শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ প্রিন্ট ৫০২ বার পঠিত
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং মূলধন যোগানের কষ্ট দূর করার জন্য সরকার কাজ করেছে।
শনিবার রূপগঞ্জে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের বেসিক সেন্টারে ‘তাঁতিদের আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে চলতি মূলধন সরবরাহ ও তাঁতের আধুনিকায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ইনোভেশন কার্যক্রম এর অংশ হিসেবে তাঁতি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. শাহ আলম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রূপগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান ভূইয়া, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহ্ নূসরাত প্রমুখ অংশ নেন।
মন্ত্রী বলেন, তাঁতিদের চলতি মূলধনের চাহিদা মেটাতে ‘তাঁতিদের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি’ শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত (ডিসেম্বর, ২০২০) ৪৬ হাজার ৬৪৫ জন প্রান্তিক তাঁতিকে ৯৬৮৭.৩৫ লক্ষ (নয় হাজার ছয়শত সাতাশি কোটি) টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়েছে। পদ্মা সেতু সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর ও শরীয়তপুরের জাজিরায় নির্মিত হচ্ছে শেখ হাসিনা তাঁতপল্লী। রূপগঞ্জ বেসিক সেন্টারের পাশে তাঁত গবেষণা কেন্দ্র হবে। রূপগঞ্জে আরেকটি জামদানি পল্লী স্থাপনের কাজ হাতে নেয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাঁতিদের সুতা রঙসহ বিভিন্ন কাঁচামালের সুবিধা দেয়া হবে। নির্মিত হবে আন্তর্জাতিক মানের প্রর্দশনী ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।
মন্ত্রী বলেন, এ এলাকাসহ দেশের সকল তাঁতিদের রক্ষার জন্য সরকার নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তাঁতিদের যে পরিমাণে ঋণ দেওয়া হয় তাতে তাদের কিছুই হয় না। সহজ শর্তে ঋণের পরিমাণ বাড়ানোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। যে পরিমাণে ঋণ নিয়ে তাঁতিরা টিকে থাকতে পারেন সেই পরিমাণ ঋণের ব্যবস্থা তাঁত বোর্ড করবে।
মন্ত্রী বলেন, তাঁতশিল্প বাংলাদেশের ঐতিহ্যের ধারক। এ শিল্পে প্রত্যক্ষ প্রায় ৯ লক্ষ এবং পরোক্ষভাবে ৬ লক্ষ মোট ১৫ পনেরো লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হচ্ছে। বছরে ৪৭.৪৭৪ কোটি মিটার কাপড় উৎপাদনের মাধ্যমে তাঁতশিল্প দেশের মোট বস্ত্র চাহিদার প্রায় ২৮ ভাগ পূরণ করে থাকে। তাই তাঁতিদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ তাঁতশুমারি অনুযায়ী, দেশের অভ্যন্তরীণ বস্ত্র চাহিদার ৪০ শতাংশ তাঁত শিল্প যোগান দিয়ে থাকে। এ শিল্পের বার্ষিক উদপাদনের পরিমাণ ৬৮.৭০ শতাংশ। আর জাতীয় অর্থনীতিতে মূল্য সংযোজনের দিক থেকে তাঁত শিল্প খাতের অবদান ১২২৭ কোটি টাকার।
আরও জানা গেছে, দেশে বিদ্যমান ১ লাখ ৮৩ হাজার ৫১২টি তাঁত ইউনিটে মোট হস্তচালিত তাঁতের সংখ্যা ৫ লাখ ৫ হাজার ৫৫৬টি। এর মধ্যে চালু তাঁতের সংখ্যা ৩ লাখ ১১ হাজার ৮৫১টি।
Posted ০৪:৪৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com