বিবিএনিউজ.নেট
সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ প্রিন্ট ৬৯৯ বার পঠিত
কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হারে বেড়েই চলেছে। কঠোরভাবে করোনা প্রতিরোধ ও বিভিন্ন কর্মসূচিতে নাগরিকদের ভ্যাকসিন দেয়াও শুরু করেছে। এরপরও মৃতের দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত এ সংখ্যা বিশ হাজার সাতশ ছাড়িয়ে গেছে।
অন্যদিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে কানাডা সরকারের নাজেহাল অবস্থা। কানাডায় বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলক কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে এবং ফলাফল না পাওয়া পর্যন্ত সরকার থেকে নির্দিষ্ট করে দেয়া হোটেলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।
কোয়ারেন্টিনে থাকতে জনপ্রতি ২ হাজার ডলারের বেশি ব্যয় হবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এই ব্যয় যাত্রীদের নিজেদের বহন করতে হবে বলে ফেডারেল পরিবহনমন্ত্রী ওমর আলঘাবরা জানিয়েছেন। কানাডা সরকারের কঠোরভাবে করোনা প্রতিরোধে বিভিন্ন পদক্ষেপের অংশ হিসেবেই ওই কোয়ারেন্টিন কার্যক্রম।
অন্যদিকে কানাডায় এখন ভ্যাকসিনের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে। তার প্রধান কারণ ফাইজার কোম্পানি কানাডায় প্রয়োজনের চাইতে অর্ধেক ভ্যাকসিন সরবরাহ করছে। যদিও কানাডা সকল দেশের আগে ফাইজার থেকে ভ্যাকসিন সুরক্ষিত করছিল। এখন ফাইজার সেই পরিমাণ ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে না পারায় কানাডার বিভিন্ন প্রদেশে এখন ভ্যাকসিনের স্বল্পতা দেখা দিয়েছে।
এরই মধ্য কানাডায় উৎপাদিত নতুন করোনাভাইরাস ভ্যাকসিন প্রথমবারের মতো ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু করেছে। সংস্থার প্রধান নির্বাহী ব্র্যাড সোরেসন বলেছেন, কানাডায় ডিজাইন করা ও তৈরি করা টিকা প্রথমবারের মতো টরন্টোর এক ক্লিনিকে ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবককে তিনটি করে শট দেয়া হয়েছে।
ভ্যাকসিনটি উৎপাদনকারী সংস্থা ক্যালগেরির প্রদেশে থেরাপিউটিক্স বলছে, যদি সবকিছু ঠিকঠাক মতো হয়, তবে ২০২১ এর শেষের দিকে কানাডায় প্রথম সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের কয়েক মিলিয়ন ডোজ উৎপাদন শুরু হতে পারে। গত এপ্রিল মাসে ক্যালগেরির এই ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী সংস্থাটি কানাডা সরকারের কাছে অনুদানের জন্য আবেদন করে।
ব্র্যাড সোরেসন বলেন, আমরা তখন যদি সাহায্য এবং সহযোগিতা পেতাম তাহলে আমরা আগামী কয়েক মাসের মাঝেই কানাডিয়ান জনগণকে ভ্যাকসিন সরবরাহ করতে সক্ষম হতাম।
উল্লেখ্য, করোনার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কানাডা সরকার দেশটির নাগরিকদের সুস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, কানাডায় করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ২শত ৬০ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ২০ হাজার ৭ শত ৬৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৩৮ হাজার ৭শত ৬৬ জন।
Posted ০৩:০৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com