• কর্মকর্তাদের অজ্ঞাতসারে ব্যাংক হিসাব খুলে কোটি টাকা লেনদেন

    ফারইস্ট লাইফে মানিলন্ডারিং

    জাহিদুল ইসলাম | ২৭ অক্টোবর ২০২১ | ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ

    ফারইস্ট লাইফে মানিলন্ডারিং
    apps

    অনিয়মের দায়ে পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়া বীমা খাতের প্রতিষ্ঠান ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে এবার মানি লন্ডারিং সংঘটনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে নতুন করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে। ব্রাঞ্চ কর্মকর্তাদের না জানিয়ে তাদের নামে খোলা হয়েছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট। এরপর সেই অ্যাকাউন্ট থেকেই হয়েছে কোটি কোটি টাকার অবৈধ লেনদেন। হিসাবধারীর অজান্তেই হয়েছে এসব ঘটনা। অথচ সব জানার পরও প্রতিষ্ঠানে ক্যামেলকো’র দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা বিষয়টি চেপে গেছেন। অবহিত করেননি কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাসহ বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ ও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটকে। ফলে এ কাজে জড়িতদের দ্রুতই বিচারের আওতায় আনতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

    চলতি বছরে এপ্রিল মাসে এবং গত ২১ অক্টোবর ফারইস্ট ইসলামী লাইফের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন দুইজন ব্রাঞ্চ কর্মকর্তা। এতে বলা হয়, তাদের অজান্তেই জাতীয় পরিচয়পত্র, ছবি ও স্বাক্ষর জাল করে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের তোপখানা শাখায় হিসাব (নং- এসএনডি- ০১১৮১৩১০০০০০৩৭৬ এবং এসএনডি- ০১১৮১৩১০০০০০৩৭৭) খোলা হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পেলে ব্যাংক হিসাবের তথ্য চায় ওই কর্মকর্তারা। কিন্তু স্বয়ং গ্রাহক উপস্থিত থেকে তথ্য চাইলেও তা প্রদান করেননি ব্যাংক কর্মকর্তা। এসব ঘটনার প্রেক্ষিতে আতঙ্কিত হয়ে থানায় জিডি করেন ওই কর্মকর্তাদ্বয়।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    তবে বিষয়টিকে সুস্পষ্ট মানিলন্ডারিংয় বলছেন আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞরা। তারা জানান- ফারইস্ট লাইফে যেটা হয়েছে তাকে আইনের ভাষায় প্রেডিকেট অফেন্স বা ‘সম্পৃক্ত অপরাধ’ বলে। অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত সম্পদ তদন্ত ও বাজেয়াপ্ত হওয়ার শঙ্কা থাকায় মানিলন্ডারিংয়ের ঘটনা ঘটে। মূলত সন্দেহজনক খাত থেকে প্রাপ্ত অর্থকে জব্দ হওয়া থেকে রক্ষা করতে, অপরাধীদের অবস্থান গোপন রাখতে অথবা সম্পদকে বৈধ দেখাতে মানিলন্ডারিয়েংর ঘটনা ঘটায়। এক্ষেত্রে প্লেসমেন্ট, লেয়ারিং এবং ইন্টিগ্রেশনের মাধ্যমে এসব কর্মকান্ড হয়ে থাকে।

    মানিলন্ডারিংয়ের ক্ষতিকারক দিক সম্পর্কে বলতে গিয়ে তারা জানান- অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন একটি দেশের অর্থনীতিকে দূর্বল করে দেয়ার পাশাপাশি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকেও নড়বড়ে করে দেয়। এছাড়া বিরূপ প্রভাব পড়ে প্রতিষ্ঠানের সুনাম ও সামগ্রিক কার্যক্রমে। তাছাড়া আইনগত ঝুঁকিও তৈরী হয়। এতে প্রতিষ্ঠান দূর্বল হয়ে পড়ে। যেমন বীমা কোম্পানির ক্ষেত্রে- লাভজনক ব্যবসায়ও ক্ষতি হওয়া, অসময়ে নগদীকরণে তারল্য সংকট, পুন:বীমায় ব্যাংকিং সুবিধা থেকে বঞ্চিত, তদন্ত ব্যয় এবং জরিমানা, সম্পদ বাজেয়াপ্ত এবং ঋণ না পাওয়ার মতো বিষয়গুলো।


    এ ধরণের অবস্থা থেকে বিশ্বের দেশগুলোকে পরিত্রাণ দিতে মানিলন্ডারিংয়ের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক কর্মসূচী আয়োজন করে জাতিসংঘ। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সংস্থাটির ড্রাগস অ্যান্ড ক্রাইমের প্রধান কার্যালয়ের উদ্যোগে ১৯৯০ সালে ১১ নভেম্বর ভিয়েনায় একটি সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্বের দেশগুলোর সাথে একটি চুক্তি সম্পাদিত হয়। বর্তমানে ১৬৯টি দেশ এই চুক্তির সাথে আবদ্ধ। বাংলাদেশও এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী একটি দেশ। তাই মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন বন্ধে সরকার বিভিন্ন কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে ২০০৭ সালের ১৬ মে গঠন করা হয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্ট ইউনিট বা বিএফআইইউ। এতে রিপোর্টি প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমাকারী ও মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্তর্ভূক্ত করা হয়। পাশাপাশি রিপোর্টিং প্রতিষ্ঠানে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়নের বিষয়টি তদারকি করতে চীফ অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসার (ক্যামেলকো) এবং ব্রাঞ্চ অ্যান্টি-মানি লন্ডারিং কমপ্লায়েন্স অফিসারকে (ব্যামেলকো) দায়িত্ব দেয়া হয়। তারা প্রতিষ্ঠানে কোন সন্দেহজনক লেনদেন প্রতিবেদন (এসটিআর) এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম প্রতিবেদনের (এসএআর) মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটসহ (বিএফআইইউ) সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে অবহিত করে। পরবর্তীতে বিএফআইইউ থেকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়। কিন্তু ফারইস্ট লাইফে ক্যামেলকো’র দায়িত্ব পাওয়া কর্মকর্তা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে এ সম্পর্কে কোন এসটিআর এবং এসএআর করেনি। এতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অবহেলা সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়। তাছাড়া রিপোর্টিং এজেন্সি হিসেবে ফারইস্ট লাইফের সিইও এই দায় এড়াতে পারেন না বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে- চলতি বছরের এপ্রিল মাসে প্রথম এ বিষয়ে জিডি করেন খুলনার বিভাগের ইনচার্জ। তখনই বিষয়টি আমলে নেয়া প্রয়োজন ছিল। কিন্তু সেটা না করায় গত ২১ অক্টোবর পুনরায় একই বিষয়ে জিডি হয় নোয়াখালীর কোম্পানিগঞ্জে। প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা গেছে শুধু ওই দুই কর্মকর্তার ক্ষেত্রেই এমন ঘটনা ঘটেনি। আরো প্রায় ১৭ জন কর্মকর্তার ক্ষেত্রেও এমন হিসেব খুলে বিপুল পরিমাণ টাকা লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। টাকা পাচারের সুবিধার্থে এই ব্যাংক হিসাবগুলো যে পরিকল্পিতভাবে খোলা হয়েছে তা সহজেই অনুধাবন করা যায়। গত ২৩ অক্টোবর শাহবাগ থানায় ফারইস্ট লাইফের সাবেক সিইও হেমায়েত উল্ল্যাহ’র করা জিডির (নং- ১৬৩২) প্রেক্ষিতে এর যথার্থতা পাওয়া যায়।

    বিশ্লেষকদের মতে- দায়িত্বে এমন অবহেলায় ফারইস্ট লাইফের সিইও সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আইন অনুযায়ি কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে। কেননা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৭(২) ধারা অনুসারে প্রতিবেদন পাঠাতে ব্যর্থতায় এক বছর কারাদণ্ডসহ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে হতে পারে ফারইস্ট লাইফের ক্যামেলকো’র। তাছাড়া আইনের ধারা ৪ অনুসারে এই ঘটনায় জড়িত বা সহযোগীতার দায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ক্ষেত্রে কমপক্ষে ৪ বছর থেকে সর্বোচ্চ ১২ বছর কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা জরিমানা এবং নিবন্ধন বাতিল পর্যন্ত হতে পারে।

    এ বিষয়ে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক সিইও হেমায়েত উল্ল্যাহ’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, ‘মানিলন্ডারিংয়ের বিষয়টি মূলত প্রতিষ্ঠানের ক্যামেলকো দেখে। এটা সিইও’র কোন বিষয় না। আমার সময়কালে ফারইস্টে ক্যামেলকো’র দায়িত্বে ছিলেন সে সময়কার সিএফও আলমগীর কবির। তিনি বর্তমানে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তার চলতি দায়িত্বে আছেন।’ আলমগীর কবির কি এ বিষয়ে তাকে অবহিত করেননি, এমনটা জানতে চাইলে সাবেক এই সিইও বলেন- ‘তিনি (আলমগীর কবির) কখনো এই বিষয়ে আমাকে জানাননি। হয়তো আমাকে জানালে আমি ব্যবস্থা নিতে পারতাম। তবে কেন তিনি আমাকে জানাননি সেটা উনিই ভালো বলতে পারবেন।’ এছাড়াও তিনি বলেন- ‘আমি সিইও থাকাকালে আমাকে পাশ কাটিয়ে কোম্পানিতে অনেক সিদ্ধান্ত নেয়া হতো। তৎকালীন চেয়ারম্যানের অনুগত ৫ জনের একটি সিন্ডিকেট এইসব কাজ করতো।’ এই সিন্ডিকেটে কারা কারা ছিলেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান- ‘আইটি বিভাগের মাজেদুল ইসলাম, সিএফও মোহাম্মদ আলমগীর কবির, ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান শেখ আবদুর রাজ্জাক, অডিট বিভাগের প্রধান কামাল হোসেন হাওলাদার এবং সাবেক চেয়ারম্যানের পিএস আজাহারুল ইসলামের মাধ্যমেই এসব কাজ সংঘটিত হতো।’

    এদিকে বিষয়টি স্বীকার করে কোম্পানির ব্যাংকিং বিভাগের প্রধান শেখ আব্দুর রাজ্জাক জানান- ওই ব্যাংক থেকে আমাদের চিঠি দেয়া হয়েছে, আমাদের সিইও বলেছেন এর উত্তর দিবেন। কিন্তু ক্যামেলকোর দায়িত্বে কে আছেন তা তিনি বলতে পারেননি। এছাড়া ব্রাঞ্চ কর্মকর্তাদের অজান্তে তাদের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা ও তাতে কোটি কোটি টাকা লেনদেনের বিষয়ে বলেন- ‘এসব ঘটনাও আমার জানা নেই।’ যখন বলা হলো- আপনি ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্টের দায়িত্বে থাকার পরও এসব অজানা থাকার কারণ কি? প্রত্যুত্তরে জানান- ‘আমি শুধু কোম্পানির হিসাবগুলোর ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করি, অন্য কোন হিসাব থাকলে সেটা আমাদের পেমেন্ট সেকশন দেখে।’ এক পর্যায়ে তিনি মিটিংয়ে আছেন এমনটা জানিয়ে ফোনটি কেটে দেন।

    তবে কোম্পানির ক্যামেলকো ও সিএফও এবং বর্তমান সিইও (সিসি) আলমগীর কবিরের সাথে ফোন করা হলে তিনি ফোন না ধরে মেসেজ পাঠাতে অনুরোধ জানিয়ে প্রতিবেদককে ক্ষুদে বার্তা পাঠান। পরবর্তীতে যোগাযোগের কারণ উল্লেখ করে মেসেজ পাঠালে তিনি আর কোন প্রত্যুত্তর দেননি।

    এদিকে মানিলন্ডারিংয়ের ঘটনায় সম্পৃক্তদের খুঁজে আইনের আওতায় আনতে বিএফআইইউ সহ নিয়ন্ত্রকারী ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির স্টেকহোল্ডাররা। তারা বলেন- নজরুল ইসলামের অপকর্মের দোসররা এখনও বাংলাদেশে রয়েছে। এসব অপকর্ম থেকে তারাও লাভবান হয়েছে। তাই এদেরকে আইনের আওতায় আনলেই অনেক কিছু বেরিয়ে আসবে। মানিলন্ডারিং ঘটনা নিয়ে বিনিয়োগকারীরা বলেন- ফিন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিটকে ফারইস্টের ক্যামেলকো ও বর্তমান সিইও (সিসি) আলমগীর কবিরকে অতিদ্রুত জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনলে সকল তথ্য বেরিয়ে আসবে।

    এছাড়া কোম্পানি সংশ্লিষ্ট কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ফারইস্টের সিএফও থাকাকালে আলমগীর কবির একই সাথে প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এক্ষেত্রে তথ্য গোপন ছাড়াও সিজিসি’র ১.২(ন)(রা) শর্ত ভঙ্গ করে তিনি এই দায়িত্ব পালন করেছেন। যা কোড অফ ইথিক্স পরিপন্থি। ফারইস্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স ও প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান একই ব্যক্তি বিধায় তার স্বার্থসিদ্ধির জন্য ফারইস্টের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা আলমগীর কবিরকে প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে নিয়োগ করেন।

    গ্রাহকদের ক্ষতি করে সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে লাভবান করায় আলমগীর কবিরকেও স্বার্থভোগী মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা। তিনি যদি ফারইস্টে সর্বোচ্চ পদের দায়িত্বে থাকেন তবে অনেক তথ্যই গোপন করতে পারেন। এতে অবৈধ সুবিধাভোগীরা চিহ্নিত হওয়াসহ পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে বিলম্ব হতে পারে। তাই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দিয়ে তদন্ত চালাতে বিএফআইইউ’র প্রতি আহ্বান করেছে স্টেকহোল্ডাররা। পাশাপাশি তারা প্রত্যাশা করেন আগামী ১২ নভেম্বর কক্সবাজারে অনুষ্ঠিতব্য বীমা খাত নিয়ে ‘ক্যামেলকো কনফারেন্স’ মানিলন্ডারিং বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা তৈরী করবে। এতে অংশগ্রহনকারীরা এ বিষয়ে আরো জ্ঞান অর্জন করে মানিলন্ডারিং বন্ধে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

     

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১১:০৮ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২
    ১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
    ২০২১২২২৩২৪২৫২৬
    ২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি