নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬ প্রিন্ট ২৩৮ বার পঠিত
পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে কৌশল প্রণয়ন চলছে এবং চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যৌথ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় সিইএবি’র সহযোগিতায় নতুন বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি দেশের মতো বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেরও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং অংশগ্রহণকারীদের এ বিষয়ে ধারণা দেওয়াই এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার।
শনিবার (১১ এপ্রিল) ডিএসই এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানান হয়েছে, বাংলাদেশে কার্যরত চীনা কোম্পানিগুলোর অন্যতম শীর্ষ সংগঠন চাইনিজ এন্টারপ্রাইজেস অ্যাসোসিয়েশন ইন বাংলাদেশ (সিইএবি)-এর ১৯ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের অংশগ্রহণে বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)-এর ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিনিধিদলটির নেতৃত্ব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মা বেন।
বৈঠকের শুরুতে ডিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুজহাত আনোয়ার প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়ন ও কার্যকর রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।সংবাদ পরিবেশন
তিনি জানান, পুঁজিবাজারের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নির্ধারণে কৌশল প্রণয়ন চলছে এবং চীনা কোম্পানিগুলোর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পৃক্ততার মাধ্যমে যৌথ লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় সিইএবি’র সহযোগিতায় নতুন বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করার জন্য বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আরও বিনিয়োগবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি দেশের মতো বাংলাদেশের পুঁজিবাজারেরও নিজস্ব বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং অংশগ্রহণকারীদের এ বিষয়ে ধারণা দেওয়াই আজকের বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য।
তিনি আশা প্রকাশ করেন, নিয়মিত বৈঠকের মাধ্যমে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার হবে এবং আগামী পাঁচ বছরের পরিকল্পনা প্রণয়নে চীন একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হিসেবে ভূমিকা রাখবে। এছাড়া ডিএসই আগ্রহী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে পৃথকভাবে আলোচনা করে তাদের বিনিয়োগ ও তালিকাভুক্তি প্রক্রিয়ায় সহায়তা প্রদান করবে।
সভাটিকে উভয় পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচনা হিসেবে উল্লেখ করে সিইএবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মা বেন বলেন, এর মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং ভবিষ্যতে চীনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা আরও গভীর হবে।
তিনি আরও জানান, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সিইএবি’র পরিধি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ২৫০-এর বেশি, যারা বাণিজ্য, অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, জ্বালানি, লজিস্টিকসসহ বিভিন্ন খাতে সক্রিয়। বাংলাদেশে কার্যরত প্রায় সব বড় চীনা কোম্পানিই এই সংগঠনের সদস্য।
তিনি বিদ্যুৎ উৎপাদন, টানেল, সেতু, এক্সপ্রেসওয়ে, পয়ঃশোধনাগার এবং যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে চীনা কোম্পানিগুলোর গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথাও তুলে ধরেন।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৬ সালে সিইএবি বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদারে কাজ করে যাবে এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পরে ডিএসই’র সহকারী জেনারেল ম্যানেজার কামরুন নাহার সংস্থাটির বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য উপস্থাপন করেন।
বৈঠকে সিইএবি’র অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
ডিএসই’র পক্ষে উপস্থিত ছিলেন প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসাদুর রহমান, প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা ড. মোঃ আসিফুর রহমান, প্রধান অর্থ কর্মকর্তা মোঃ আদিব হোসেন খানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
বৈঠক শেষে প্রতিনিধিদল ডিএসই টাওয়ারের মাল্টিপারপাস হল ও ট্রেনিং একাডেমি পরিদর্শন করেন।
Posted ০২:৪৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com