বিবিএনিউজ.নেট
বুধবার, ১৩ মার্চ ২০১৯ প্রিন্ট ৬২৭ বার পঠিত
ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের (ড্যাশ-৮ কিউ ৪০০ মডেল) উড়োজাহাজটি গত বছরের ১২ মার্চ নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিধ্বস্তের ঘটনায় ৫১ জন নিহত হয়। বিমানটিতে চারজন ক্রু, ৬৭ জন যাত্রীসহ মোট ৭১ জন আরোহী ছিল। দুর্ঘটনায় নিহত যাত্রীর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ক্ষতিপূরণের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৫১ হাজার ২৫০ ইউএস ডলারের সমপরিমাণ অর্থ। এর মধ্যে উড়োজাহাজের বীমার প্রায় ৫৭ কোটি টাকা দাবির বিপরীতে ৪৮ কোটি টাকা পেয়েছে ইউএস-বাংলা।
সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স সূত্রে জানা গেছে, আহতদের ক্ষেত্রে ক্ষতির পরিমাণ, চিকিৎসা ব্যয় সব কিছু বিবেচনা করে ক্ষতিপূরণ নির্ধারিত হয়েছে। নিহত ১৯ জন বাংলাদেশির পরিবারকে এরই মধ্যে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। নিহত আটজনের পরিবার এখনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। আহত ৯ জন বাংলাদেশির মধ্যে ছয়জনকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে, তিনজন এখনো পায়নি। এখন পর্যন্ত চিকিৎসা খরচ ছাড়াই বাংলাদেশি ২৫ জন আহত-নিহতের পরিবারকে ১১ কোটি ২১ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৬ টাকা দিয়েছে সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স।
বিধ্বস্ত হওয়া ইউএস-বাংলার ওই বিমানটি বৈদেশিক নেতৃস্থানীয় পুনঃবীমাকারী লন্ডনভিত্তিক এক্সএল ক্যাটলিন ও অন্যান্য পুনঃবীমাকারীর সঙ্গে পুনঃবীমা করা ছিল। উড়োজাহাজের ইনস্যুরেন্সের লোকাল এজেন্ট সাধারণ বীমা ও সেনাকল্যাণ ইনস্যুরেন্স। সেনা কল্যাণ ইনস্যুরেন্স কম্পানি পুনর্বীমা অংশের অর্ধেক সাধারণ বীমা করপোরশেন ও বাকি অংশ পুনর্বীমা ব্রোকার কে এম দাস্তুর অ্যান্ড কোংয়ের মাধ্যমে বিদেশে পুনর্বীমা করেছে। সাধারণ বীমা করপোরেশনও কে এম দাস্তুর অ্যান্ড কোংয়ের মাধ্যমে বিদেশে পুনর্বীমা করেছে। ইনস্যুরেন্সের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সাকশেসন সার্টিফিকেট (উত্তরাধিকারীর প্রমাণপত্র) দিতে হবে।
সূত্র জানায়, দুর্ঘটনায় নেপালের ২৩ জন নাগরিক মারা গেছে, আহত হয়েছে ১০ জন। তবে নেপালের আহতরা এখনো কোনো ক্ষতিপূরণ পায়নি। নেপালের নিহতদের মধ্যে দুজনের পরিবারকে ৫১ হাজার ১২০ ডলার হারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।
সেনা কল্যাণ ইনস্যুরেন্সের প্রধান নির্বাহী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শফিক শামীম বলেন, ‘বাংলাদেশি ২৩ জন যাত্রী ও চারজন ক্রু নিহত হয়। এর মধ্যে ১৯ জনকে ৫১ হাজার ১২০ ডলার করে প্রত্যেককে সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আহত ছিল ৯ জন বাংলাদেশি, যার মধ্যে ছয়জনের সম্পূর্ণ চিকিৎসা শেষ এবং ক্ষতিপূরণও দিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি তিনজনের চিকিৎসা শেষে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেওয়া হবে।’
Posted ০৬:১৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৩ মার্চ ২০১৯
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com