বিবিএনিউজ.নেট
রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯ প্রিন্ট ৫৪২ বার পঠিত
পোশাক ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা অনেক দেশেই হয়ে আসে। এ দেশেও বিয়ের পাত্র-পাত্রীর পোশাক ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা বেশ পুরনো। তবে যুক্তরাষ্ট্রের জেনিফার হাইম্যান ভেবেছেন ভিন্নভাবে। তিনি চেয়েছেন সব ধরনের পোশাক এবং এর সঙ্গে মিলিয়ে গয়না ভাড়া দিতে। যাঁর সামর্থ্য নেই বলে পছন্দের পোশাক পরতে পারেন না তাঁরা অনায়াসে ভাড়া নিয়ে পরতে পারেন। আবার অনুষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী নতুন নতুন পোশাক কেনার সময়ও হয়ে ওঠে না অনেকের, তাঁরাও অনলাইনে দেখে পোশাক পছন্দ করে অর্ডার করতে পারেন।
বিশেষত ফ্যাশন সচেতন তরুণী যাঁদের প্রচুর পোশাক এবং গয়না কেনার সামর্থ্য নেই তাঁদের চাহিদা ও পছন্দ বিবেচনা করে বিভিন্ন ফ্যাশন পণ্য ও সামগ্রী স্বল্পমূল্যে ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনা করেন জেনিফার। ২০০৮ সালে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুলে পড়ার সময় এই আইডিয়াটি নিয়ে কাজ শুরু করেন। ২০০৯ সালের নভেম্বরে আরেক পার্টনার জেনিয়ার ফ্লেসিসকে নিয়ে শুরু করেন ‘রেন্ট দ্য রানওয়ে’ নামের প্রতিষ্ঠানটি। চলতি বছরের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠানটি ১২ কোটি ৫০ লাখ ডলার ফান্ড পায়। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি এক বিলিয়ন ডলারের স্টার্টআপ কম্পানিতে পরিণত হয়।
শুরু থেকেই প্রতিষ্ঠানটি অনলাইনের মাধ্যমে পোশাক ভাড়া দেওয়া শুরু করে। অননাইনে তাদের অসংখ্য পোশাক আর গয়না থেকে গ্রাহকরা সেগুলো সংগ্রহ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটি, শিকাগো, ওয়াশিংটন ডিসি, সান ফ্রান্সিসকো এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে পণ্য সরবরাহের দোকান তৈরি করেন।
প্রতিষ্ঠানটিতে তরুণীরা যেকোনো সময়ে পোশাক ভাড়া করতে পারে অথবা সাবস্ক্রিপশনে মাসে ইচ্ছামতো পোশাক ভাড়া নিতে পারবে। প্রায় ৪০০ জন নামিদামি ডিজাইনারের কাপড় বিক্রি করে থাকে রেন্ট দ্য রানওয়ে। পোশাক ভাড়া নেওয়ার পরে যদি পরে ভালো লাগে তাহলে ক্রেতা সেটা কিনেও ফেলতে পারেন।
গ্রাহক অর্ডার করলে পোশাকগুলো তাঁর ঠিকানায় চলে আসে। একটা নীল রঙের ব্যাগে এগুলো গ্রাহকের কাছে পৌঁছে যায় যেখানে তাঁর নাম-ঠিকানা সুন্দর করে প্রিন্ট করা থাকে। মেয়াদ শেষে ওই একই ব্যাগে পোশাকগুলো ভরে পাঠিয়ে দিতে হয় রেন্ট দ্য রানওয়ের কাছে। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ড্রাই ক্লিনিং, পোশাকসহ অন্যান্য আইটেম মেরামত করাসহ সব ব্যবস্থা আছে।
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের জন্য এ ধরনের সেবা দেওয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং একটা বিষয়। একটা পণ্য ক্রেতাকে ডেলিভারি দেওয়ার পরে সেটা আবার ফেরত নেওয়া, তার পরে পরিষ্কার করে আবার প্যাকেটজাত করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা অথবা অন্য কারোর কাছে ভাড়া দেওয়া। রেন্ট দ্য রানওয়ে এ জন্য তাদের নিজস্ব প্রযুক্তি তৈরি করেছে, তাদের নিজস্ব রিভার্স লজিস্টিকস অপারেশনও আছে। বিগত দুই বছরে এই দোকানগুলোতে ভোক্তার আগমন দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতারা দোকানে গিয়ে যেকোনো পোশাক পছন্দ করে স্ক্যান করে নিয়ে চলে যেতে পারেন।
Posted ০২:৩৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১৩ অক্টোবর ২০১৯
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com