)
    ৮) এসআইবিএল ১৯৬৯ ৪০,৮২০ (৪)

    শেয়ারহোল্ডারস ইক্যুইটির ক্ষেত্রে সাউথইস্ট ব্যাংক তৃতীয় অবস্থান দখল করে রয়েছে।
    ব্যাংকের নাম ২০০৬ ২০২১ শেয়ারহোল্ডারস ইকুইটি (কোটি টাকা)

    ১) সাউথ ইস্ট ৫০৬ ২,৯৯৮(৩)
    ২) প্রাইম ৩৮৬ ২,৯৭৩(৪)
    ৩) ঢাকা ২৫৫ ২,০৯৬(৭)
    ৪) ডাচবাংলা ১৬৬ ৩,৬৯৬(১)
    ৫) এনসিসিবিএল ২৩১ ২,২৩২(৫)
    ৬) ইবিএল ৩৩১ ৩,১৬৩(২)
    ৭) এসআইবিএল ৯৮ ১,৯৩৯(৮)
    ৮) আল আরাফাহ ১৬৯ ২,৪২০(৫)

    ২১ বছরের পারফরমেন্স পর্যালোচনায় দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংকের তুলনামূলক বিচারে সাউথইস্ট ব্যাংক তার শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে। আমানত, ঋণ ও অগ্রিম এবং মোট সম্পদ এই তিনটি সুচকে প্রথম স্থান অধিকার করা সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে বর্তমানে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাউথইস্ট ব্যাংক অচিরেই প্রথম স্থানে দেখতে পাবো। এছাড়া অন্যান্য সূচকেও সাউথইস্ট ব্যাংক সবার থেকে এড়িয়ে রয়েছে। ২০২১ সালে সাউথইস্ট ব্যাংকের সবচেয়ে বড় সাফল্য বৈদেশিক বানিজ্য তথা ইমপোর্ট, এক্সপোর্ট ও রেমিট্যান্স আয় এ।

    ২০২১ সালে বৈদেশিক বাণিজ্যে যেমন- আমদানি, রফতানি ও রেমিট্যান্স ব্যবসার দিক দিয়ে দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংকসমূহের পারফরমেন্স তুলনামূলকভাবে পর্যালোচনা করে দেখা যায় সাউথইস্ট ব্যাংক তাদের থেকে যোজন যোজন দূরত্বে অবস্থান করছে। নিচের ব্যবসায়িক চিত্র দেখলে তা অনুধাবন করা যাবে।

    ১) সাউথ ইস্ট ব্যাংক ৬৮,৩৯৫ কোটি টাকা ।
    ২) আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক ৪৪,৯৮০ কোটি টাকা।
    ৩) ইবিএল ৪৪,৩৬০ কোটি টাকা।
    ৪) প্রাইম ব্যাংক ৪১,৬৮৭ কোটি টাকা।
    ৫) ঢাকা ব্যাংক ৩৮,৭৭৮ কোটি টাকা।
    ৬) ডাচবাংলা ব্যাংক ৩৩,৫৪৮ কোটি টাকা।
    ৭) এনসিসি ব্যাংক ২৫,০১৩ কোটি টাকা।
    ৮) এসআইবিএল ১৭,৭০৮ কোটি টাকা।

    এক্ষেত্রে সাউথইস্ট ব্যাংক শুধু প্রথমই নয়। অন্যান্যের ব্যাংকের তুলনায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। এই ব্যাংকের আমদানি ৩১ হাজার ৩২৬ কোটি টাকার বিপরীতে রফতানি ২২ হাজার ৪০ কোটি ও রেমিট্যান্স ১৫ হাজার ২৯ কোটি। রফতানি ও রেমিটেন্সের মাধ্যমেই এসেছে মোট ৩৭ হাজার ৬৯ কোটি টাকা। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার উদ্বৃত্ত রয়েছে ৫ হাজার ৭৪৩ কোটি টাকা। অথচ অন্যান্য ৭ টি ব্যাংকে বৈদেশিক মুদ্রায় রয়েছে ঘাটতি।

    ১) সাউথইস্ট ব্যাংকের ৫,৭৪৩ কোটি টাকা উদ্বৃত্ত ।
    ২) ইবিএল (৭,৬৭৪) কোটি টাকা ঘাটতি।
    ৩) আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক (৭,২৯২) কোটি টাকা ঘাটতি।
    ৪) ঢাকা ব্যাংক (৫,৬১০) কোটি টাকা ঘাটতি।
    ৫) প্রাইম ব্যাংক (২,৯৯৪) কোটি টাকা ঘাটতি।
    ৬) ডাচবাংলা ব্যাংক (২,২১৮) কোটি টাকা ঘাটতি।
    ৭) এনসিসি ব্যাংক (১,৫৬৫) কোটি টাকা ঘাটতি।
    ৮) এসআইবিএল (১,০০০) কোটি টাকার ঘাটতি।

    ২০২১ সালে সাউথইস্ট ব্যাংকের অন্যান্য পারফরমেন্স পর্যালোচনা করে দেখা যায়। বঙ্গবন্ধুকন্যা তথা সরকার নির্দেশিত সিঙ্গেল ডিজিট ইন্টারেস্ট ঋণ সাউথইস্ট ব্যাংক খুব সফলভাবে প্রতিপালন করেছে। ফলে ব্যাংকের ঋন ও অগ্রিম ১ হাজার ৩১৪ কোটি টাকা বাড়লেও ইন্টারেস্ট ইনকাম কমেছে ৩৩৬ কোটি টাকা। ব্যাংক আমানত ব্যয় ৩৮০ কোটি টাকা কমিয়ে এবং কমিশন ও এক্সচেঞ্জ আয় ৩৭ কোটি টাকা বাড়িয়ে ৮১ কোটি টাকা সাশ্রয় করেছে। কমে যাওয়া ইন্টারেস্ট আয় ৩৩৬ কোটি টাকার মধ্যে একটি ভারসাম্য এনেছে। ফলে ব্যাংকের অপারেটিং ইনকাম ৮৬ কোটি টাকা বেড়ে হয়েছে ১,৪৪১ কোটি টাকা। এবছর ব্যাংকের ইন্টারেস্ট আয় ৩৩৬ কোটি টাকা কমে যাওয়া সত্বেও ২৮০ কোটি টাকার ইন্টারেস্ট আয় ইনকামে না এনে সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়েছে। ফলে ব্যাংকের সাসপেন্স অ্যাকাউন্টের স্থিতি বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৩৫৮ কোটি টাকা। এর ফলে ব্যাংকের আর্থিক ভিত্তি সবল হয়েছে। আমানতকারীদের আমানতের ঝুঁকি কমে।

    দ্বিতীয় প্রজন্মের অন্যান্য ব্যাংকের সাথে ইন্টারেস্ট সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট তুলনা করে দেখা যায় সাউথইস্ট ব্যাংকের প্রথম স্থান অধিকার করে রয়েছে। ইন্টারেস্ট সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে সাউথইস্ট ব্যাংক ১ হাজার ৩৫৪ কোটি টাকা সবকটি ব্যাংক থেকে বেশি। ডাচবাংলা ৬৮৬ কোটি টাকা। প্রাইম ব্যাংকের ৬৬৪ কোটি টাকা। এনসিসি ব্যাংকের ৫৬৭ কোটি টাকা। এসআইবিএল ৩৭৬ কোটি টাকা। ইস্টার্ন ব্যাংকের ২৯৪ কোটি টাকা এবং ঢাকা ব্যাংক ও আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংকের ইন্টারেস্ট সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট শূন্য। এখানে সাউথ ইস্ট ব্যাংকের অবস্থান অন্যান্য ব্যাংকের ধরা ছোয়ার বাইরে। সাসপেন্স অ্যাকাউন্ট একটি শক অ্যাবজরভার হিসেবে কাজ করে। এই ব্যাংকের আমানতকারীদের অর্থের সুরাহা দিয়েছে এবং ব্যাংকের আর্থিক ঝুঁকি কমিয়েছে।

    ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ কিছুটা বাড়লেও ক্যাপিটাল এডিক্যুয়েসি ১৪.০২ শতাংশ। ক্যাপিটাল উদ্বৃত্ত ৪৪৫ কোটি টাকা অর্থাৎ ব্যাংক একটি শক্তিশালী মূলধন কাঠামোর উপর প্রতিষ্ঠিত। এছাড়া, এবছর ৭০০ কোটি টাকার পারপিচ্যুয়াল বন্ড ইস্যু করা হয়েছে যা টিয়ার-১ এর মূলধন ভিত্তি বাড়াবে। ব্যাংকের শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ মূল্য ২৫.২২ টাকা। যা সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থকে সুনিশ্চিত করেছে। ২০২১ সালে ব্যাংক রিটেইন প্রফিট থেকে ৪ শতাংশ স্টকসহ ১২ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে।
    আলমগীর কবীর তালিকাভুক্ত কোম্পানির বার্ষিক সাধারণ সভাকে ‘শেয়ারহোল্ডারস ডে’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পথিকৃৎ। যদিও এবার ব্যানারে শেয়ারহোল্ডার লিখা হয়নি কেন এ ব্যাপারে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সাউথইস্ট ব্যাংকে সংখ্যালঘু শেয়ারহোল্ডাররা প্রাণ খুলে তাদের মতামত ব্যক্ত করার সুযোগ পান। উত্থাপিত প্রতিটি প্রশ্নের জবাব দিয়ে এজিএমের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। যা অন্যান্য ব্যাংকের জন্যও অনুকরণীয়, অনুসরণীয়।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১২:২৬ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    রডের দাম বাড়ছে

    ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি