• রাজউকের প্লট কেলেঙ্কারি: এস কে সিনহার বিরুদ্ধে  প্রতিবেদন ৩০ আগস্ট

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৬ জুন ২০২২ | ৫:০২ অপরাহ্ণ

    রাজউকের প্লট কেলেঙ্কারি: এস কে সিনহার বিরুদ্ধে  প্রতিবেদন ৩০ আগস্ট
    apps

    রাজউকের প্লট কেলেঙ্কারি ও অবৈধভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার (এস কে সিনহা) বিরুদ্ধে আগামী ৩০ আগস্ট দুদকের মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত।

    বৃহস্পতিবার (১৬ জুন) মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ধার্য  ছিল। কিন্তু দুদক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ  আগামী ৩০ আগস্ট এ দিন ধার্য করেন।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর দুদকের উপ-পরিচালক মো. গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে সমন্বিত জেলা কার্যালয় ঢাকা-১-এ মামলাটি করেন।

    মামলায় এস কে সিনহার বিরুদ্ধে রাজউকের প্লট কেলেঙ্কারির ঘটনায় তার নিজের ভাই ও আত্মীয়ের নামে ৭ কোটি ১৪ লাখ টাকার সম্পদ অর্জনের পর তা স্থানান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগ আনা হয়।


    মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে, সাবেক প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা রাজউক থেকে উত্তরা আবাসিক এলাকায় নিজের নামে একটি প্লট বরাদ্দ নেন। পরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ভাই নরেন্দ্র কুমার সিনহার নামেও রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে তিন কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ করান।

    এরপর প্রভাব খাটিয়ে তিন কাঠার প্লটটি পাঁচ কাঠায় উন্নীত করান। এক পর্যায়ে পূর্বাচলের প্লটটিকে উত্তরার চার নম্বর সেক্টরের ৬ নম্বর সড়কে (বাড়ি নম্বর ১/এ) স্থানান্তর করিয়ে রাজউকের অনুমোদন করান। বরাদ্দ পাওয়ার পর এসকে সিনহা প্লটটির ‘পাওয়ার অব অ্যাটর্নি’ নিয়োগ করেন তারই আত্মীয় জনৈক শঙ্খজিৎ সিংহকে।

    দুদকের অনুসন্ধানে এসকে সিনহা নিজেই উত্তরার ওই প্লটের অনুকূলে রাজউকে মোট ৭৫ লাখ টাকা পরিশোধ করেন। পরে তার তত্ত্বাবধানেই ওই প্লটে নয়তলা ভবন নির্মাণ হয়। ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৬ কোটি ৩১ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা। নিরপেক্ষ প্রকৌশলীর মাধ্যমে এ নির্মাণ ব্যয় প্রাক্কলন করে দুদক।

    রাজউকের প্লটের মূল্য ৭৫ লাখ টাকা ও ভবনের নির্মাণ ব্যয় ৬ কোটি ৩১ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকাসহ সব মিলিয়ে ৭ কোটি ৬ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা ব্যয় হয়। এর মধ্যে জনৈক খালেদা চৌধুরীর কাছ থেকে ভবনের একটি ফ্ল্যাট বিক্রির অগ্রিম ৭০ লাখ টাকা নেওয়া হয়। এ টাকা বাদে অবশিষ্ট ৬ কোটি ৩৬ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকা এবং আত্মীয় শঙ্খজিৎ সিংহের নামে একটি ব্যাংক হিসাবে স্থায়ী ও নগদে ৭৮ লাখ টাকা জমা করা হয়।

    দুদকের অভিযোগে আসামী এসকে সিনহা ক্ষমতার অপব্যবহার করে মোট ৭ কোটি ১৪ লাখ ৫ হাজার ৮৬৫ টাকার সম্পদ অর্জন করে ভাই ও আত্মীয়ের নামে বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করেন। এ সম্পদ অর্জনের বৈধ কোনো উৎস নেই এবং তা তার জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।

    এ অপরাধে সংস্থাটির ২০০৪-এর ২৭ (১) ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের ২০১২-এর ৪ (২), (৩) ধারায় মামলা করে দুদক।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালে ৯ নভেম্বর বিশেষ জজ আদালত দুদকের অপন এক মামলায় ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের অপরাধে এস কে সিনহার ১১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। #

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ৫:০২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৬ জুন ২০২২

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫
    ১৬১৭১৮১৯২০২১২২
    ২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
    ৩০৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি