• সঞ্চয় স্কিমগুলো প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই

    বিবিএনিউজ.নেট | ০৬ মার্চ ২০২০ | ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ

    সঞ্চয় স্কিমগুলো প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই
    apps

    অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, ‘সঞ্চয় স্কিমগুলো ছিল এ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য। আমরা দেখলাম, যাদের জন্য স্কিমগুলো আরম্ভ করা হলো, তারা সেগুলোর সঙ্গে তেমনভাবে সম্পৃক্ত নন। আমরা নিয়মের মধ্যে থেকেই, সঞ্চয় স্কিমগুলো প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’

    বৃহস্পতিবার রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন-২০২০ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন। দৈনিক বণিক বার্তা ও সিটি ব্যাংক এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    মুস্তফা কামাল বলেন, ‘একটা সময় ক্ষুধা আর দারিদ্র্য ছিল আমাদের নিত্যদিনের চলার পথের সঙ্গী। সব দিক থেকেই দেশের মানুষের ওপর ছিল বঞ্চনা। এ জাতিকে বঞ্চনার গ্লানি, ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত করার জন্য জাতির পিতার আগমন ঘটে। আমরা সৌভাগ্যবান। তিনি শুধু স্বাধীনতাই এনে দেননি, একটি যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তোলার জন্য যা যা দরকার ছিল, তার সবই শুরু করে দিয়ে যান। জাতির পিতার রেখে যাওয়া কাজ, তারই দেখানো পথ আমাদের এগিয়ে নিতে হবে।’

    অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘সঞ্চয় স্কিমগুলো ছিল এ দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য। আমরা দেখলাম, যাদের জন্য স্কিমগুলো আরম্ভ করা হলো, তারা সেগুলোর সঙ্গে তেমনভাবে সম্পৃক্ত নন। অন্যদিকে, একটা শ্রেণি কোটি কোটি টাকার সঞ্চয় স্কিম কেনা শুরু করল। আমরা তো এসব চাইনি। আমরা নিয়মের মধ্যে থেকেই সঞ্চয় স্কিমগুলো প্রান্তিক মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে চাই। এ জন্য আমরা পুরো ব্যবস্থাপনাটি অটোমেশনের উদ্যোগ নিয়েছি।’


    পুঁজিবাজার সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমার কাজ হচ্ছে- এ দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করা, শক্তিশালী করা। আমি যদি আমার কাজটা ঠিকমতো করতে পারি, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই এর একটা ইতিবাচক প্রভাব পুঁজিবাজারে এসে পড়বে। আমি সে লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছি।’

    কর্মসংস্থান না হলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়- উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। কাজ শুরু হয়ে গেছে। এ জন্য বিভিন্ন খাতে যত ধরনের প্রণোদনা দেয়া দরকার, আমরা দিয়ে যাচ্ছি।’

    ব্যাংকিং খাত নিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে নন-পারফর্মিং লোন বেশি। এটার একটা বড় কারণ মাত্রাতিরিক্ত সুদ। এ জন্য আমরা সুদ হারকে একটা কাঠামোয় আনতে কাজ করছি।’

    বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, ‘স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশ আর আজকের বাংলাদেশের মধ্যে অনেক পার্থক্য। অর্থনীতির সব খাতেই আমরা অনেক দূর এগিয়েছি। এ অগ্রগতিটা সবচেয়ে বেশি হয়েছে ২০০৯ সালের পর। এর পরের ১০ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি যতদূর এগিয়েছে, তা আগে কখনই হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এ অগ্রযাত্রা আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিতে নানা উদ্যোগ নিয়েছি। আমরা কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছি। আমরা বিনিয়োগ বাড়াতে কাজ করছি। ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারণা কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং খাতেও আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।’

    আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন- সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর সালেহউদ্দিন আহমেদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১০:৪৫ পূর্বাহ্ণ | শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২০

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    রডের দাম বাড়ছে

    ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    ১০১১১২১৩১৪
    ১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
    ২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
    ২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি