বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Ad
x

ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে বিশেষ রেপো চালু করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

বুধবার, ১৩ মে ২০২০   প্রিন্ট   ৫৮৫ বার পঠিত

ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে বিশেষ রেপো চালু করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

করোনা ভাইরাসের প্রভাব মোকাবিলায় ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়নে এবার ১ বছর বা ৩৬০ দিন মেয়াদি বিশেষ রেপো (পুনঃক্রয় চুক্তি) চালু করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ব্যবস্থায় বিধিবদ্ধ জমা হারের (এসএলআর) অতিরিক্ত ট্রেজারি বিল ও বন্ড বাংলাদেশ ব্যাংকে জামানত রেখে তহবিল নিতে পারবে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। বিদ্যমান রেপোর সুদহারকে ভিত্তি ধরে বিশেষ রেপোর সুদের হার ও পরিমাণ নির্ধারিত হবে। বর্তমানে রেপোর সুদহার ৫ দশমিক ২৫ শতাংশ।

যে সুদহারে বাংলাদেশ ব্যাংক তফসিলি ব্যাংকগুলোকে ঋণ দেয়, তা-ই রেপো রেট বা নীতি সুদহার। বাজারে নগদ তারল্যের জোগান দিতেই মুদ্রানীতির এ গুরুত্বপূর্ণ টুলসটি ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেপো রেটের সঙ্গে সামান্য কিছু মার্জিন যোগ করে বিশেষ রেপোর সুদের হারও নির্ধারিত হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওভারনাইট বা একদিন, ৭ দিন, ১৪ দিন ও ২৮ দিন মেয়াদি রেপো রয়েছে। বিদ্যমান এসব রেপোর ক্ষেত্রে ট্রেজারি বিল ও বন্ড কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে বিক্রি করে টাকা ধার নিতে পারে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান। কিন্তু বিশেষ এ রেপোর আওতায় ট্রেজারি বিল ও বন্ড বন্ধক রেখেই তহবিল নিতে পারবে। এরপর এই তহবিল প্রনোদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ ব্যবসায়ীদের চলতি মূলধন হিসেবে বিতরণ করা যাবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, নভেল করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ায় দেশের অর্থনীতির উপর এর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক কতৃক সম্প্রতি বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। এসব প্রণোদনা প্যাকেসমূহ বাস্তবায়নে মুদ্রাবাজারে তারল্য বাবস্থাপনা সুষ্ঠুতর করার লক্ষে ৬০ দিন মেয়াদি বিশেষ রেপো (পুনঃক্রয় চুক্তি) প্রচলন করা হলো।

এতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান রেপো হারকে ভিত্তি ধরে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত মুদ্রনীতি ও মুদ্রা বাজারের তারল্য পরিস্থিতি বিবেচনায় এ বিশেষ রেপো (পুনঃক্রয় চুক্তি) সুদের হার ও পরিমাণ অকশন কমিট কর্তৃক প্রতি অকশনে নির্ধারিত হবে এবং তাদের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

অংশগ্রণকারী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠনের ধারণকৃত এসএলআর এর অতিরিক্ত সরকারি সিকিউরিটিজ সাপেক্ষে জামানতযুক্ত রেপো লেনদেন হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

ট্রেজারি বিল ও বন্ডের অভিহিত মূল্যের উপর যথাক্রমে ১৫ শতাংশ এবং ৫ শতাংশ মার্জিন প্রয়োগ করে অভিহিত মূল্যের অবশিষ্ট অর্থ রেপো হিসেবে প্রদান করা হবে। এ রেপো বিপরীতে বন্ধকীকৃত সম্পূর্ণ সিকিউরিটিজ দায়মুক্ত হিসেবে বিবেচিত হবে এবং এই সিকিউরিটিজ অন্য কোন ক্ষেত্রের জন্য জামানত বা সহজে বিনিময়যোগ্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হবে না। এর মাধ্যমে গৃহীত অর্থ সম্প্রতি ঘোষিত বিভিন্ন আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ বাস্তবায়ন করতে হবে। এ রেপোর মাধ্যমে গৃহীত অর্থ বংলাদেশ ব্যাংকের ডেট ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্টের পূর্বানুমোদন ব্যক্তিরেখে সরকারি সিকিউরিটজ ও বাংলাদেশ ব্যাংক বিলে বিনিয়োগ করা যাবে না।

Facebook Comments Box

Posted ০৮:৪৪ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৩ মে ২০২০

bankbimaarthonity.com |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

আর্কাইভ ক্য

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com