অনলাইন ডেস্ক
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬ প্রিন্ট
দুদক কর্তৃক অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপন মামলায় ডিপিডিসি-র ব্যবস্থাপক মো. হুজ্জত উল্লাহ এবং তার স্ত্রী মাহমুদা খাতুনের নামে চার্জশিট দু’একদিনের মধ্যেই আদালতে দাখিল করা হবে বলে জানা যায়। দুদকের বিদায়ী কমিশনই চার্জশিট দু’টির অনুমোদন দেন। দুদক সূত্র জানায়, তদন্তে মাহমুদা খাতুনের নামে মোট ৬৩,০৯,১৭৩/- টাকার সম্পদ পাওয়া যায়, যার মধ্যে ৪৯,৪২,৮০১/- টাকাই তার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসংগতিপূর্ণ। এছাড়া তিনি ৮,১১,৬০০/- টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এই অবৈধ সম্পদ অর্জনে হুজ্জত উল্লাহ তার স্ত্রীকে সহযোগিতা করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয় আসামী মাহমুদা খাতুন জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনপূর্বক তা নিজ ভোগ দখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন এবং সম্পদের তথ্য গোপনপূর্বক মিথ্যা তথ্য প্রদর্শন করে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার স্বামী মো. হুজ্জত উল্লাহ ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ অর্জন করে তা স্ত্রীর অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন।
এ প্রসঙ্গে মন্তব্য নেওয়ার জন্য হুজ্জত উল্লাহকে ফোন করলে তিনি শুনতে পাচ্ছেন না বলে লাইন কেটে দেন। পরে কয়েক দফা ফোন ও ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তার কোন উত্তর দেননি তিনি।
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের (ডিপিডিসি) ব্যবস্থাপক মো. হুজ্জত উল্লাহ ও তার স্ত্রী মাহমুদা খাতুনের নামে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ২০২৪ সালে। সেসময় আসামিদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬ (২) ও ২৭ (১) ও দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
Posted` ৮:২৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: ই-মেইল: bankbima1@gmail.com