অনলাইন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫ প্রিন্ট ৪৮০ বার পঠিত
জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের মধ্যে রাজনীতিতে যুক্ত হবার প্রবণতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। তারা রাজনৈতিক ক্ষমতা ব্যবহার করে নিজেদের পছন্দনীয় স্থানে পোস্টিং পেতে তৎপর থাকেন এবং এ ক্ষেত্রে তারা সফলতাও অর্জন করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অবশ্য শুধু রাজনৈতিক সংযোগ থাকলেই চলে না অনৈতিক অর্থ ব্যয় করতে হয়। নিয়ম মোতাবেক, একজন কর্মকর্তার প্রতি তিন বছর পর পর বদলি হবার কথা। সাধারণত একজন কর্মকর্তা বা কর্মচারী কোনো পদে তিন বছর কর্মরত থাকার পর তার পদোন্নতি হয়ে থাকে। পদোন্নতি প্রাপ্তির পর তাকে বাধ্যতামূলকভাবে অন্য কোনো স্থানে পোস্টিং দেয়া হয়। কিন্তু প্রায়শই এই নিয়মের ব্যত্যয় ঘটছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে দেখা যায়, একজন দক্ষতা প্রদর্শন করা সত্বেও তাকে তিন বছরে পদোন্নতি দেয়া হয় না। একজন কর্মকর্তার কর্মস্থল বদলীয় ক্ষেত্রে তার কোনো পছন্দ-অপছন্দ থাকার কথা নয়। তিনি কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে বাধ্য। কিন্তু বাস্তবে সেটা ঘটছে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আমলে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের নিয়োগ-বদলির ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হবে এটাই প্রত্যাশিত ছিল। কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তার ব্যত্যয় ঘটছে। গত তিন মাসে সরকারি সচিব থেকে শুরু করে অতিরিক্ত সচিব পর্যায়ের ৮০ জন কর্মকর্তা তাদের বদলির আদেশ প্রত্যাহার করিয়েছেন। তারা বদলীকৃত স্থানে যাননি। প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য যাদের বদলি করা হবে তাদের নিশ্চিতভাবেই নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। বদলি চাকরি জীবনে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। তাই কোনোভাবেই বদলিকৃত স্থানে না যাওয়ার সুযোগ নেই। কোনো কর্মকর্তা তার বদলিকৃত নতুন স্থানে যোগদান না করে তদবিরের মাধ্যমে বদলি বাতিল করার চেষ্টা করলে সেটা অবাধ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। বিশেষ করে রাজধানীর বাইরে বদলি করা হলে অনেকেই সেখানে যোগদান করতে চান না। এছাড়া কিছু পদবী আছে যা আর্থিকভাবে অত্যন্ত লাভজনক। কোনো কোনো কর্মকর্তা এসব স্থানে পোস্টিং পেতে মরিয়ে থাকেন। এটা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না। যারা বদলিকৃত নতুন স্থানে যোগদান করবেন না তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। গণপ্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তাদের আনুগত্যের বিষয়ে কোনো প্রকার ছাড়া দেয়া চলবে না।
Posted ০৩:৩১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com