বৃহস্পতিবার ৩০ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শৈশবে দেখা বঙ্গবন্ধু

  |   বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২   |   প্রিন্ট   |   267 বার পঠিত

শৈশবে দেখা বঙ্গবন্ধু

আজ বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন। তাঁর স্নেহধন্য বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও প্রধামন্ত্রীর চাচা শেখ কবির হোসেন। তাঁর অন্তরঙ্গ স্মৃতিচারণ।

শেখ কবির হোসেন বঙ্গবন্ধুর চাচাতো ভাই। শৈশব কৈশোর পেরিয়ে যৌবনেও ছিলেন তাঁর সাহচর্যে। কেমন ছিল সেই সময়ের অভিজ্ঞতা। সেই দিনগুলোর গল্প শোনালেন শেখ কবির হোসেন। সেই গল্পের পরতে পরতে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রাণচাঞ্চল্য সাহসিকতা, স্বাধীনতার অদম্য স্পৃহা আর মানুষের প্রতি গভীর মমতা।

তিনি তখনকার সময়ে ওনার দেখা শৈশবে বঙ্গবন্ধুর জীবনীর কিছু অংশ ও বঙ্গবন্ধুর জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার স্মৃতিচারণ করেছেন। বঙ্গবন্ধুর শৈশব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু বয়সে আমার থেকে বড় ছিলেন। তাই ওনার শৈশব আমি দেখিনি। আমি যেটুকু শৈশবে দেখেছি তিনি বাড়ি আসলে গ্রাম দেখার জন্য বাইরে বের হতেন। সে সময় এখনকার মতো রাস্তা ছিলনা। সব ছিল কাদা মাটির রাস্তা। কাদা মাটি মাড়িয়ে সকলের বাড়ি গিয়ে খোঁজ খবর নিতেন। তখন জায়গা জমিতে পুরুষরা কাজ করতো আর বাড়িতে কাজ করতা মহিলারা। তিনি সকলের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ খবর নিতেন এমনকি কাজের মহিলাদের খাওয়া দাওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতেন। মাঝে মাঝে রান্নাঘরে গিয়ে খাবারের পাতিলের ঢাকনা খুলে দেখতেন। একবার কী হলো কাজের মহিলাদের খাবারের কথা জিজ্ঞাসা করেছেন তারা বলছে খেয়েছে কিন্তু পাতিলে কোনো খাবার ছিল না। তখন বঙ্গবন্ধু তার বাবাকে বলে চাল ডাল সব বের করে দিয়েছেন। তখন অবশ্য গ্রামে অভাব চলছিল। শৈশবে আমি ওনাকে যতটুকু দেখেছি ওনি সবার প্রতি খুবই আন্তরিক ছিলেন।

বঙ্গবন্ধু একদিন শীতের সকালে গ্রামের রাস্তায় বের হলেন, দেখলেন একজন রোদ পোহাচ্ছে। তার পরনে গেঞ্জি ছিল কিন্তু কোন চাদর ছিলনা। তখন তিনি ওনার নিজের চাদর খুলে লোকটিকে পড়িয়ে দিলেন। এগুলো আমার চোখের দেখা, আমি কিন্তু বই পড়ে এসব বলছি না।

বঙ্গবন্ধু বাচ্চাদের খুবই আদর করতেন। বাড়িতে যখনি আসতেন তার সাথে একটা না একটা বাচ্চা থাকতই। বঙ্গবন্ধু লাঠি খেলা পছন্দ করতেন। এখন বঙ্গবন্ধুর বাড়ির যে রাস্তাটা আছে তখন এটা ছিল বাড়ির পিছনের জায়গা। আমাদের বাড়ির চারদিকে চারটি ঘর ছিল। বাড়ির পাশেই লাঠি খেলার আয়োজন করা হতো আবার জাড়ি গানের আসর বসতো। রাতের বেলা চাঁদের আলো না হলে হ্যাজাক জ্বালিয়ে খেলা চলতো। বঙ্গবন্ধু বসে সে খেলা দেখতেন আবার গান শুনতেন। তখনও কিন্তু সারাক্ষণ ওনার কোলে কোন না কোন বাচ্চা বসা থাকতো। এছাড়া বঙ্গবন্ধু যখনি বাড়ি আসতেন তখন ঘরে ঘরে গিয়ে বাড়ির মুরব্বিদের সালাম করতেন। এগুলো আমি শৈশবে ওনাকে দেখেছি। ওনি সকলের সাথে কুশল বিনিময় করতেন।

একবার কী হলো বঙ্গবন্ধুর সাথে একজনের দেখা হতেই তাকে জিজ্ঞাসা করলেন কিরে তোর একটা মেয়ে আছে না। সে কী এখন হাটা চলা করতে পারে। তখন সে বললো জ্বি, এখন একটু একটু হাঁটতে পারে। তখন তিনি তাকে বললেন নিয়ে আসলি না কেন, তখন সে বললো বাচ্চাকে নিয়ে আসলেতো এটা সেটা ভেঙ্গে ফেলবে এই ভয়ে নিয়ে আসিনি। তখন বঙ্গবন্ধু তাকে বললেন, তুই কী বোকা নাকি যদি সে এগুলো না ভাঙে তাহলে সে বাচ্চা হলো কী করে। বাচ্চারা ভেঙেই তো বড় হবে। তুই কাল ওকে নিয়ে আসিস। ওনি বাচ্চাদের অসম্ভব পছন্দ করতেন। যেটা এখন প্রধানমন্ত্রীর মাঝে দেখা যায়। ওনি বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনেও বাচ্চাদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

সাহসিকতার দিক দিয়ে বঙ্গবন্ধু ছিলেন অসীম সাহসিকতার অধিকারী। আমি তখন বঙ্গবন্ধুর বাসায় ছিলাম। যখন হল বন্ধ থাকতো আমি বেশিরভাগ সময়ই বঙ্গবন্ধুর বাসাতেই থাকতাম। একবার আওয়ামী লীগের অফিস ঘেরাও করলো মুসলিম লীগের লোকজন। তখন মুসলিম লীগ ক্ষমতায় ছিল। বঙ্গবন্ধুকে জানানো হলো সন্ধ্যা রাতের দিকে। তখন বঙ্গবন্ধু ওনার ড্রাইভারকে বললেন গাড়ি বের করার জন্য। ড্রাইভারের নামটি আমার ঠিক মনে আসছে না। মনির এমন একটা হবে হয়তো। তখন আমি আর বঙ্গমাতা উপর থেকে নিচে নেমে এলাম। বঙ্গবন্ধু গাড়ির সামনের সিটে গিয়ে বসলেন। ওনি সব সময় গাড়ির সামনের সিটে বসতেন। আমাকে দেখে বললেন, তুই যাবি কিনা। আমি কিছুটা ভয় পেয়ে গেলাম। তখন আমি ভাবছি গেলে হয়তো আমাকেও মেরে ফেলতে পারে। তখন বঙ্গমাতা আমাকে বললেন ভাই তুই একটু যা এখানে কেউ নেই। তখন আমি পিছনের সিটে গিয়ে বসলাম। আমরা যখন অফিসের কাছাকাছি পৌঁছেছি তখন তারা যে যার মতো করে সরে গেলো। তখন আমরা অফিসে গিয়ে শুনি বঙ্গবন্ধুর আসার খবর পেয়ে সবাই সরে পড়েছে। এখানে বঙ্গবন্ধু যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তিনি কাউকে কোন ফোন পর্যন্ত করেনি। এমনকি গাজী গোলাম মোস্তফাকেও না।

বঙ্গবন্ধু নাস্তা করতেন দ্বিতীয় তালার দেয়াল ঘেষা একটি টেবিলে বসে। তখন এখনকার বাসার দ্বিতীয় তলার কাজ অনেকটাই অসম্পূর্ণ ছিল এবং ডাইনিং টেবিল তৈরি হয়নি। তখন একটি মহিলা তার দু’ বাচ্চাকে সাথে নিয়ে এসে ওনার পা জড়িয়ে কান্নাকাটি শুরু করেছেন। তোফায়েল ভাই ও অন্য কেউ পাশে ছিলেন। তখন মহিলাকে উঠিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন কি হয়েছে, মহিলাটি বললেন আমার দু’টি সন্তান ও আমি এখন না খেয়ে জীবনধারণ করতেছি। তাদের বাবা নাকি রাজাকার ছিল। তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এখন আমার স্বামী যদি জেলে থাকে তাহলে আমার সন্তান দু’টো আর আমি না খেয়ে মারা যাব, আমি কিভাবে ওদের বাঁচাব। যেকোন একটি ব্যবস্থা করেন। তখন বঙ্গবন্ধু স্বাভাবিকভাবে যে গালি দিতেন তা দিয়েই তোফায়েল ভাইকে নির্দেশ করে বলেন, বাচ্চারা কি অন্যায় করছে ওরা কী না খেয়ে মরে যাবে, দেখ কী পারস, কর। যেকোন ভাবেই একটা ব্যবস্থা করে দে। ওনি সব মানুষের প্রতি খুবই আন্তরিক ছিলেন। তখন রাজাকারদের অনেককে জেলে নিয়ে গিয়েছিল তাদেরকেও বাসা থেকে তিনি খাবার পাঠাতেন।

বঙ্গবন্ধুর জাতীয় নেতায় পরিণত হবে এমন ঘটনা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, আমি যেটুকু শুনেছি, বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জ মিশনারি স্কুলে পড়ার সময় তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং শ্রমমন্ত্রী হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী স্কুলটি পরিদর্শনে আসেন। সে সময় বঙ্গবন্ধু বলেন, আমাদের স্কুলের ছাদ ভাঙা। এটা দিয়ে বৃষ্টি আসলে পানি পরে। এটা ঠিক করে দিতে হবে এছাড়া স্কুলের বিভিন্ন সমস্যা কথা তুলে ধরেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী আবুল কাসেম ফজলুল হক ও হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এ কথা শুনে বুঝে ছিলেন এ ছেলে একদিন দেশের জাতীয় নেতায় পরিণত হবে। এছাড়া পরবর্তী সময়ে বঙ্গবন্ধুর অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতা, কর্তব্যনিষ্ঠা ও দেশপ্রেমে তারা মুগ্ধ হয়েছিলেন।

ইন্স্যুরেন্সে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু একজন বীমা ব্যক্তিত্ব। আমি সবসময় বলি, আমরা অবহেলিত হতে পারি, কিন্তু আমরা গর্বিত। বঙ্গবন্ধু-জাতির পিতা আমাদের ইন্স্যুরেন্স সেক্টরের লোকÑএ নিয়ে আমরা সবসময় গর্ববোধ করি। বঙ্গবন্ধু শুধু ইন্স্যুরেন্স ব্যক্তিত্বই নন, তিনি ইন্স্যুরেন্সে চাকরি করতেন। তৎকালীন সময়ে বঙ্গবন্ধু আলফা ইন্স্যুরেন্সে চাকরি করেছেন। আমিও সেই অফিসে গিয়েছি। বঙ্গবন্ধু জিন্নাহ অ্যাভিনিউয়ের (বর্তমান বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ) তৃতীয় তলায় বসতেন। তার সাথে গাজী গোলাম মোস্তফাসহ আরো কয়েকজন সেখানে বসতেন। তিনি যে চাকরি করার জন্য ইন্স্যুরেন্স সেক্টরে যুক্ত হয়েছিলেন তা কিন্তু নয়, উনার উদ্দেশ্য ছিল রাজনীতি। এ ইন্স্যুরেন্সে বসেই কিন্তু তিনি সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তানের জনগণের কাছে পৌঁছে যেতেন। উনার এ রাজনীতি বাংলার স্বাধীনতা দেয়ার জন্য। উনি যে রাজনীতি করতেন আওয়ামী লীগের মাধ্যমে তা কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় মানুষের কাছে পৌঁছে যেতো। তখনকার দিনে রাজনীতি করা খুবই কঠিন ছিল এবং বঙ্গবন্ধু তার জীবনের অর্ধেকের বেশি সময় জেল-জুলুমের শিকার হয়েছেন। তার সে ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির মালিকও ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানি। তাদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য তিনি সেখানে বসেই ইন্স্যুরেন্স সেক্টরের আড়ালে রাজনীতি করতেন। রাজনৈতিক বিভিন্ন বার্তা দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে পৌঁছে দিতে বঙ্গবন্ধু বীমাকে পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন। এটা স্পষ্ট যে,আলফা ইন্স্যুরেন্সে বঙ্গবন্ধু চাকরি গ্রহণ করাটা ছিল দেশের মানুষের পক্ষে রাজনীতি করার জন্য। আর এর মাধ্যমেই তিনি সাধারণ মানুষের সাথে মিশতেন ও পূর্ব-পাকিস্তানের সকল বাঙালির কাছে তার বার্তা পৌঁছে দিতেন। এটিই ছিল তার মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে ইন্স্যুরেন্সের বড় ভূমিকা ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, জাতির পিতা যে প্ল্যাটফর্মে থেকে দেশ স্বাধীন করা ও বাঙালিদের কাছে টেনে নেয়ার যে সুযোগ হয়েছিল তা ছিল এই ইন্স্যুরেন্স সেক্টর। সেজন্য বলা যায়, দেশকে স্বাধীন করার জন্য ইন্স্যুরেন্স সেক্টরের বড় ভূমিকা বা অবদান রয়েছে। বঙ্গবন্ধু আলফা ইন্স্যুরেন্সে কোন দায়িত্বে ছিলেন-এমনটা জানতে চাইলে শেখ কবির হোসেন বলেন, তিনি ডেভেলপমেন্ট (উন্নয়ন তথা ব্যবসা সংগ্রহ) সেক্টরে ছিলেন। তিনি যে রুমে বসতেন, সেখানে তার পদবি ‘উপদেষ্টা’ লেখা ছিল।

বঙ্গবন্ধু ১৯৬০ সালের ১লা মার্চ ইন্স্যুরেন্সে যোগদান করেন। স্বাধীনতার এতো বছর পর কিভাবে এটি আপনারা জানতে পারলেন-এমন প্রশ্নে বলেন জাতির পিতা যে ইন্স্যুরেন্সে ছিলেন সেটা আমার জানা ছিল। কিন্তু অনেকদিন থেকেই জানার চেষ্টা করেছিলাম যে, কবে তিনি ইন্স্যুরেন্সে যুক্ত হয়েছিলেন। বর্তমানে বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টের যিনি কিউরেটর এনআই খান (নজরুল ইসলাম খান) এ তথ্য উদ্ধারে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি এসবি রিপোর্ট, ডিবি রিপোর্ট সংগ্রহ করে সেখান থেকে এটি বের করেন। এটি বের করা খুবই কঠিন কাজ ছিল। এরপর আমরা দিনটিকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে ঘোষণার জন্য একটি রেজুলেশন নিলাম এবং ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড মিটিংয়ে সেটা পাস করলাম। ওই রেজুলেশন আমি বঙ্গবন্ধু ট্রাস্টে স্থানান্তরিত করলাম। আপনারা জানেন, ওই ট্রাস্টের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ট্রাস্টের মিটিংয়ের এক পর্যায়ে আমি একটি এজেন্ডায় বললাম যে, আমরা জাতীয় বীমা দিবস করার একটি কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। সভাপতি মহোদয়কে একটি পত্র দিলাম। তাকে বললাম, আমরা এটি করতে চাই। এ জন্য আপনার অনুমতি প্রয়োজন। আপনারা জানেন যে, ট্রাস্টের অধীনে কিছু করতে গেলে সেখানে ট্রাস্টের অনুমোদন লাগে। তখন তিনি ট্রাস্টের সকলকে জিজ্ঞাসা করে বললেন, এটি একটি মহতী উদ্যোগ, আমরা কি এটি অনুমোদন দিতে পারি। তখন সকলে সম্মতি জানালে ট্রাস্টের সভাপতি, তথা প্রধানমন্ত্রী তার অনুমোদন দিলেন।

এরপর এই অনুমোদন নিয়ে আমরা অ্যাসোসিয়েশনে মিটিং করে তা পাঠিয়ে দিলাম আইডিআরএ ও মন্ত্রণালয়ের কাছে। তারপর আনুষ্ঠানিকতা পালন শেষে মন্ত্রিপরিষদ থেকে দিনটিকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে পালনের জন্য গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়। যেহেতু বঙ্গবন্ধু ১মার্চ বীমা কোম্পানিতে যোগদান করেছেন, সেই হিসেবে ১মার্চকে ‘জাতীয় বীমা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

 

Facebook Comments Box
(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

Posted ১:১৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ ২০২২

bankbimaarthonity.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ ক্যালেন্ডার

প্রধান সম্পাদক: মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
নিউজরুম:

মোবাইল: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১

ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫, ই-মেইল: bankbima1@gmail.com

সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।