সোমবার ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬ মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

Ad
x

মুজিব যখন ধরল হাল পাল্টে গেল সর্বকাল

মোল্লা জালাল   |   বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯   |   প্রিন্ট   |   566 বার পঠিত

মুজিব যখন ধরল হাল পাল্টে গেল সর্বকাল

গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ অঞ্চলের এই ভূখণ্ডের মানুষ হাজার বছর ধরে জাতিসত্তার স্বকীয়তার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করেছে। যদি মুঘল আমল থেকেও ধরা হয় তা হলেও দেখা যায়, রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থার বিবেচনায় সেই ঈশা খাঁ থেকে শুরু করে পাকিস্তানের মোনায়েম খাঁ পর্যন্ত সকল শাসক পঙ্গপালের মতো এই বঙ্গভূমিকে বেসুমার লুটপাট করেছে। নানা কায়দায় বাঙালী জাতিসত্তার বিনাশ করতে চেয়েছে। শেষ পর্যন্ত কেউ সফল হয়নি। অপরদিকে বাঙালী তার মান-মর্যাদা নিয়ে মাথা তুলে দাঁড়াতেও পারেনি। কোন না কোন পর্যায়ে সমঝোতা করতে হয়েছে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ঈশা খাঁ এক অসীম সাহসী বীরযোদ্ধা হিসেবে মুঘলদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করেও এক পর্যায়ে তিনি ভাটির রাজা হিসেবে মুঘলদের কাছ থেকে ‘মসনদে-আলা’ খেতাব নিয়ে সমঝোতা করতে বাধ্য হন। তিনি পারেননি বাঙালী জাতিকে তার কাক্সিক্ষত মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করতে। ঈশা খাঁর বংশধররাও পারেনি। ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালীর স্বাধীনতার স্বপ্ন ধূলিসাত হয়ে যায়। ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির মাধ্যমে ভারতবর্ষ তথা বঙ্গদেশে ব্রিটিশ শাসনের ইতিহাস কারও অজানা নেই। ইঙ্গ-ফরাসী-পর্তুগিজ ফিরিঙ্গিদের নানা রকমের নির্যাতন-নিপীড়নের বিরুদ্ধে বীর বাঙালীর বীরত্বগাথার অনেক লড়াই-সংগ্রামের ‘গল্প’ ইতিহাসের অংশ হয়ে আছে। যুগে যুগে বাঙালী হয়েছে প্রতারিত। সর্বশেষ প্রতারণার নাম পাকিস্তান। এই পাকিস্তানের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান শেখ মুজিব। তার আগে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনেও তিনি ছিলেন অগ্রসেনানি। পাকিস্তান সৃষ্টির পর গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে বাঙালীর অধিকার আদায়ের সংগ্রামে গর্জে ওঠেন তিনি। শুরু করেন জীবনপণ লড়াই। ১৯৬৩ সালে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর ইন্তেকালের পর শেখ মুজিব আন্দোলনের সকল দায়িত্ব তুলে নেন নিজের কাঁধে। টানা তেইশ বছর ধরে বিরতিহীন আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি বাঙালী জাতির মনে দুর্দমনীয় সাহস সঞ্চার করেন। তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে গোটা জাতি প্রতিবাদে রুখে দাঁড়ায় জুলুম আর জালেমের বিরুদ্ধে। আর এই সাহসী সংগ্রামের আপোসহীন নেতা হিসেবে তিনি হয়ে যান সব মানুষের ‘বঙ্গবন্ধু’। ১৯৫২, ৫৪, ৬২, ৬৬, ৬৯ এবং ৭০ সালের ঘটনা বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের একেকটি মাইল ফলক। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ সৃষ্টি করে বিশ্বের মানচিত্রে বাঙালী জাতির মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেন। তাই ইতিহাস কয়, মুজিব যখন ধরল হাল পাল্টে গেল সর্বকাল। এ কারণেই তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী। তাঁর বাংলাদেশ আজ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত। তাঁর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বিশ্ব ঐতিহ্য। তিনি আজ ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত এক বিশাল বাংলাদেশের স্থপতি। বাঙালীর হাজার বছরের লড়াই-সংগ্রামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের মহানায়ক তিনি। ২০২০ সাল থেকে ২০২১ সালে বিশ্বের ১৯৫টি দেশে মর্যাদার সঙ্গে পালিত হবে ‘মুজিব জন্মশতবর্ষ’। বীর বাঙালির অর্জন ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস অমর ২১ ফেব্রুয়ারি আজ সারাবিশ্বে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।’ বাংলা এখন শিকাগোর অফিস-আদালতের ব্যবহারিক ভাষার স্বীকৃতি পেয়েছে। ব্রিটিশদের ঐতিহ্যবাহী লন্ডনের দ্বিতীয় কথ্য ভাষা বাংলা।

 

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে মাত্র ৪৮ বছর হলো। তার আগে ২৩ বছর আমরা শোষিত-নির্যাতিত পেটে-ভাতে খেয়ে পরে কোনমতে বেঁচে থাকা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাসিন্দা ছিলাম। পাকিস্তানের ২৩ বছরের মতো এত অভাব বাঙালীর ইতিহাসে কোনদিন ছিল না। সেই ভুখা-নাঙ্গা অশিক্ষিত অর্ধশিক্ষিত জাতিকে বঙ্গবন্ধু মানব সভ্যতার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুর শাসক পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী করে ১৯৭১ সালে ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেন। স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি বলা হতো। সে সময়ে বাংলাদেশের সাড়ে ৭ কোটি মানুষের খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার তেমন উপায় ছিল না। পাকবাহিনী গোটা দেশটাকেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছিল। বঙ্গবন্ধু দিশেহারা হয়ে ছুটছিলেন, কিভাবে দেশের মানুষকে বাঁচানো যায়, দেশটাকে গড়ে তোলা যায়। কিন্তু তাঁকে সে সুযোগ দেয়া হয়নি। ১৯৭৫ সালে ইতিহাসের নজিরবিহীন বর্বরতায় বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। ১৯৭৫ থেকে ২০১৯ সাল ৪৪ বছর। এর মাঝে কুড়ি বছরের বেশি সময় গেছে দেশটাকে লুটেপুটে খাওয়ার মহোৎসবে। ’৯৬ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে সরকার গঠন করলে নতুন যাত্রা শুরু হয়। কিন্তু ৫ বছর পর আবার ব্যাঘাত ঘটে। ২০০১ সালে আবার লুটের রাজ্যে পরিণত হয় বাংলাদেশ। এর পরে ১/১১ এর অধীনে। ২০০৮ সালে আবার আওয়ামী লীগ মহাজোট করে ক্ষমতায় আসে। বলা যায়, এখান থেকেই শুরু। ২০০৮ থেকে ২০১৯-এই সময়ের মধ্যে বাংলাদেশ আজ কোথায় চলে গেছে, দেশের বাইরে না গেলে কারো পক্ষেই তা উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। বিশ্বের এমন কোন দেশ বা জাতি নেই, যারা আজ বাংলাদেশকে জানে না, চেনে না। ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ক্রমাগত উন্নতি ও সমৃদ্ধি ঘটতে শুরু করে। সে হিসেবে সমৃদ্ধির এই যাত্রা মাত্র ১৫ বছরের। এই সময়ে বাংলাদেশের সাফল্য বিশ্বে নজিরবিহীন। পনেরো বছরে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃতি লাভ করেছে বলেই আজ এদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হচ্ছে।বর্তমান বিশ্বের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান আজ কোথায়, একটু মূল্যায়ন করলেই পরিষ্কার হবে। মানুষের জীবন তো বায়বীয় কিছু না। অথবা নয় শুধু স্বপ্ন। যদি তর্কের খাতিরে বাংলাদেশকে এখনও গরিব দেশ হিসেবে ধরে নিই তাহলে মূল্যায়ন করা দরকার কতটা গরিব? বাংলাদেশে কি নেই, বাঙালীরা কি পায় না, কি খায় না বা কি পরে না। বাংলাদেশের মানুষের কোন্ সাধআহ্লাদটি অপূর্ণ? এসব বিষয়ের বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ৪৮ বছর আগে যে দেশের মানুষ এক বেলা খাবারের জন্য অমানুষিক শ্রম বিক্রি করত, সে দেশের মানুষ আজ স্বল্প বা সামান্য মূল্যে খাদ্য পায়। ১৭ কোটি মানুষের এই বাংলাদেশে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা একটি বিস্ময়কর বিষয়। শুধু অর্জনেই নয়, বণ্টনেও বাংলাদেশ একটি মাইল ফলক। গোটা দেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচীর আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে ৫০ লাখেরও বেশি পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে মাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হচ্ছে। বছরের প্রায় ৬ মাস ধরে এ কর্মসূচী অব্যাহত থাকে। এ ছাড়াও খাদ্যভিত্তিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় ব্যাপক খাদ্য বরাদ্দ রয়েছে। কৃষিপ্রধান বাংলাদেশ আজ খাদ্যশস্য ছাড়াও মৎস্য ও পশু সম্পদের ক্ষেত্রেও ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বের চতুর্থ স্থানে উন্নীত হয়েছে।

শিল্পের ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ পিছিয়ে নেই। বর্তমানে সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার মহাযজ্ঞের কাজ চলছে। এক্ষেত্রে দেড় লাখ কোটি টাকা বিদেশী বিনিয়োগ হবে। এই ১০০টি অঞ্চলের মধ্য ইতোমধ্যেই ৮৮টির স্থান চূড়ান্ত করে ১ লাখ একরের বেশি পরিমাণ জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। জমি নিয়েছে চীন, ভারত, জাপান, আমেরিকা, যুক্তরাজ্য, দক্ষিণ কোরিয়াসহ সিঙ্গাপুরের বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান ও কোম্পানি। পাশাপাশি রয়েছে দেশের বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোও।

বিদ্যুতের জাদুর ছোঁয়ায় চাঙ্গা হচ্ছে বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতি। বর্তমানে দেশের ৯৫ ভাগ মানুষের ঘরে বিদ্যুত পৌঁছে গেছে। দেশে দারিদ্র্য উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে। জনগণের গড় আয়ু বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৭২ বছরে উন্নীত হয়েছে। নারী-পুরুষ বৈষম্য দূরীকরণে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে সফল। শিশু ও মাতৃমৃত্যু হ্রাসের দিক থেকেও বাংলাদেশ বিশ্বে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবায় প্রভূত অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ এখন গোটা বিশ্বের ঈর্ষণীয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ রোল মডেল। অর্থনীতির বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েছে। গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের আমদানি বেড়েছে ৩০ গুণ আর রফতানি বেড়েছে ৩৩ গুণ। মাথাপিছু আয় বর্তমানে প্রায় ২ হাজার ডলার। রেমিটেন্সের ক্ষেত্রে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রেখেছে।

সাধারণভাবে মানুষের জীবনমান বৃদ্ধি পেয়েছে। অবকাঠামোগত দিক থেকে পরিবর্তন ও উন্নয়ন দৃশ্যমান। পদ্মা সেতু, ফ্লাইওভার, মেট্রো রেল, দূরপাল্লার সব রাস্তা ফোর লেন, সাগর তলে টানেল- ২০২২ সালে দৃশ্যমান হবে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’। বাংলাদেশ এখন সত্যিকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ সমগ্র বিশ্বে এক নম্বরে। প্রতিদিন মোবাইল ফোনে লেন-দেন হচ্ছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছে ১০০ ভাগের বেশি হারে। দেশে প্রায় ১৫ কোটির বেশি মোবাইল সিম চালু রয়েছে। এর ফলে ব্যবসা বাণিজ্যসহ শিক্ষা-দীক্ষা ও বৈদেশিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। এসব কারণে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে আজ বিশ্বের বড় বড় বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছে। তারা বাংলাদেশকে নতুন করে মূল্যায়ন করছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সাহসী ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ক্রমাগত এগিয়ে যাচ্ছে।

বিপরীতে আমরা নিজেরা হীনম্মন্যতায় ভুগছি। বিশ্বব্যাপী বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের এই মহাযজ্ঞে গোটা জাতির ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে ‘বঙ্গবন্ধু’ প্রশ্নে বিরোধ জিইয়ে রাখার আজ আর কোন যৌক্তিক উপায় নেই। আজকের বাস্তবতায় বাংলাদেশের বিপথগামী রাজনীতিকদের সঠিক পথে ফিরে আসার এটাই সুযোগ। এই সুযোগকে কাজে লাগানো দরকার। বঙ্গবন্ধু এখন আর শুধু বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতা নন, তিনি বাঙালীর নেতা, বিশ্ব নেতা, জাতির পিতা। তাঁকে ছোট করে দেখার হীনমন্যতায় ভুগলে নিজেদের অস্তিত্বই থাকে না। কারণ, বঙ্গবন্ধুবিহীন বাংলাদেশকে কল্পনাও করা যায় না। বঙ্গবন্ধুর এই বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে আরও বিস্তৃতি লাভ করতে পারে। জাতিসত্তাকে কেউ কোনদিন অস্তিত্বহীন করতে পারে না। বাংলাদেশ মানেই স্বাধীন-সার্বভৌম বাঙালী জাতিসত্তার প্রতীক। যার স্থপতি ‘বঙ্গবন্ধু’।

লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, সভাপতি, বিএফইউজে

Facebook Comments Box

Posted ১১:৪৫ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৯

bankbimaarthonity.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

Page 1

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

SatSunMonTueWedThuFri
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28 
প্রধান সম্পাদক: মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
নিউজরুম:

মোবাইল: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১

ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫, ই-মেইল: bankbima1@gmail.com

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।