নিজস্ব প্রতিবেদক | রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 219 বার পঠিত

দেশের বীমা কোম্পানিগুলোর নিবন্ধন নবায়ন ফি সর্বোচ্চ পাঁচ গুণ পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। গত ৪ ফেব্রুয়ারি ‘বীমা ব্যবসার নিবন্ধন নবায়ন ফি বিধিমালা-২০১২’ সংশোধন করে এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়। সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ী ২০২৬, ২০২৭ ও ২০২৮ সালে প্রতি হাজার টাকা গ্রস প্রিমিয়ামে নবায়ন ফি হবে ২ টাকা ৫০ পয়সা।
২০২৯, ২০৩০ ও ২০৩১ সালে ফি বেড়ে দাঁড়াবে প্রতি হাজার প্রিমিয়ামে ৪ টাকা। ২০৩২ সাল থেকে প্রতি হাজারে ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ টাকা। এর আগে নিবন্ধন নবায়ন ফি ছিল প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামে ১ টাকা।
বীমা আইন, ২০১০ অনুযায়ী—নিবন্ধন ছাড়া কোনো বীমা কোম্পানির ব্যবসা পরিচালনা আইনত অপরাধ। প্রতি বছর নিবন্ধন নবায়নের আবেদন করতে হয় আগের বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে এবং ফি দিতে হয় সর্বশেষ হিসাব বছরের মোট সংগৃহীত প্রিমিয়ামের ওপর ভিত্তি করে।
ধাপে ধাপে ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে প্রশ্ন বিশ্লেষকদের বিধিমালা সংশোধন করে বছরভিত্তিক স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে ‘নজিরবিহীন’ বলে মন্তব্য করেছেন খাতসংক্রান্ত বিশ্লেষকরা। তাদের মতে—
সরকারি ফি সাধারণত একবারেই নির্ধারণ করা হয়। ভবিষ্যৎ হিসাব ধরে ৬ বছরের ধাপে ধাপে স্বয়ংক্রিয় বৃদ্ধি বিরল নজির।
২০৩০ সালের আগে বা পরে খাতের আর্থিক অবস্থার পুনর্মূল্যায়ন না করেই দীর্ঘমেয়াদি ফি বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কতটা যৌক্তিকতা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
এক লাফে বড় অঙ্কের ফি বৃদ্ধিতে খাতের প্রবৃদ্ধি বাধাগ্রস্ত হতে পারে এবং শেষ পর্যন্ত গ্রাহকের ওপর আর্থিক চাপ বাড়বে।
ফি বাড়ানোর পক্ষে আইডিআরএর যুক্তি-নতুন ভবন নির্মাণ, শাখা কার্যালয় স্থাপন, পেনশন- গ্র্যাচুইটি, জনবল বৃদ্ধি, বিনামূলে ইউএমপি বা আইআইএমএস সেবা প্রদান এবং বিসিআইআই, বিআইআইএম ও একচ্যুয়ারিয়াল সোসাইটি অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মতো প্রকল্প বাস্তবায়নে অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন।
Posted ৯:০৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy


