বিবিএনিউজ.নেট
বুধবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২১ প্রিন্ট ৫৫৩ বার পঠিত
দেশের চলমান বাজেটে নজিরবিহীনভাবে কালোটাকা সাদা করার ঢালাও সুযোগ থাকলেও এর মধ্য দিয়ে কতটা উপকৃত হয়েছে পুঁজিবাজার? এনবিআরের তথ্যমতে, গত ছয় মাসে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে কালোটাকা সাদা করার সুযোগ নিয়েছেন মাত্র ২০৫ জন। তারা কর দিয়েছেন প্রায় ২৩ কোটি টাকা। ২৩০ কোটি টাকা সাদা হয়েছে। এটি খুবই সামান্য। চলতি বাজেটে শেয়ার কিনে বিক্রি না করে এক বছর রেখে দেওয়ার শর্তে পুঁজিবাজারে কালোটাকা বিনিয়োগের সুযোগ দেওয়া হয়। মাত্র ১০ শতাংশ কর দিয়ে কোনো কালোটাকার মালিক এ সুবিধা নিলে তাকে আয়কর কর্তৃপক্ষসহ সরকারের কোনো কর্তৃপক্ষই প্রশ্ন করবে না। সহজ কথায় কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে বিনা প্রশ্নে।
২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে এ সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন কালোটাকার মালিকরা। গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৭ হাজার ৬৫০ জন কালোটাকা সাদা করেছেন, যা গত এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ। এসব ব্যক্তির সবাই যে বার্ষিক আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন জমা দিয়েছেন, তাতে কালোটাকা সাদা করার ঘোষণা দিয়েছেন। সব মিলিয়ে ১০ হাজার ২২০ কোটি টাকা সাদা হয়েছে।
সূত্রে জানা যায়, এ বছর দুটি উপায়ে কালোটাকা সাদা হয়েছে। প্রথমত. ফ্ল্যাট ও জমি কিনে বা ব্যাংকে গচ্ছিত টাকা বা নগদ টাকার ওপর নির্দিষ্ট হারে কর দিয়ে কালোটাকা সাদা করা হয়েছে। দ্বিতীয়ত. পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করে সাদা করেন অনেকে। এ জন্য নিয়ম করা হয়েছে, কালোটাকা সাদা করলে অর্থের উৎস জানতে চাইবে না এনবিআর। এমনকি অন্য কোনো কর্তৃপক্ষও এ সম্পর্কে কোনো প্রশ্ন করতে পারবে না। কালোটাকা সাদা করার সুযোগ থাকবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত।
দেশে প্রায় সব সরকারই কালোটাকা সাদা করার সুযোগ দিয়েছে। ১৯৭৫ সালে প্রথমবারের মতো এ সুযোগ দেওয়া হয়। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত ১৭ বার এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কোনোবারই তেমন সাড়া মেলেনি। বিশেষ করে পুঁজিবাজারের ক্ষেত্রে সরকারের এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হলো সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।
Posted ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ | বুধবার, ০৬ জানুয়ারি ২০২১
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com