নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫ প্রিন্ট ১৯৫ বার পঠিত
২০২৪ সালে শ্রমিক অসন্তোষ, তীব্র খরা আর অতিবৃষ্টির কারণে চা শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। উৎপাদন কমেছে ১০ ভাগ। এবছরও অনিশ্চয়তা নিয়েই শুরু হয়েছে চা উৎপাদন। দেশে অবৈধভাবে চায়ের প্রবেশ ঠেকাতে পারলে এবং চায়ের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে পারলে এ শিল্প ঘুরে দাঁড়াবে বলছেন সংশ্লিষ্টরা।
দেশে ১৬৮টি চা বাগানের মধ্যে মৌলভীবাজারেই ৯২টির অবস্থান। ২০২৩ সালে চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০ কোটি ২৯ লাখ কেজির বেশি চা উৎপাদন হলেও ২০২৪ সালে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে কমেছে চা উৎপাদন। এছাড়া, শ্রমিক অসন্তোষও উৎপাদন কম হওয়ার অন্যতম কারণ।
শ্রীমঙ্গল ক্লোনেল টি গার্ডেন ম্যানেজার রনি ভৌমিক বলেন, ‘বিভিন্ন কারণে অনেকগুলো বাগান বন্ধ হয়ে গেছে। এ কারণে উৎপাদন কিছুটা কম হচ্ছে।’
এ বছরও ১০ কোটি ৩ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রায় শুরু হয়েছে চা উৎপাদন। উৎপাদনকারীদের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, উৎপাদন খরচের বিপরীতে বাড়েনি চায়ের দাম ও বিক্রি। এক্ষেত্রে, চায়ের গুণগত মান বৃদ্ধির পরামর্শ দিলেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের একজন বলেন, ‘চা বোর্ডের একটা নির্ধারিত রেট আছে যেটা হলো ১৬০ টাকা। তবে ১৬০ টাকায় কেনার মতো না, এমন চাও সেখানে আছে। কিছু আছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকার। কিন্তু সেই দামে কেউ কিনতে পারছে না।’
শ্রীমঙ্গল টি ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি এস এম এন মুনির বলেন, ‘চা পাতার মান ভালো না হলে চা ভালো হবে না। চায়ের মান ভালো না হলে তারা চা নেবে না।’
বাংলাদেশ চা বোর্ড চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন বলেন, ‘এটা সত্য যে সবকিছু মিলিয়েই আমাদের চা রপ্তানি কিছুটা কমে গিয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ এ সেটা বেড়েছে। তবে আমরা সেটা নিয়ে খুব বেশি খুশি হচ্ছি না। এই রপ্তানির পরিমাণ আরো বাড়ানোর সুযোগ আমাদের রয়েছে। আমরা সেই সুযোগগুলো নিতে কাজ করছি।’
Posted ০২:১১ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com