• শিরোনাম

    শিশুর জীবন বাঁচাতে মাতৃদুগ্ধ ব্যাংক

    বিবিএনিউজ.নেট | ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ৩:১৯ অপরাহ্ণ

    শিশুর জীবন বাঁচাতে মাতৃদুগ্ধ ব্যাংক

    শিশুদের জীবন বাঁচাতে এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের উটাহ রাজ্যের নারীরা। রাজ্যটিতে এবারই প্রথমবারের মতো তৈরি করা হয়েছে ‘মাতৃদুগ্ধ ব্যাংক’। রাজ্যের কোনো শিশু মাতৃদুগ্ধ সংকটে পড়লে এই ব্যাংক থেকে সাহায্য করা হয়।

    গত বছর থেকে উটাহর সল্ট লেক সিটিতে এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে ব্যাংকটিতে সাড়ে পাঁচ শতাধিক স্থানীয় নারী স্বেচ্ছাসেবী রয়েছেন।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    এই মাতৃদুগ্ধ ব্যাংকের সূচনা হয়েছে অ্যানেত্তে থম্পসন নামের এক নারীর হাত ধরে। গত বছরের মার্চে তৃতীয় সন্তান জন্ম দেওয়ার পরই তিনি সিদ্ধান্ত নেন নিজের বুকের দুধ অন্য শিশুদের জন্য শেয়ার করার। তার ভাষ্যে, ‘আমার পক্ষ থেকে এটা খুব ছোট সাহায্য। আমার শরীরের এই ক্ষমতা রয়েছে, তাই আমি এটা করছি।’

    নিজের সন্তানের চাহিদা মেটানোর পর প্রতিদিন বাড়তি কিছু দুধ সঞ্চয় করে তিনি ফ্রিজে রাখতেন। অ্যানেত্তের এক ভাগ্নি জন্ম নেওয়ার পর মায়ের বুকের দুধ পায়নি। তখনই অ্যানেত্তে বুঝতে পারেন, এমন শিশুদের জন্য মাতৃদুগ্ধের গুরুত্ব কতটা।


    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিবছর জন্মানো শিশুদের মধ্যে দশ শতাংশই নির্দিষ্ট সময়ের আগে জন্মায়। ফলে ওই শিশুদের মায়েদের বুকে দুধ তৈরি হয় না অধিকাংশ সময়। দুধ না পাওয়া অপুষ্টিতে ভোগা ওই শিশুদের পাশে দাঁড়ায় উটাহর মাতৃদুগ্ধ ব্যাংক।

    উটাহর ওই মাতৃদুগ্ধ ব্যাংকে কোনো স্বেচ্ছাসেবী নারী দুধ দান করার পর সেই দুধ প্রক্রিয়াজাত করে তিন আউন্সের একটি কন্টেইনারে রাখা হয়। এরপর সেই কন্টেইনার উটাহ ও আইডাহোর বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়, যেখানে তা প্রয়োজন। ব্যাংকটির নির্বাহী প্রধান কেন রিচার্ডসন বলেন, ‘এই ব্যাংকের স্বেচ্ছাসেবীদের সঙ্গে আমাদের সৈন্যদের তুলনা করা যায়। উভয়েই মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসে। আমরা এখানে মানুষের জীবন বাঁচাতে কাজ করি। কোনো অর্থ প্রাপ্তি ছাড়াই ওই স্বেচ্ছাসেবীরা এই কষ্ট করে। আর এই কষ্টের পেছনে আছে নিখাদ ভালোবাসা।’

    Facebook Comments

    বাংলাদেশ সময়: ৩:১৯ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০১১১২১৩১৪১৫১৬
    ১৭১৮১৯২০২১২২২৩
    ২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
    ৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি