বিবিএনিউজ.নেট | ০৭ মার্চ ২০২০ | ৩:৩৩ অপরাহ্ণ
বড় ধরনের দরপতনের কবলে পড়ে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেশ কমে গেছে। অবমূল্যায়িত অবস্থায় পড়ে রয়েছে ভালো অনেক প্রতিষ্ঠানের শেয়ার। তবে সব থেকে বেশি অবমূল্যায়িত অবস্থায় রয়েছে ব্যাংক কোম্পানিগুলো।
অথচ একসময় ব্যাংক কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারের প্রাণ হিসেবে বিবেচনা করা হতো। ব্যাংক খাতের ওপরই নির্ভর করত শেয়ারবাজারের উত্থান-পতন। কিন্তু খেলাপি ঋণ, পরিচালকদের অনৈতিক কার্যক্রমসহ ব্যাংক খাত সম্পর্কে একের পর এক নেতিবাচক তথ্য বেরিয়ে আসায় ব্যাংকের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থায় ভাটা পড়েছে। যার নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বেশিরভাগ ব্যাংকের শেয়ারের দামে।
যে কারণে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১২-এর ওপরে থাকলেও ব্যাংক খাতের পিই রয়েছে ১০-এর নিচে। বর্তমানে ব্যাংক খাতের পিই অবস্থান করছে ৬ দশমিক ৭৯ পয়েন্ট। আর ডিএসইর সার্বিক পিই অবস্থান করছে ১২ দশমিক ৩০ পয়েন্টে।
শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে ঝুঁকি মূল্যায়নের অন্যতম হাতিয়ার মূল্য আয় অনুপাত (পিই রেশিও)। যে প্রতিষ্ঠানের পিই যত কম, ওই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ ঝুঁকি তত কম। সাধারণত যেসব প্রতিষ্ঠানের পিই ১০-১৫ এর মধ্যে থাকে সেই প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ অনেকটাই ঝুঁকিমুক্ত।
ব্যাংকের পাশাপাশি কম পিই থাকা অন্য খাতগুলোর মধ্যে টেলিযোগাযোগ ১০ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ১০ দশমিক ৫০ পয়েন্টে, সেবা ও আবাসন ১২ দশমিক ৩৮ পয়েন্টে এবং বিমা ১২ দশমিক শূন্য ৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
পিই ১৫-এর ওপরে থাকা খাতগুলোর মধ্যে ওষুধ ও রসায়ন ১৬, প্রকৌশল ১৬ দশমিক ৭৯, বস্ত্র ১৭ দশমিক শূন্য ৭, খাদ্য ১৮ দশমিক ৪৬, তথ্য প্রযুক্তি ২০ দশমিক ৪৫, চামড়া ২১ দশমিক ১২, বিবিধ ২৩ দশমকি ৬৯ এবং সিরামিক ২৩ দশমিক ৬৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
আর পিই সব থেকে বেশি থাকা খাতগুলোর মধ্যে ভ্রমণ ও অবকাশ ৩২ দশমিক ৫২, পাট ৪০ দশমিক ৩৯, সিমেন্ট ৩৫ দশমিক ৯৮, কাগজ ৪৮ দশমিক ৭৬ এবং আর্থিক খাত ৫০ দশমিক ৫৫ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
বাংলাদেশ সময়: ৩:৩৩ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২০
bankbimaarthonity.com | Sajeed