বৃহস্পতিবার ৩০ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকের তারল্য ও মুনাফা এবং পোর্টপোলিও ব্যবস্থাপনা

পান্না কুমার রায় রজত   |   বুধবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২   |   প্রিন্ট   |   824 বার পঠিত

ব্যাংকের তারল্য ও মুনাফা এবং পোর্টপোলিও ব্যবস্থাপনা

ব্যাংকের প্রধান উদ্দেশ্য হলো মুনাফা সর্বোচ্চ করা। এ উদ্দেশ্যে ব্যাংক এমন সবক্ষেত্রে অর্থ বিনিয়োগ করে যেখান থেকে ব্যাংকের সর্বাধিক সুদ তথা, আয় অর্জিত হয়। সাধারণত দীর্ঘকালীন ঋণ প্রদান করে ব্যাংক সর্বাধিক মুনাফা অর্জন করতে পারে। কিন্তু দীর্ঘকালীন ঋণ প্রদান করলে মুনাফা বেশি পাওয়া গেলেও সহজে এ ঋণ আদায় করা যায় না। ব্যাংক যদি জমাকৃত তহবিলের কাম্য বিনিয়োগের মাধ্যমে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করতে চায়, তাহলে যে সমস্যা দেখা দেয় তাহলো ব্যাংকের তারল্য সংকট। উদ্যোক্তার চাহিদা অনুসারে নগদ অর্থ প্রদানের অক্ষমতাই হলো ব্যাংকের তারল্য সংকট। আমানতকারীর চাহিদা অনুসারে অর্র্থ ফেরত দেওয়ার যোগ্যতাকে ব্যাংকের তারল্য বলে। দেশে যদি বিনিযোগ বাড়ে, তাহলে ব্যাংকের ওপর ঋণের চাপ পড়ে। ফলে ব্যাংকগুলোতে তারল্য কমে যায়। বাণিজ্যিক ব্যাংককে আমানতকারীদের বিশ^াস অর্জন করতে হলে তারল্য বজায় রাখতে হয়। আবার বাণিজ্যিক ব্যাংককে ব্যবসায় টিকে থাকতে হলে শুধু আমানত গ্রহণ এবং তা পুনরায় আমানতকারীদের ফেরত দিলেই চলে না। বরং তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য মুনাফা অর্জন করতে হয় তথা ঋণদান কার্যক্রমও চালাতে হয়। তারল্য বজায় রাখা ও মুনাফা অর্জন করা এ দুটি বিষয় মূলত পরস্পরবিরোধী। কারণ বেশি তারল্য বজায় রাখতে হলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা কমে তথা, মুনাফা কমে। এক্ষেত্রে আমানতকারীদের নিকট বিশ^াস অর্জন করা গেলেও নিজের অস্তিত্ব হারাতে হয়। আবার কম তারল্য বজায় রাখতে গেলে ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা বাড়ে। তাই ব্যাংকের তারল্য ও মুনাফা এ দু’টি পরস্পরবিরোধী নীতির মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে হয়।

২০২১-২০২২ অর্থবছরে সম্প্রসারণমূলক রাজস্ব ও মুদ্রানীতির আওতায় গৃহীত নীতি সহায়তার ফলে ব্যাংকিংখাতে উদ্বৃত্ত তারল্য ও তরল সম্পদের পরিমাণ উল্লেখ্যযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ তারল্য যাতে সার্বিক মূল্য পরিস্থিতি ও আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কোনোরূপ বিঘ্ন ঘটাতে না পারে, সে ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্ক। দৈনিক ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ রেখে প্রয়োজনে ‘ওপেন মার্কেট অপারেশন’ পরিচালনার পাশাপাশি পরিস্থিতি বিবেচনায় অর্থবছরের যে কোনো সময়েই মুদ্রানীতির নীতিগত দিক পরিবর্তনের সিদ্ধান্তও গৃহীত হয়। ৯ আগস্ট ২০২১ থেকে স্বল্পমেয়াদি বিল নিলাম শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ১৮-১৯ হাজার কোটি টাকা বিলে কিছুটা বিনিয়োগ করে আয় করতে শুরু করে ব্যাংকগুলো। সেপ্টেম্বর ২০২১ কলমানি মার্কেট অনলাইনে নিয়ে আসার পর এ তারল্য বিনিয়োগের মাধ্যমে ভালো আয় করে ব্যাংকগুলো। ব্যাংকের তহবিলের মূল উৎস আমানত। এ আমানতের ৪ শতাংশ বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, সিআরআর হিসেবে জমা রাখে ব্যাংকগুলো। ১৩ শতাংশ জমা রাখতে হয় বন্ড বিল আকারে। অবশিষ্ট ৮৩ শতাংশ ঋণ হিসেবে বিনিয়োগ করা যায়। তবে ঋণের চাহিদা কম থাকলে বা ব্যাংকের হাতে থাকা তহবিল বিনিয়োগ করা না গেলে তা উদ্বৃত্ত তারল্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

আমরা দেখতে পাই, যখন বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ বেশি ছিল তখন ডলার কিনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন সরবরাহ কমে যাওয়ায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাজারের চাহিদা অনুযায়ী ডলার বিক্রি করছে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই থেকে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত সব মিলিয়ে ২৫০ কোটি (২.৫ বিলিয়ন) ডলার বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর আগে বাজার স্থিতিশীল রাখতে ডলার কেনায় রেকর্ড গড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সব মিলিয়ে প্রায় ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার কিনে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়েও ২ কোটি ৫০ লাখ ডলার কেনে আর্থিক খাতের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।

প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো চাইলেও বাড়তি ডলার নিজেদের কাছে রাখতে পারে না। বৈদেশিক মুদ্রা রাখার বিষয়ে প্রতিটি ব্যাংকের নির্ধারিত সীমা আছে, যাকে ‘এনওপি বা নেট ওপেন পজিশন’ বলে। যদি কোনো ব্যাংকের নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত ডলার মজুদ থাকে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলার বিক্রি করতে হয়। আর না হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বিক্রি করতে হবে। কেউ নির্ধারিত সীমার বাইরে ডলার নিজেদের কাছে ধরে রাখলে ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে জরিমানা গুনতে হয়। জরিমানার হাত থেকে বাঁচার জন্য ব্যাংকগুলো বাজারে ডলার বিক্রি করতে না পারলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী, একটি ব্যাংক তার মূলধনের ১৫ শতাংশের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা নিজেদের কাছে ধরে রাখতে পারে। তবে ব্যাংকগুলোতে জমে থাকার তারল্যের পাহাড়ও কমতে শুরু করেছে।

অর্থনীতি বিশ্লেষকদের মতে, আমদানি বাড়ার ভালো দিক হচ্ছে দেশে বিনিয়োগ বাড়বে, কর্মসংস্থান হবে, অর্থনীতিতে গতি সঞ্চার হবে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে জুলাই-নভেম্বর ৩৫ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন (৩ হাজার ৫৪২ কোটি ৯২ লাখ) ডলারের এলসি খুলেছেন ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা। টাকার অংকে এর পরিমাণ ৩ লাখ ৩ হাজার ৯৮৩ কোটি টাকা। গত ২০২০-২১ অর্থবছরের একই সময়ে ২৩ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলারের এলসি খোলা হয়েছিল। এ হিসাবে দেখা যায়, এই পাঁচ মাসে দেশে এলসি খোলার পরিমাণ বেড়েছে ৫৩ দশমিক ৭৪ শতাংশ। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্য বেড়েছে। দেশে অভ্যন্তরীণ পর্যায়ে বেড়েছে ডলারের মূল্য এ কারণে শিল্পখাতের মূলধনী যন্ত্রাংশ ও ভারী যন্ত্রপাতির আমদানির ব্যয় আগের তুলনায় বেশি। করোনার মধ্যে রপ্তানি আয়ের উর্ধŸগতির সঙ্গে আমদানিতেও রেকর্ড ঊর্ধŸগতি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে বিনিয়োগ ও উৎপাদন সহায়ক পণ্য বা মেশিনারিজ। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-নভেম্বর সময়ে মূলধনী যন্ত্রপাতি বা ক্যাপিটাল মেশিনারি আমদানির জন্য ২৩৬ কোটি ৩৬ লাখ ডলারের এলসি খোলা হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ২১ দশমিক ২ শতাংশ। এই সময়ে শিল্পখাতে ভারী যন্ত্রপাতি আমদানি হয়েছে ১৫৭ কোটি মার্কিন ডলারের, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে হয় ১১৯ কোটি মার্কিন ডলার। একই সময়ে শিল্পখাতের কাঁচামাল আমদানি হয় ১০৮২ কোটি মার্কিন ডলারের, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৭৩০ কোটি ডলার। এ সময় শিল্পখাতে ৩৫২ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি কাঁচামাল পণ্য আমদানি হয়েছে। গত জুলাইয়ে মুদ্রানীতি ঘোষণার পর থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চার মাসে ব্যাংকখাতের উদ্বৃত্ত তারল্য ২ লাখ ৩২ হাজার কোটি টাকা থেকে কমে ২ লাখ ১৮ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। অর্থাৎ আলোচিত সময়ে উদ্বৃত্ত তারল্য কমেছে ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান তথ্য থেকে জানা যায়, অক্টোবর ২০২১ মাসে ৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ উঠে এসেছে ঋণ প্রবৃদ্ধি। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, গত নভেম্বর ২০২১ ব্যাংকখাতে মোট তরল সম্পদের পরিমাণ ছিল ৪ লাখ ৪৭ হাজার ১৪২ কোটি টাকা। ওই সময়ে ব্যাংকগুলো সিআরআর দরকার ছিল ৬১ হাজার ১৮৫ কোটি টাকা। বিধিবদ্ধ তরলসম্পদ সংরক্ষণে এসএলআর দরকার ছিল ১ লাখ ৬৭ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা। সিআরআর ও এসএলআর সংরক্ষণের পর ব্যাংকগুলোর হাতে ছিল ২ লাখ ১৮ হাজার ১১৮ কোটি টাকা। যা উদ্বৃত্ত তারল্য হিসেবে ব্যাংকখাতে পরিচিত। গত জুন ২০২১ ব্যাংকখাতে উদ্বৃত্ত তারল্য ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার ৭১১ কোটি টাকা। অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে গতি ফেরায় গত নভেম্বরে ব্যাংকখাতের উদ্বৃত্ত তারল্য কমে আসে।

অন্যদিকে চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে জুলাই-ডিসেম্বর ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকারের নেওয়া নিট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা যা এর আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৫ শতাংশ বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোর কাছে ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রির মাধ্যমে ৩৩ হাজার ৩৮০ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে সরকার। অন্যদিকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে নেয়া আগের ১৪ হাজার ৫৯৯ কোটি টাকার দেনা পরিশোধ করে সরকার। সেই হিসাবে, বাজেট ঘাটতি মেটাতে আলোচিত সময়ে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সরকার নিট ১৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ করে। তবে বেসরকারি খাতে ঋণের চাহিদা তুলনামূলক কম। অন্যদিকে আমানত বাড়ায় এর বিপরীতে সুদ দিতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। এ সময় সরকারের বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করে ব্যাংক কিছু মুনাফা করতে পারছে। বর্তমানে দীর্ঘমেয়াদি বন্ডগুলোতে সাড়ে ৭ শতাংশ সুদ পাচ্ছে ব্যাংক গুলো।

ব্যাংকের তারল্য ও মুনাফা এ দুটি পরস্পরবিরোধী নীতির মধ্যে এরূপ সমন্বয় সাধন কার্যক্রমকে পোর্টপোলিও ব্যবস্থাপনা বলে। পোর্টপোলিও হলো ব্যাংক তার সম্পদকে দু’ভাগে ভাগ করে রাখে। এক ভাগের সম্পদ দিয়ে তারল্যতা বজায় রাখে এবং অপর ভাগের সম্পদ দিয়ে ঋণ দান করে। এখন ব্যাংককে ঠিক করতে হয় সম্পদের কতটুকু তারল্য তার জন্য রাখবে এবং কতটুকু ঋণ দান করবে। ঋণ প্রদানের জন্য ব্যাংকের কাছে পর্যাপ্ত অর্থ থাকতে পারে। তবে ব্যাংকের ঋণ সৃষ্টির কার্যক্রম সচল রাখার জন্য গ্রাহকদের ঋণ গ্রহণের ইচ্ছা থাকতে হবে। গ্রাহকগণ যদি ঋণ গ্রহণ বা ঋণ গ্রহণের ইচ্ছ প্রকাশ না করে তাহলে ব্যাংকের ঋণ সৃষ্টি কম হবে। ব্যাংক কখনো সীমাহীনভাবে ঋণ সৃষ্টি প্রক্রিয়া চালায় না। ব্যাংকের ঋণ সৃষ্টির ক্ষমতা দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বা পরিবেশের উপর নির্ভর করে থাকে। অর্থনীতিতে চাঙ্গাভাব থাকে তাহলে ব্যাংক আশাবাদী হয়ে উঠে।

অর্থনীতিতে চাঙ্গা ভাব থাকলে বিনিয়োগ সুযোগ বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবসায়ী শিল্পপতি ব্যাংক থেকে আরো ঋণ গ্রহণ করে। ফলে ঋণ সম্প্রসারিত হয়। কিন্তু অর্থনীতিতে যদি মন্দা ভাব থাকে, অর্থাৎ অর্থনৈতিক কার্যক্রম যদি নিম্নস্তরে বিদ্যমান থাকে, তাহলে ব্যাংক কখনো ব্যবসায়ী মহলকে ঋণ দিতে উৎসাহিত করে না বা উদ্যোক্তারাও ঋণ গ্রহণ করতে আসে না। কাজেই বলা যায়, দেশের অর্থনৈতিক পরিবেশ ব্যাংকের ঋণ সৃষ্টি ক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। তবে করোনার নতুন ধরন ওমিক্রনের দ্রুত বিস্তার যদি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত করে, তাহলে আমাদের মতো উদীয়মান উন্নয়নশীল অর্থনীতির চাহিদায় বাড়তি চাপ তৈরি হবে বলে আমি মনে করি।

Facebook Comments Box
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Posted ১:৫৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২২

bankbimaarthonity.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

প্রধান সম্পাদক: মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
নিউজরুম:

মোবাইল: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১

ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫, ই-মেইল: bankbima1@gmail.com

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।