শনিবার ৩০ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Ad
x

শেয়ারহোল্ডারদের তোপের মুখে চার্টার্ড লাইফের এজিএম পণ্ড

সোমবার, ২৫ আগস্ট ২০২৫   প্রিন্ট   ৭০৩ বার পঠিত

শেয়ারহোল্ডারদের তোপের মুখে চার্টার্ড লাইফের এজিএম পণ্ড

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বীমা খাতের চতুর্থ প্রজন্মের কোম্পানি চার্টার্ড লাইফ ইন্সুরেন্স পিএলসি’র ১২তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) শেয়ারহোল্ডারদের তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদের মুখে পন্ড হয়েছে।

আজ অনুষ্ঠিত এজিএমে বিনিয়োগকারীরা অভিযোগ করেন, কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদনে স্বচ্ছতার অভাব, মুনাফা বণ্টনে অনিয়ম এবং আর্থিক খাতে নানা অসঙ্গতি রয়েছে।
বিনিয়োগকারীরা জানান, এজিএমে কথা বলতে চাইলে তাদেরকে কথা বলতে না দিয়ে তড়িঘড়ি করে এজিএম পাস না করেই চার্টার্ড লাইফের পরিচালকরা সটকে পড়েন।
এসময় শেয়ারহোল্ডাররা ধর ধর বলে ধাওয়া দিলে কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. নুরুল আকতার সহ অন্যান্য পরিচালকরা পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্থান ত্যাগ করেন।

শেয়ারহোল্ডাররা বলেন, চার্টার্ড লাইফ বহুদিন ধরেই শেয়ারবাজারের বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ উপেক্ষা করছে। এ অবস্থায় তারা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) হস্তক্ষেপ দাবি করেন।
চার্টার্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের ২০২৪ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে একের পর এক অনিয়ম ধরা পড়েছে। বীমা আইন, শ্রম আইন ও সিকিউরিটিজ আইন ভঙ্গ করে কোম্পানিটি আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ।

কোম্পানির চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) আবু আহমাদ কবির একাধিক স্থানে নিজেকে ‘ভারপ্রাপ্ত সিইও’ হিসেবে স্বাক্ষর করেছেন। অথচ বীমা আইন, ২০১০ অনুযায়ী, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা নিয়োগ বা পরিবর্তনে আইডিআরএ’র অনুমোদন আবশ্যক। অপরদিকে, বার্ষিক প্রতিবেদনে মুহাম্মদ আসিফ শামসকে সরাসরি সিইও হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন ।

পরিচালনা পর্ষদেও অনিয়ম রয়েছে। কোম্পানির উদ্যোক্তা পরিচালক ১১ জন হলেও স্বতন্ত্র পরিচালক রাখা হয়েছে মাত্র ২ জন। বিএসইসি’র কর্পোরেট গভর্নেন্স কোড, ২০১৮ অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কোম্পানিতে অন্তত ২০% স্বতন্ত্র পরিচালক থাকা বাধ্যতামূলক।

এছাড়া শ্রম আইন, ২০০৬ এর ধারা ২৩৪ অনুযায়ী শ্রমিকদের জন্য মুনাফার অংশ ফান্ডে (ডচচঋ) জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও চার্টার্ড লাইফ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। একইসঙ্গে, প্রথম তিন প্রান্তিকে মুনাফা দেখালেও শেষ প্রান্তিকে হঠাৎ লোকসান দেখিয়ে লভ্যাংশ না দেয়ার পথ তৈরি করা হয়েছে। যা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স, ১৯৬৯ এর ধারা ১৭ অনুযায়ী বিনিয়োগকারীদের বিভ্রান্ত করার শামিল।

Facebook Comments Box

Posted ০২:৪৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৫ আগস্ট ২০২৫

bankbimaarthonity.com |

আর্কাইভ ক্য

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১১৩১৫
১৬১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭
৩০৩১  
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com