নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬ প্রিন্ট ৭২ বার পঠিত
আগামীকাল রোববার থেকে জরুরি হাম-রুবেলার টিকা দান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়স শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে।
আজ শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এ কথা জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীকাল রোববার সকাল ৯টা থেকে দেশের ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় একযোগে এ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে, এই কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির ৩০ উপজেলাগুলো হলো— রাজশাহীর গোদাগাড়ী, ঢাকার নবাবগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ঝালকাঠির নলছিটি, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, নওগাঁর পোরশা, গাজীপুর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, শরীয়তপুরের জাজিরা, বরগুনা সদর, মাদারীপুর সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, শিবগঞ্জ, ভোলাহাট, নাটোর সদর ও যশোর সদর।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, প্রথম ধাপে এসব জেলার ৩০টি উপজেলায় টিকা প্রদান করা হবে। কর্মসূচির উদ্বোধনী দিনে পাঁচটি স্থানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত থাকবেন এবং বাকি উপজেলাগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন ও সিভিল সার্জনরা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যে সব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদেরকে এই সময়ে টিকা না দিয়ে, সুস্থ হওয়ার পর টিকা প্রদানের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আগে টিকা নেওয়া থাকুক বা না থাকুক, এই বয়স সীমার সব শিশুকেই পুনরায় টিকা দেওয়া হবে জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশই ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু। এ কারণে প্রথম পর্যায়ে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে টিকার আওতায় আনা হচ্ছে।
টিকাদান কর্মসূচির পাশাপাশি আক্রান্ত বা জ্বরগ্রস্থ শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সুস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র টিকাই দেওয়া হবে, অতিরিক্ত কোনো ওষুধ দেওয়া হবে না। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নির্ধারিত কেন্দ্রগুলোতে টিকা দেওয়া হবে। আগের টিকাদান কেন্দ্রগুলো ছাড়াও স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত স্থান, স্কুল ও কমিউনিটি সেন্টারে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। প্রাথমিকভাবে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে কার্যক্রম শুরু হলেও, ধীরে ধীরে সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে।
জুলাই মাসের মধ্যে এটি নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে চালু থাকবে।
২০২৫ সালে টিকা দানের হার কমে যাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, অতীতের বিষয় নিয়ে তদন্তে সময় নষ্ট না করে, বর্তমানে শিশুদের সুরক্ষাই সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন— স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এস.এম জিয়াউদ্দিন, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।
Posted ০৭:৫০ অপরাহ্ণ | শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: ই-মেইল: bankbima1@gmail.com