|

Advertisement
×

‘চলতি বছরই চালু হবে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ’

সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২   প্রিন্ট   ৪৫২ বার পঠিত

‘চলতি বছরই চালু হবে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ’

চলতি বছরের মধ্যেই স্বর্ণের বার ও কিছু কৃষি পণ্য দিয়ে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম।

সোমবার (১১ এপ্রিল) সকালে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠায় ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জের (এমসিএক্স) সঙ্গে সিএসইর চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান বিষয়ক আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ ইব্রাহিম এ কথা বলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সিএসই’র পরিচালক মো. রেজাউল ইসলাম, ছিদ্দিকুর রহমান, মেজর এমদাদুল হক (অব.), স্বতন্ত্র পরিচালক রিয়াকত হোসেন চৌধুরী, ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম ফারুকসহ ঊধ্র্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন। সংবাদ সম্মেলনে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ নিয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে ডিসএসইর উপ-ব্যবস্থাপক ফয়সাল হুদা।

আসিফ ইব্রাহিম বলেন, যেহেতু আমরা আগামীকাল চুক্তিবদ্ধ হতে যাচ্ছি। সেহেতু আমরা ধাপে ধাপে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। সুতরাং কমোডিটি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও কনসালটেশনের ব্যাপার রয়েছে। এজন্য আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করছি।

তিনি আরও বলেন, আশা করছি এ বছরের মধ্যেই আমরা অন্তত দুই বা তিনটি অ্যাসেট দিয়ে কমোডিটি এক্সচেঞ্জের যাত্র শুরু করতে চাই। এটাই আমাদের লক্ষ্য। আগামীকালের অনুষ্ঠানের জন্য সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

কমোডিটি এক্সচেঞ্জ চালু জন্য ইতোমধ্যে সিএসইকে অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। দেশে কমোডিটি এক্সচেঞ্জ গঠনের বিষয়ে কোনো প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা না থাকায়, ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জের কাছ থেকে এ বিষয়ে জ্ঞান ও কারিগরি সহায়তা নেবে সিএসই। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) রাজধানী রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হবে।

কমোডিটি এক্সচেঞ্জ হলো এমন একটি লেনদেন ব্যবস্থা, যেখানে বিভিন্ন পণ্য কেনাবেচা করা হয়ে থাকে। কাগুজে বা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে এ কেনাবেচা নিষ্পত্তি হবে। মূল এ লেনদেনকৃত পণ্যটি কোনো গুদামে বা মাঠে থাকে। সেখান থেকে একটি নির্দিষ্ট সময় পর এটির চূড়ান্ত নিষ্পত্তি বা হস্তান্তর হয়। সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অধ্যাদেশ, ১৯৬৯ অনুযায়ী, কৃষিপণ্য, মাছ, গবাদিপশু, খনিজ ও জ্বালানি পণ্য, বনজ সম্পদসহ উৎপাদিত যেকোনো পণ্যই কমোডিটি এক্সচেঞ্জের আওতায় কেনাবেচা করা যাবে। এসব পণ্য কেনাবেচা বা লেনদেনের জন্য যে প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে, সেটাই কমোডিটি এক্সচেঞ্জ নামে পরিচিত হবে।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৩:৫৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১১ এপ্রিল ২০২২

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com