নিজস্ব প্রতিবেদক | সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪ | প্রিন্ট | 249 বার পঠিত
বীমা কোম্পানিগুলোর সলভেন্সি মার্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি, যারা গ্রাহকের ঝুঁকি নেবে তাদেরই যদি সলভেন্সি না থাকে তাহলে গ্রাহককে তারা কীভাবে সুরক্ষা দেবে? হাতে গোনা কয়েকটি ছাড়া বেশিরভাগ কোম্পানির অবস্থা খুবই নাজুক। তাদের বীমা পরিকল্পগুলো কার্যকরী না। ব্যবসায়িক পলিসি হচ্ছে শুধুমাত্র প্রিমিয়াম আনা আর কমিশন বের করার প্রতিযোগিতা। মেয়াদোত্তীর্ণ হলে বীমা দাবি পরিশোধ করতে পারবে কি না, বিনিয়োগ, লাইফ ফান্ড এসব বিষয়ে গুরুত্ব নেই। আইডিআরএ’র তথ্যানুযায়ী, ২০১৮ সাল থেকে ২০২৩ পর্যন্ত প্রতিবছর ১৭ লাখ করে নতুন পলিসি ইস্যু হয়েছে। কিন্তু সেই হারে নবায়ন প্রিমিয়াম আসছে না। প্রথম বর্ষ ব্যবসা কতটুকু টেকসই সেদিকে গুরুত্ব নেই। যে কারণে সব পক্ষকে মিলেই রেগুলেটরের পলিসি প্রয়োগ করতে হবে। সকল ক্ষেত্রে, সব অংশীজনের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।
বেশিরভাগ কোম্পানিরই আর্থিক সক্ষমতা নেই। খুব শিগগিরই বীমা দাবি পরিশোধ নিয়ে বেকায়দায় পড়বে। ননলাইফের ক্ষেত্রেও তারা যে প্রিমিয়াম আয় হয়েছে বলে দেখায়; তা তাদের প্রকৃত আয় নয়। তারা অন্তত ৫০ শতাংশ বা ক্ষেত্র বিশেষে তারও বেশি আন অফিসিয়াললি ডিসকাউন্ট দেয়। কিন্তু নথিপত্রে শতভাগ প্রিমিয়াম নিয়েছেন বলে দেখান। তারা প্রিমিয়াম পাচ্ছেন না অথচ দেখাচ্ছেন। যে কারণে পুনর্বীমা করতে গিয়ে আবার নিজেরা প্রিমিয়াম দিতে পারছেন না। অবশ্য কিছু কোম্পানি আছে যারা ভালো চান।#
Posted ১:৪৭ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪
bankbimaarthonity.com | rina sristy