নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০ প্রিন্ট ৪৭৭ বার পঠিত
বীমা কোম্পানিগুলো যাতে ন্যূনতম ২০ শতাংশ হারে লভ্যাংশ দিতে পারে সেজন্য কোম্পানিগুলোকে উদ্যোগী হওয়ার নির্দেশ দিয়ছেন। বিশেষ করে কিছু প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দিচ্ছে। তাদেরকে অতিরিক্ত ব্যয় নির্ধারিত সীমায় নামিয়ে আনার মাধ্যমে বেশি হারে লভ্যাংশ দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। সোমবার বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএর) সঙ্গে সাধারণ বীমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহীদের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক সভায় এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
এ সময় বেশকিছু বীমা কোম্পানির চেয়ারম্যান জানান, তারা ২০ শতাংশের চেয়েও বেশি লভ্যাংশ দিতে চান।
সভায় আইডিআরএর চেয়ারম্যান ড. এম মোশাররফ হোসেন, সদস্য মো. দলিল উদ্দিন ও মইনুল ইসলামসহ সাধারণ বীমা বিভাগের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট শেখ কবীর হোসেন এবং সাধারণ বীমা খাতের কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সভায় আলোচকরা বলেন, বীমা কোম্পানিগুলোকে কঠোরভাবে নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে কমিশন ফি ও ম্যানেজমেন্ট ব্যয় বাবদ অর্থ খরচ করতে বলা হয়েছে। এতে কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত ব্যয় কমে যাবে এবং মুনাফা বাড়বে। আর মুনাফা বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বৃদ্ধি করতে পারবে।
সভায় আইডিআরএর চেয়ারম্যান বলেন, বীমা কোম্পানিগুলোকে কঠোরভাবে নির্ধারিত সীমার মধ্যে থেকে কমিশন ফি ওম্যানেজমেন্ট ব্যয় বাবদ অর্থ খরচ করতে বলা হয়েছে। এতে কোম্পানিগুলোর অতিরিক্ত ব্যয় কমে যাবে এবং মুনাফা বাড়বে। আর মুনাফা বাড়লে স্বাভাবিকভাবেই কোম্পানিগুলো বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বেশি দিতে পারবে।
সভায় বিআইএর প্রেসিডেন্ট শেখ কবীর হোসেন আইডিআরএর চেয়ারম্যানকে বলেন, বীমা কোম্পানিগুলো যাতে নিয়ম-কানুন মেনে চলে সে বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করুন। কোম্পানিগুলো যাতে নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় না করে সে বিষয়ের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বীমা খাতে সুশাসন যাতে ফিরে আসে তার জন্য বীমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান ও এমডিদের তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের বেশি হারে লভ্যাংশ দিতে।বীমা শিল্পকে এগিয়ে নিতে কিভাবে ব্যবসা পরিচালনা করার যায় তা নিয়ে আইডিআরএর সাথে আলোচনা করতে হবে।
তাছাড়া এখনো যেসব কোম্পানি পুঁজিবাজারে আসছে না, সেগুলোকে তালিকাভুক্তির জন্য প্রয়োজনে আইডিআরএর চেয়ারম্যানকে কঠোর হওয়ার কথাও বলেছেন শেখ কবীর।
Posted ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২০
bankbimaarthonity.com | saed khan
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: ই-মেইল: bankbima1@gmail.com