নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ প্রিন্ট ৪৯২ বার পঠিত
জুলাই অভ্যুত্থানের পরও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক (বিসিবি) এস আলমের রাহুর গ্রাস থেকে মুক্ত হতে পারেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বাণিজ্যিক ব্যাংকটি অনিয়ম ও বিশৃংখলায় জর্জরিত হওয়ায় বাংলাদেশ ব্যাংক গর্ভনরের কাছে কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন ‘সচেতন কর্মকর্তাবৃন্দ’ ব্যানারে। লিখিত অভিযোগে কর্মকর্তাগণ বলেন, ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর এস আলম গ্রুপ নিয়ন্ত্রিত বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন ৫ সদস্য বিশিষ্ট পর্ষদ গঠন করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক পুনর্গঠিত পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোঃ আতাউর রহমানকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু পুনর্গঠিত পর্ষদের ৫ জনের মধ্যে ২ জন সদস্যই এস আলম নিয়ন্ত্রিত প্রাক্তন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। এখন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মহসিন মিয়ার অনিয়ম আর দ্বন্দ্বে ব্যাংকটি তলিয়ে যা”্ছে অতল গহব্বরে।
অভিযোগে বলা হয়, নিয়োগপ্রাপ্ত নতুন চেয়ারম্যান মো: আতাউর রহমান এস আলম গ্রুপের একজন অনুগত চাকুরীজীবী ছিলেন। তিনি ফাস্ট সিকিউিরিটি ইসলামী ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টারের প্রিন্সিপাল হিসেবে ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার পর থেকে নিজের এবং এস আলম গ্রুপেরই স্বার্থ রক্ষা করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। অপরদিকে, নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ মহসিন মিয়া ইচ্ছাকৃত ঋণ খেলাপী প্রতিষ্ঠান মেসার্স সুরুজ মিয়া স্পিনিং মিলস লিঃ-এ চাকুরী করতেন। ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের পরিচালক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে তিনি সুরুজ মিয়া স্পিনিং মিলস লিঃ-এর প্রায় ৪৮ কোটি টাকা অনারোপিত সুদ মওকুফ করার জন্য ব্যাংক ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং শাখা ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষকে চাপ প্রয়োগ করে আসছেন। এছাড়াও ব্যাংকের প্রতিটি বিষয়ে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছেন যেমন, মঞ্জুরীতব্য ঋণ গ্রহীতা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন, ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার নিজস্ব ঋণ গ্রাহক প্রেরণ এবং তার প্রেরিত ঋণ গ্রাহকদের প্রস্তাব প্রধান কার্যালয়ে প্রক্রিয়াকরণ।
অভিযোগ উঠেছে মহসিন মিয়া বিসিবি দিলকুশা শাখায় ৫০ কোটি টাকা ঋণ প্রস্তাব প্রক্রিয়াকরনে শাখা ব্যবস্থাপককে চাপ প্রয়োগ করছেন। নিজের পছন্দের লোকদের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে নিয়োগ বানিজ্য করছেন। তাদের এই সিন্ডিকেটের অন্যতম সদস্য হিউম্যান রিসোর্সেস ডিভিশনের এর বিভাগীয় প্রধান মোঃ রেজাউল হক। অথচ তার মানসম্পদ বিভাগে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা নেই। এখন যাকে তাকে যেখানে সেখানে পদায়ন করার অভিযোগ উঠেছে। ৫ আগষ্টের পর মোঃ রেজাউল হক এর মাধ্যমে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলামকে প্রাননাশের হুমকি দিয়ে ৩১৯ জনের অনৈতিক পদোন্নতী নিয়ে নেন। সেই রেজাউল হক একসময় সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার রশিদ আহমেদ চৌধুরী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলামের খয়ের খা হিসেবে সব দূর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ৫ আগষ্টের পর আবার রেজাউল হক, জিয়াউল করিম ও মহসিন মিয়া এক সঙ্গে অনিয়ম ও লুটপাট করছে বলে অভিযোগ করা হয়। এখানে আবার দ্বিতীয় গ্রুপ হিসাবে কাজ করছেন চেয়ারম্যান আতাউর রহমান ও তার লোকজন। তবে আশঙ্কার কথা এস আলম গ্রুপের কালো থাবা থেকে ব্যাংকের দুর্নীতি, অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারী মুক্ত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত ও আর্থিক সংকটাপূর্ন ব্যাংকটিকে সবল করার লক্ষে কেউ আর হাল ধরছে না।
গর্ভনর এর কাছে অভিযোগে বলা হয়, এস আলম গ্রুপের অধীনে থাকাকালীন বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক থেকে বিশাল অংকের অর্থ লুটপাট করা হয়। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্তরে মেধা ও কর্মদক্ষতাকে গুরুত্ব না দিয়ে পটিয়া ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের লোকজনকে অবৈধভাবে বিভিন্ন পদে নিয়োগ প্রদান করেন। তারা এস আলম গ্রুপের ঋণ জালিয়াতির সহযোগিতা করে বিভিন্নভাবে লুটপাট করে লাভবান হয়েছে এবং প্রমোশন তাদেরকেই দেয়া হয়েছে। এদিকে তাদের অনেকের বিরুদ্ধে ব্যাংকের ইন্টারনাল অডিট, দুদক ও পিবিআইতে মামলা চলমান থাকলেও রাতের আঁধারে ব্যাক ডেটে অবৈধভাবে অডিট আপত্তি থেকে অব্যাহতিও দেয়া হয়েছে।
এদিকে অভিযোগে বলা হয়েছে ব্যাংকে ঋণ বিভাগে নিয়োগকৃত পটিয়া অঞ্চলের জিয়াউল করিমকে ডিএমডি হিসাবে বর্তমান পর্ষদে নিয়োগ করা হয়েছে। যিনি কিছুদিন আগে এস আলমের ক্ষমতাবলে এমডি (সিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সাধারণ কর্মকর্তাগণ আশাবাদী ছিলেন যে, একটা দীর্ঘ প্রতিকূল অবস্থা হতে উত্তরণ হয়ে ব্যাংকে বর্তমানে ভালো কিছু হতে যাচ্ছে। কিন্তু এস আলম গ্রুপ কর্তৃক চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকৃত কতিপয় নির্বাহীর চুক্তি তারা পুনঃনবায়ন করেছেন।
অভিযোগে বলা হয়, জিয়াউল করিম ক্ষমতার অপব্যবহার করে কমার্স ব্যাংক থেকে ধর্মপুর সিরামিককে ১০ কোটি টাকার ঋণ পাশ করিয়ে দেয় ক্রেডিট কমিটিকে উপেক্ষা করে। ফিনিক্স সিরামিককে ১৯ কোটি টাকার ঋণ প্রদান করেন। তার মধ্যে লিড ব্যাংক হিসাবে বিসিবি ১৪ কোটি টাকা, বিআইএফসি ৫ কোটি টাকা প্রদান করেন। এর সহযোগিতা করেন তার খালাতো ভাই সাবেক ব্যাবস্থাপনা পরিচালক জাফর আহমেদ। সবই আজ খেলাপি ঋণে পরিনত হয়েছে। এদিকে এস আলমের এস এ ওয়েলকে ১১ কোটি টাকা ব্যাংকগ্র্যারান্টি প্রদান করা হয়। সম্প্রতি সেই ব্যাংকগ্র্যারান্টি জিয়াউল করিমের নির্দেশনায় বোর্ড বা ক্রেডিট কমিটি ছাড়াই নবায়ন করা হয়। তাছাড়া নগদ সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের টাকা অন্যান্য ব্যাংকের এফডিআর করার নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এস আলমের ব্যাংকগুলোতে টাকা রাখা হয়েছে। তারমধ্যে ইসলামী ব্যাংকে ২০০ কোটি, সোশাল ইসলামী ব্যাংকে ১৫০ কোটি, ইউনিয়ন ব্যাংকে ৮০ কোটি, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামি ব্যাংকে ১২০ কোটি, আবিবা ফ্যাইন্যান্সে ৩০ কোটি, এনআরবিসি ব্যাংকে ২০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে যার অধিকাংশ টাকা এখন উঠানো যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।
অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ডিএমডি জিয়াউল করিম বলেন, আমার উপর আরোপিত অভিযোগের বিষয়ে আমি বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে বিশেষ জবাব জমা দিয়েছি। কিছু দূর্নীতিবাজ লোক আমার বিরুদ্ধে কুৎসা রটনা করে যাচ্ছে।
জানা যায়, বাংলাদেশ ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৫ কর্তৃক বিসিবির বিভিন্ন অনিয়ম নিয়ে বিশদ পরিদর্শনে নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে দায়ী বিভিন্ন কর্মকর্তা ও নির্বাহীর বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশনা প্রদান করা হয়। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অমান্য করে চেয়ারম্যান ঐসব দায়ী কর্মকর্তা, নির্বাহীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে এবং পদে কর্মরত রেখে নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করছেন। জিএসটি বিভাগে টেন্ডার ও অন্যান্য গুরুতর অনিয়মের সাথে জড়িত উৎপল ও সনজয় নন্দী (বর্তমানে সিএমডিতে) ৬ কোটি ৪০ লাখ টাকার অনিয়মের সাথে জড়িত থাকা সত্ত্বেও জিয়াউল করিম তাদেরকে সহায়তা করছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনাকে বৃদ্ধাংগুলি প্রদর্শন করে বর্তমান পর্ষদ ও ম্যানেজমেন্ট কোন রেগুলেটরি বডির অধিনে কাজ করছেন তা পরিষ্কার নয় বলে অভিযোগ করেন। সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাজুল ইসলামকে ভয়-ভীতি প্রদর্শন করে অবৈধভাবে পদোন্নতি নোটে স্বাক্ষর নেয়া নির্বাহী কর্মকর্তার পদোন্নতিকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বাতিলের একাধিকবার নির্দেশনা দিলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। কেন তারা অবৈধ প্রমোশনকে বৈধ করার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছেন এবং তাদের কী স্বার্থ জড়ীত তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে দাবি করেন কর্মকর্তারা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক প্রমোশন নিশ্চিত করার ফলে অনেক মেধাবী ও কর্মদক্ষ নির্বাহী কর্মকর্তাদের প্রতি অবিচারের মাধ্যমে পদোন্নতি বঞ্চিত করা হয়েছে। এদিকে অভিযোগে বলা হয়েছে রেজাউল হক মানবসম্পদ বিভাগে কাজের কোন অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষাগত যোগ্যতাও শুধুমাত্র স্নাতক থাকার পরও সে কীভাবে এই পদ পেয়ছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
অভিযোগে আরো বলা হয় ২০২৩ প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে বিআইবিএম কর্তৃক প্রায় একশত কর্মকর্তা নিয়োগ প্রদান করা হয়। কিন্তু তাদেরকে প্রবেশনারি সময় শেষ হওয়ার পর তাদেরকে সে পদে না দিয়ে তার চেয়ে একধাপ নিম্ন পদে পদায়ন করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের অডিটে ৫ই আগষ্ট এর পর অবৈধভাবে প্রমোশন নেয়া অযোগ্য কর্মকর্তাদের প্রমোশনগুলোকে বৈধ করার অপচেষ্ঠাকে চেয়ারম্যান মো: আতাউর রহমান বিভিন্নভাবে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছেন।
কর্মকর্তারা গর্ভনর এর কাছে নীতি-নৈতিকতা বিবর্জিত ও অকার্যকর চেয়ারম্যানগনকে পরিবর্তনের মাধ্যমে লুটপাটকারীদের হাত থেকে প্রতিষ্ঠানকে রক্ষার জোর দাবী জানায়। এছাড়া ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মকর্তা- নির্বাহীগণের প্রতি সুবিচার ও সম অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
অনিয়মন আর দূর্নীতির বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের চেয়ারম্যান আতাউর রহমান অসুস্থতার কারন দেখিয়ে বক্তব্য প্রদানের অপরাগতা প্রকাশ করেন। তবে ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মো: মহসিন মিয়ার অনিয়ম নিয়ে জানতে চাইলে এড়িয়ে গিয়ে জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে কথা বলতে বলেন। তিনি সকল অভিযোগের ব্যাখ্যা দিবেন বলেন জানান তিনি।
বিসিবিতে সুরজ মিয়া স্পিনিং মিলস লিমিটেড এর ঋণের অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকের ডিএমডি জিয়াউল করিম বলেন, আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে এ ঋণের সুদ মওকুফের জন্য আদেশ চেয়েছি। এখনো এমন কোনো অর্ডার পাইনি, তাই ঋণের ৪৮ কোটি টাকা সুদ মওকুফ করেনি ব্যাংক। এদিকে নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান মহসিন মিয়ার দিলকুশা শাখা ব্যাবস্থাপককে ঋণের বিষয়ে চাপ দেয়ার বিষয়ে জিয়াউল করিম বলেন, এমন ঋণের কোনো প্রপোজাল আমাদের কাছে আসেনি। তাই চাপ দেয়ার কোন কারন নেই বলে জানান তিনি। আর মো: রেজাউল হক এর সিন্ডিকেরটের মাধ্যেমে ৩১৯ জনের অবৈধ ভাবে পদন্নোতির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখানে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের মার্চে যারা পদোন্নতি পায়নি তারা পদোন্নতি নিয়েছে। আমাকেও অবরুদ্ধ করা হয়েছে ৫ই আগষ্টের পর। আমার পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত হওয়ার কোনো কারন নেই, বরং আমি নিজেই অবরুদ্ধ ছিলাম।’
ধর্মপুর সিরামিক এর ঋণের বিষয়ে তিনি বলেন, সেই ঋণ তাঁর বিসিবিতে যোগদানের আগেই বিতরণ হয়েছে। তার সঙ্গে জিয়াউল করিমের সম্পৃক্ততা নেই। ফিন্ক্সি সিরামিক-এর ঋণের বিষয়ে তিনি জানেন না বলে দাবী করেন। ওই ঋণ ২০১৭ সালের দিকে পাশ হয়েছে। জিয়াউল করিম দাবি করেন তিনি বিসিবির এমডি বা ট্রেজারি হেড ছিলেন না , তাই এ বিষয়ে তার সম্পৃক্ততাও নেই।
Posted ০৪:২২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com