গোলাম ফারুক ও রাশেদ রুবেল
বুধবার, ০২ জুলাই ২০২৫ প্রিন্ট ৪১৪ বার পঠিত
সিটি ব্যাংকের ৪২তম বার্ষিক সভায় ১২.৫% নগদ ও ১২.৫% স্টক লভ্যাংশ অনুমোদনের মাধ্যমে নিজেদের অন্যন্য উচ্চতায় তুলে ধরলেন। ২০২৪ সালে ব্যাংকের ২,৩০৫ কোটি টাকার পরিচালন মুনাফা এবং ১,০৮৫ কোটি টাকার সমন্বিত প্রভিশন ও কর পরবর্তী নিট মুনাফা সিটি ব্যাংকের শক্ত অর্থনৈতিক ভিত্তি ও সুশাসন নিশ্চিত করে। এমডি হিসেবে মাসরুর আরেফিনের ৬ বছরের সময়কালে নিট মুনাফা বেড়েছে ৮৮৩ কোটি টাকা বা ৪৩৭%। যা ব্যাংকের জন্মলগ্ন থেকে সর্বোচ্চ। ২৯ শে জুন ব্যাংকের ৪২ তম এজিএম হয়েছে প্রাণবন্ত, তথ্যবহুল ও শেয়ারহোল্ডারদের কাছে জবাবদিহিমূলক। যেখানে নিয়ন্ত্রণ সংস্থার সকল নিয়মাবলী প্রতিপালন করা হয়েছে।
চ্যালেঞ্জিং অর্থনৈতিক পরিবেশেও সিটি ব্যাংক দৃঢ়তা ও গতিশীলতার নতুন মাইলফলক গুগল পে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক তিন বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান গুগল, মাস্টারকার্ড ও ভিসার সহযোগিতায় দেশের বেসরকারি খাতের সিটি ব্যাংক এই ডিজিটাল লেনদেন সেবাটি চালু করেছে।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিনের নেতৃত্বে যখন দূর্বারগতিতে এগিয়ে চলছে তখন কিছু চ্যালেঞ্জ সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। সিটি ব্যাংকের ২০২৪ সালের ব্যালেন্সসিট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, খেলাপি ঋণ বছরান্তে ২১৮ কোটি টাকা বা ১৫.২ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১,৬৫৭ কোটি টাকা। যদিও তা মোট ঋণের মাত্র ৩.৭২%। যেখানে ব্যাংকিং সেক্টরের খেলাপি ঋণ ২০২৪ সালের মার্চ মাসের ১ লক্ষ ৮৫ হাজার কোটি টাকা থেকে প্রায় ৯০% বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ ৪৫ হাজার কোটি টাকা। ৩১ শে মার্চ ২০২৫ এটা আরও বেড়ে হয়েছে ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২৫%। এর মধ্যে বেসরকারি ব্যাংককে খেলাপি ঋণ ২ লক্ষ ৬৪ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ২০.২%। এখানে সিটি ব্যাংকের মাত্র ৩.৭২% অতুলনীয় স্বস্তিকর।
৬৯,৭৩৫ কোটি টাকার সম্পদ ব্যাবহার করে সিটি ব্যাংকের নিট মুনাফা চলতি বছরে দ্বিগুণ হয়ে ১,০৮৫ কোটি টাকা। অন্যান্য ব্যাংকগুলো যেখানে ৩০-৪০ হাজার কোটি টাকার অ্যাসেট ব্যবহার করে মুনাফা করে ২৫০ থেকে ৩০০ কোটি টাকা। ২০২৩ এর তুলনায় ২০২৪ সালে ৭৬ শতাংশ বা ৪৭০ কোটি টাকা মুনাফা বেড়েছে সিটি ব্যাংকে। আগামী দিনে কর্পোরেট সুশাসন নিশ্চিত করা ও শোয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ শতভাগ নিশ্চিত করাই হবে সিটি ব্যাংকের প্রধান কাজ।
২০২৪ সালে ডিপোজিট প্রবৃদ্ধি ১২,১৬৯ কোটি টাকার মধ্যে কৌশলগত ভাবে ৪০% বা ৪,৮৯০ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫০% বা ৬,০৬৭ কোটি টাকা গভর্নমেন্ট সিকিউরিটিতে ইনভেস্ট করা হয়েছে। এর ফলে ঋণ ডিপোজিট রেশিও ৮৩.৭৪% থেকে ৭৪.৭২% কমে গেলেও এবং রেপো এগ্রিমেন্টে বাড়তি ৪৯৭ কোটি টাকা ইন্টারেস্ট ব্যয় হলেও গভর্নমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট ইনকাম বেড়েছে ১,১৯০ কোটি টাকা বা ২৫৩%। ফলে অপারেটিং ইনকাম বেড়েছে ১,১৯৩ কোটি টাকা বা ৪৩%।
প্রতিষ্ঠানের ডিপোজিট ১২,১৬৯ কোটি টাকা বা ৩১% বাড়লেও বিপরীতে ইন্টারেস্ট ব্যয় বেড়েছে ১,২৫৫ কোটি টাকা বা ৭০%। কস্ট অব ফান্ড ২০২৪ এ ২.০১ বা ৫১ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৫.৯৪%। উচ্চ সুদের আমানত নিট ইন্টারেস্ট ইনকামকে আঘাত করেছে এবং তা ভবিষ্যতের জন্যে চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
২০২৪ সালে ঋণ ও অগ্রিম প্রবৃদ্ধি ১২.৩% হলেও ইন্টারেস্ট ইনকাম ৩,৩৭৯ কোটি টাকা থেকে ১,১২২ কোটি টাকা বা ৩৩% বেড়ে হয়েছে ৪,৫০১ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ ২১৯ কোটি বা ১৫.২% বেড়ে ১,৬৫৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে ব্যাড বা লস ৮০ কোটি বা ৬.৭ % বেড়ে ১,২৭৫ কোটি টাকা। রাইট অফ ৩৬৪ কোটি বা ১৭.৭% বেড়ে ২,৪২৫ কোটি টাকা এবং ইন্টারেস্ট সাসপেন্স অ্যাকাউন্টে ১৪৩ কোটি টাকা স্থানান্তর করার পর এই ইন্টারেস্ট ব্যয় প্রবৃদ্ধি অস্বস্তিকর বলে ব্যাখ্যা করেন শেয়ায়হোল্ডারগণ। ঋণের ইন্টারেস্ট হার অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ভবিষ্যৎ এ খেলাপি ঋণকে আরও উস্কে দিতে পারে বলেও আশঙ্কা করেন শেয়ারহোল্ডাররা।
আগেই বলা হয়েছে ২০২৪ সালে সবচেয়ে স্বস্তি ও সাফল্যের কারণ হল ইনভেস্টমেন্ট ইনকাম। ব্যাংকের ইনভেস্টমেন্ট ৭,৩০৬ কোটি টাকা থেকে ৬,০৫৮ কোটি টাকা বা ৮৩% বেড়ে হয়েছে ১৩,৩৬৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে গভর্নমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট ৬,৩১৪ কোটি টাকা থেকে ৬০৬৭ কোটি টাকা বা ৯৬% বেড়ে হয়েছে ১২,৩৮১ কোটি টাকা। হাই ফ্রিকোয়েন্সি ট্রেডিং বেড়েছে ৪,৪৮৫ কোটি টাকা বা ৫৭৫%। বিল বন্ড শূন্য থেকে বেড়েছে ৯৯৮ কোটি টাকা, ৫ বছরের উর্ধ্বে বেড়েছে ৪,৩২০ কোটি টাকা বা ১৪৩%।
এর বিপরীতে ইনভেস্টমেন্ট ইনকাম ৪৭২ কোটি টাকা থেকে ১,১৯০ কোটি টাকা বা ২৫৩% বেড়ে হয়েছে ১,৬৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ইন্টারেস্ট অন ট্রেজারি বিল, বন্ড ৩৪৪ কোটি টাকা থেকে ১,০৭৩ কোটি টাকা বা ৩১২% বেড়ে হয়েছে ১,৪১৭ কোটি টাকা। গেইন অন গভ সিকিউরিটি ৩৪ কোটি টাকা থেকে ১২৭ কোটি টাকা বা ৩৭৪% বেড়ে হয়েছে ১৬১ কোটি টাকা। বিল ও বন্ডের মাধ্যমে সরকারের ব্যয় মেটাতে এই উচ্চ ইন্টারেস্ট, যা আগামী বছরে কমে যেতে পারে।
২০২৪ সালে কমিশন, এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ আয় ১৩১ কোটি টাকা বা ১৯.২% বেড়ে হয়েছে ৮১৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ড ইনকাম বেড়ে ২১৭ কোটি ও এক্সচেঞ্জ গেইন বেড়ে হয়েছে ১৪৩ কোটি টাকা। ২০২১ থেকে ২০২৪ এই ৪ বছরের বৈদেশিক বাণিজ্যে ইমপোর্ট প্রবৃদ্ধি ২৫,০৮৪ কোটি টাকা বা ১৩৮%, এক্সপোর্ট প্রবৃদ্ধি ২৬,৪১১ কোটি টাকা বা ২১৭%, রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ৮,০৪১ কোটি টাকা বা ১৫৬%। যা প্রশংসনীয়। ২০২৪ সালে ব্যাংকের এক্সপোর্ট ও রেমিট্যান্স ৫১,৭৫৭ কোটি টাকার বিপরীতে ইমপোর্ট ৪৩,৩০০ কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রার নিরাপদ মজুতকে সুনিশ্চিত করেছে।
২০২৪ সালে অপারেটিং ইনকাম প্বৃদ্ধি ১,১৯৩ কোটি টাকার বিপরীতে অপারেটিং এক্সপেন্স বেড়েছে মাত্র ২৩৭ কোটি টাকা। এর মধ্যে জনসম্পদের বেতনভাতাই বেড়েছে ১১০ কোটি টাকা বা ১৪%। বিগত ৫ বছরের জনসম্পদ বেড়েছে ৯৬৫ জন বা ২২%, আ
র বেতন ভাতা বেড়েছে ৩৬৫ কোটি টাকা বা ৭০%। তুলনামূলকভাবে বেতনভাতা প্রবৃদ্ধি দেশের সার্বিক মূল্যস্ফীতি ও অনেক ব্যাংকের চেয়ে বেশি। যা জনসম্পদ বান্ধব।
২০২৪ সালে অপারেটিং ইনকাম প্রবৃদ্ধি ৪৩% এর বিপরীতে অপারেটিং এক্সপেন্স প্রবৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে অনেক কম ১৭% হাওয়ায় প্রফিট বিফর প্রভিশন বা অপারেটিং প্রফিট ১,৩৫০ কোটি টাকা থেকে রেকর্ড ৯৫৫ কোটি টাকা বা ৭১% বেড়ে হয়েছে ২৩০৫ কোটি টাকা। ফলে কস্ট টু ইনকাম রেশিও ২০১৮-৫৮% ,২০১৯-৫৪.৭%, ২০২০-৫৭.৯%, ২০২১-৪৮.৬%, ২০২২-৫১.৯%, ২০২৩-৫১.১%, ২০২৪-৪১.৭%, গত ৭ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। যা কনসিসটেন্স, ইতিবাচক ও প্রশংসিত। ২০২৪ সালে ২,০০০ কোটি টাকার বেশি পরিচালনা মুনাফার তালিকায় যুক্ত হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের সাথে আরও চারটি ব্যাংক। সিটি ব্যাংক তার মধ্যে তৃতীয়।
সিটি ব্যাংকের শ্রেণিকৃত ঋণ সহনীয়। মোট ১,৬৫৮ কোটি টাকার মধ্যে কু-ঋণ ১,২৭৫ কোটি টাকা, সন্দেহজনক ১৮৯ কোটি টাকা, নিম্নমান ১৯২ কোটি টাকা। এছাড়া পুঞ্জিভুত অবলোপন করা হয়েছে ২,৪২৫ কোটি টাকা। এই অবলোপনকৃত ঋণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ঋণ আদায় হয়েছে বলে এজিএম এ জানানো হয়। যদিও শ্রেণিকৃত ও অবলোপন মিলিয়ে ৪,০৮১ কোটি টাকা মোট ঋণের ৯.২%। এই টাকা আদায়ের ব্যাপারে কি কি কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে সিটি ব্যাংকের পক্ষে। এর বিপরীতে ইন্টারেস্ট কি ইনকামে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে কিনা, এজিএমে এই প্রশ্ন উঠে।
খেলাপি ঋণের বিপরীতে সিটি ব্যাংকের ২০২৪ সালে প্রভিশন ২৮১ কোটি টাকা থেকে ২৪৪ কোটি টাকা বা ৮৭% বেড়ে হয়েছে ৫২৫ কোটি টাকা। যদিও প্রভিশন সারপ্লাস খুব সামান্য। তবে ঘাটতি নেই।
জানা যায়, ২০২৪ সালে ব্যাংটির সেক্টরের প্রভিশন ঘাটতি ১ লক্ষ ৬ হাজার কোটি টাকা। এই প্রেক্ষাপটে সিটি ব্যাংকের খেলাপি ঋণের বিপরীতে প্রয়োজনীয় প্রভিশন রাখার পর প্রফিট বিফর ট্যাক্স ১,০৬৮ কোটি টাকা থেকে ৭৩১ কোটি টাকা বা ৬৮.৪৮% বেড়ে হয়েছে ১,৭৯৯ কোটি টাকা। যা সন্তোষজনক ও ব্যাংকের অন্তর্নিহিত শক্তির প্রতিফলন ।
আবার ৫৩.৪% বেশি ৬৯৫ কোটি টাকা ট্যাক্স প্রভিশন রাখার পরও ব্যাংকের প্রফিট আফটার ট্যাক্স ৬১৫ কোটি টাকা থেকে রেকর্ড ৪৭০ কোটি টাকা বা ৭৬.৪% বেড়ে হয়েছে ১,০৮৫ কোটি টাকা। যা অতুলনীয় সফলতা।
বিগত ১০ বছরের মুনাফা ও লভ্যাংশ পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০২৪ সাল সিটি ব্যাংকের জন্যে গৌরব প্রোজ্জ্বল বছর। সর্বোত্তম প্রফিট, সর্বোৎকৃষ্ট মুনাফা। যেখানে ২০১৫ সালে ৮৭৬ কোটি টাকা পেইডআপ ক্যাপিটালের ভিত্তিতে ২২% লভ্যাংশ ছিল ১৯৩ কোটি টাকা। সেখানে ২০২৪ সালে পেইডআপ ক্যাপিটাল বেড়ে ১,৩৪৭ কোটি টাকা হওয়ায় এর ভিত্তিতে ২৫% লভ্যাংশ ৩৩৭ কোটি টাকা। বেড়েছে ১৪৪ কোটি টাকা বা ৭৫% । এর জন্য শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষ থেকে এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিন ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্যতা রাখে।
সিটি ব্যাংক থেকে এজেন্ট ব্যাংকিং সম্পর্কে বলা হয়েছিল, লেনদেন ব্যবস্থা বদলে দেবে এজেন্টরা। গ্রামীণ রেমিট্যান্সের ৯১% বিতরণ করে এজেন্ট ব্যাংকিং। এই ব্যাপারে প্রশ্ন উঠলে এজেন্ট ব্যাংকিং নিরাপদ ও পুনঃবিন্যাসের কথা বলা হয়। ইসলামী ব্যাংকিং শাখায় ২০২৪ সালে অপারেটিং প্রফিট ২০% বেড়ে হয়েছে ২৬৬ কোটি টাকা। প্রফিট বিফোর ট্যাক্স ২৬% বেড়ে হয়েছে ২৫৮ কোটি টাকা। যা ক্রমবর্ধমান ও সন্তোষজনক।
গোটা বিশ্বেই একটি ব্যাংকের সক্ষমতা, পারফরমেন্স ও প্রকৃত পরিস্থিতির চিত্র বিশ্লেষণে নির্দিষ্ট কিছু মানদন্ড বা নির্দেশক ব্যবহার করা হয়। ২০২৪ সালে সিটি ব্যাংকের এই প্রধান ৭ টি নির্দেশক পর্যালোচনা করে দেখা যায় প্রতিটিতেই অভূতপূর্ব প্রবৃদ্ধি বা অগ্রগতি হয়েছে। যেমন (১) রিটার্ন অন অ্যাসেট-১.১৬% থেকে বেড়ে হয়েছে ১.৭৩% (২) রিটার্ন অন ইকুইটি- ১৭.৬% থেকে বেড়ে হয়েছে ২৬.১% (৩) শ্রেণিকৃত ঋণ- ৩.৬৩% থেকে কমে ৩.৭২%, যা স্থিতিশীল। (৪) কর পরবর্তী নিট মুনাফা- ৬১৫ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১,০৮৫ কোটি টাকা। (৫) শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য- ২৭.৬৩ টাকা থেকে বেড়ে ৩৪.০১ টাকা। (৬) মূলধন পর্যাপ্ততার অনুপাত- ১৫.৮% থেকে বেড়ে ১৬.০%। (৭) শাখাপ্রতি পরিচালন মুনাফা- ১০.০৭ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৭.২০ কোটি টাকা।
২০২৪ সালে ব্যাংকিং সেক্টরের ক্রান্তিকাল ও বিপর্যস্ত অবস্থায় এই ব্যাংকের এমডি ও সিইও মাসরুর আরেফিনের সুদীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা ও দুরদর্শী নেতৃত্ব সিটি ব্যাংক আজকের নিরাপদ ও সুউচ্চ অবস্থানে। বার্ষিক সাধারণ সভায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মাসরুর আরেফিন প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র শেয়ারহোল্ডারদের কাছে তুলে ধরে বলেন, ২০২৪ সালে আমরা টেকসই এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিয়েছি। একাধিক ডিজিটাল ফার্স্ট উদ্যোগ চালু করেছি, রিটেইল ও এসএমই খাতের বৈচিত্র্য বাড়িয়েছি এবং সম্পদের গুণগতমান বজায় রেখেছি। ২০২৫ সালে আমরা সম্প্রসারণ, উদ্ভাবন এবং গ্রাহক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির স্পষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি।
Posted ০৯:৩৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০২ জুলাই ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: ই-মেইল: bankbima1@gmail.com