|

Advertisement
×

গ্যাস আমদানির চাপ: ২৭০০ এমএমসিএফডি এলএনজি কি সামলাতে পারবে বাংলাদেশ?

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬   প্রিন্ট   ১৩ বার পঠিত

গ্যাস আমদানির চাপ: ২৭০০ এমএমসিএফডি এলএনজি কি সামলাতে পারবে বাংলাদেশ?

বর্তমান এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানির খরচ সামলাতেই যখন হিমশিম খাচ্ছে বাংলাদেশ, তখন আগামী দুই বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানির সক্ষমতা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে সরকার। ফলে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে—দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এই সম্প্রসারণ প্রয়োজন হলেও, এর ব্যয় বহন করার সক্ষমতা কি বাংলাদেশের আছে?

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, বিদ্যুৎ খাতের মতো এলএনজি অবকাঠামোতেও বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক দায়ের ফাঁদে পড়তে পারে। বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতা না থাকলেও যেমন ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়, তেমনি এলএনজি টার্মিনাল ব্যবহার কম হলেও ভাড়া, ঋণ ও সুদের দায় বহন করতে হবে।

এরই মধ্যে উচ্চ জ্বালানি ব্যয় জীবনযাত্রার খরচ বাড়াচ্ছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোও উৎপাদন ব্যয়ের চাপে রয়েছে। একই সময়ে পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ভর্তুকির প্রয়োজন বাড়ছে।

তাই নতুন এলএনজি অবকাঠামো তৈরির আগে এর অর্থনৈতিক সুফল ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় গভীরভাবে পর্যালোচনা করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজি সক্ষমতা ২৭০০ এমএমসিএফডি করার পরিকল্পনা

বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল রয়েছে। এগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা প্রতিদিন ১১০০ মিলিয়ন ঘনফুট (এমএমসিএফডি)।

গ্যাস সংকট মোকাবিলা এবং শিল্প খাতে সরবরাহ নিশ্চিত করতে ২০২৯ সালের মধ্যে আরও তিনটি টার্মিনাল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে মোট এলএনজি আমদানি সক্ষমতা বেড়ে দাঁড়াবে ২৭০০ এমএমসিএফডি।

পরিকল্পনার পেছনে যুক্তিও রয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ গ্যাসের মজুত কমছে, শিল্পকারখানায় গ্যাসের সংকট রয়েছে এবং গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।

তবে আমদানি করার সক্ষমতা তৈরি করলেই যে সেই গ্যাস কেনার অর্থ থাকবে, তা নিশ্চিত নয়।

দাম বাড়লে বিল পৌঁছাতে পারে ৩০ বিলিয়ন ডলারে

আন্তর্জাতিক বাজারে এলএনজির দাম অত্যন্ত অস্থির। ইরান যুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্পট মার্কেট থেকে প্রতি এমএমবিটিইউ প্রায় ২৯-৩০ ডলারে এলএনজি কিনতে হয়েছে। এর আগে ২০২২ সালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পরও বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা যায়।

যদি ২৭০০ এমএমসিএফডি সক্ষমতার এলএনজি অবকাঠামো পুরোপুরি ব্যবহার করা হয় এবং গড় দাম প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ ডলার হয়, তাহলে বছরে আমদানি ব্যয় প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। দাম ৩০ ডলার হলে এই ব্যয় প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলারে উঠতে পারে।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত Bloomberg-এর Global LNG Market Outlook 2030-এ ২০২৬ সালে বৈশ্বিক এলএনজির গড় দাম ১০ ডলারের নিচে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ৫ ডলারের নিচে নামার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল।

তবে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক সংকট কিংবা সরবরাহ বিঘ্নের মতো অপ্রত্যাশিত ঘটনা ভবিষ্যতের দামকে দ্রুত বদলে দিতে পারে।

জাতীয় বাজেটের বড় অংশ চলে যেতে পারে এলএনজিতে

২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাংলাদেশের জাতীয় বাজেটের আকার ৯.৩৮ লাখ কোটি টাকা। বর্তমান বিনিময় হার ধরে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে এলএনজির দাম যদি প্রতি এমএমবিটিইউ ২৮ ডলারে থাকে, তাহলে পরিকল্পিত ২৭০০ এমএমসিএফডি সক্ষমতার সমপরিমাণ গ্যাস আমদানিতে বছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হতে পারে।

অর্থাৎ, শুধু এলএনজি আমদানির ব্যয়ই জাতীয় বাজেটের এক-তৃতীয়াংশের বেশি হতে পারে।

টাকার আরও অবমূল্যায়ন হলে এই ব্যয় স্থানীয় মুদ্রায় আরও বাড়বে।

ডলার আয় সীমিত, আমদানি ব্যয় বিশাল

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশ বছরে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এই আয় ছিল ৮৩.৫ বিলিয়ন ডলার।

এর বিপরীতে বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলারের এলএনজি আমদানি ব্যয় হলে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর বড় চাপ তৈরি হবে।

বাংলাদেশকে একই সঙ্গে খাদ্য, সার, ভোজ্যতেল, শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, ওষুধের কাঁচামাল এবং অন্যান্য জ্বালানি আমদানিতেও বিপুল অর্থ ব্যয় করতে হয়। শুধু তেল, গ্যাস ও কয়লা আমদানিতেই বছরে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের বাণিজ্য ঘাটতিও ২৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।

ফলে এলএনজি আমদানির ব্যয় দ্রুত বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ আরও তীব্র হতে পারে।

শিল্পের জন্য সস্তা গ্যাস না হলে লাভ কোথায়?

বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি ও প্রবাসী আয় থেকে। কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে এই দুই খাতও ঝুঁকিমুক্ত নয়।

অন্যদিকে, অতিরিক্ত ব্যয়বহুল জ্বালানি শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে।

দেশের অনেক কারখানাই বর্তমানে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে লড়াই করছে। ভর্তুকি তুলে দিয়ে গ্যাসের দাম আরও বাড়ানো হলে এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ বাড়বে।

ফলে এলএনজি আমদানির মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ বাড়লেও সেই গ্যাসের উচ্চ মূল্য যদি শিল্পের উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে দেয়, তাহলে অতিরিক্ত রপ্তানি আয় দিয়ে আমদানি ব্যয় পুষিয়ে নেওয়া কঠিন হতে পারে।

এলএনজি টার্মিনালের খরচও কম নয়

এলএনজি কেনার খরচের পাশাপাশি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনার জন্যও বড় অঙ্কের অর্থ প্রয়োজন।

একেকটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণে সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৫ হাজার কোটি থেকে ১১ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত ব্যয় হতে পারে।

বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি টার্মিনালটি ২০১৬-১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক Excelerate Energy নির্মাণ করে। তখন এর নির্মাণ ব্যয় ছিল প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলার বা ২ হাজার ২১৪ কোটি টাকা।

এই টার্মিনালের জন্য পেট্রোবাংলাকে বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ২.৯ কোটি টাকা ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হয়। বছরে এর পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ৬৪ কোটি টাকা। ১৫ বছরের চুক্তিতে মোট ক্যাপাসিটি চার্জ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

এই হিসাবকে ভিত্তি ধরলে আরও তিনটি টার্মিনালের জন্য গড়ে প্রতিটিতে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হতে পারে। এসব টার্মিনালের ক্যাপাসিটি চার্জও প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

সব মিলিয়ে পাঁচটি টার্মিনালের ক্ষেত্রে মোট দায় প্রায় ৭৫ হাজার কোটি টাকা বা ৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।

অব্যবহৃত টার্মিনাল হতে পারে ‘বোঝা’

সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো, টার্মিনাল তৈরি হলেও ভবিষ্যতে উচ্চ দাম বা ডলারের সংকটের কারণে বাংলাদেশ পর্যাপ্ত এলএনজি আমদানি করতে না পারতে পারে।

কিন্তু টার্মিনাল যতটুকু ব্যবহারই হোক না কেন, ভাড়া, ঋণ এবং সুদের দায় থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে না।

বিদ্যুৎ খাত এর একটি বড় উদাহরণ। অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন না করলেও সরকারকে ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে। গড়ে বছরে এই খাতে ২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধ করা হয়। শুধু ২০২৫ সালেই এই ব্যয় ৪২ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে।

এলএনজি খাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হলে তা সরকারের আর্থিক চাপ আরও বাড়াতে পারে।

ঋণের চাপও বাড়ছে

২০২৬ সালের শুরুতে বাংলাদেশের সরকারি ঋণ ২২ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। প্রতি বছর এই ঋণ প্রায় ১.৫ লাখ কোটি টাকা করে বাড়ছে।

এর সঙ্গে বাড়ছে সুদ পরিশোধের চাপ।

এ অবস্থায় বড় অঙ্কের ঋণ নিয়ে ব্যয়বহুল জ্বালানি অবকাঠামো তৈরি করলে ভবিষ্যতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পরিবর্তে তা অর্থনীতির ওপর বাড়তি বোঝা হয়ে উঠতে পারে।

অন্যদিকে সরকার একই সময়ে তিনটি নতুন এলএনজি টার্মিনাল, ১৫০টি কূপ খননের মাধ্যমে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান এবং ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে।

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প সফল হলে ব্যয়বহুল এলএনজি অবকাঠামোর একটি অংশ ভবিষ্যতে কম ব্যবহার হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

সৌরবিদ্যুৎ কি তুলনামূলক সস্তা বিকল্প?

জুরিখভিত্তিক SolAbility-এর Global LNG Market Outlook 2026–2035 প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও ফিলিপাইনের মতো কয়েকটি দেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকতে গিয়ে কিছু এলএনজি প্রকল্প বাতিল করছে।

এর একটি কারণ হলো এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুতের তুলনামূলক বেশি খরচ। প্রতিবেদনে এলএনজি-ভিত্তিক বিদ্যুতের ব্যয় প্রতি মেগাওয়াট ঘণ্টায় ৮০-১২০ ডলার পর্যন্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বিপরীতে ব্যাটারি সংরক্ষণসহ সৌরবিদ্যুতের ব্যয় প্রতি মেগাওয়াট ঘণ্টায় প্রায় ৩০-৪০ ডলার।

তাই নতুন এলএনজি টার্মিনাল অনুমোদনের আগে দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, পুরোনো গ্যাসকূপ সংস্কার, গ্যাস সঞ্চালন অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পে জ্বালানি দক্ষতা, সৌরবিদ্যুৎ এবং বিদ্যুৎ গ্রিড আধুনিকায়নের সঙ্গে এর ব্যয় ও সুফল তুলনা করা প্রয়োজন।

আগের পরিকল্পনা থেকে কি শিক্ষা নেওয়া হচ্ছে?

২০২৩ সালে জাপানের সহায়তায় আগের সরকার Integrated Energy and Power Master Plan (IEPMP) চূড়ান্ত করেছিল। ওই পরিকল্পনায় ২০৪০ সালের মধ্যে সর্বোচ্চ ৫০০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানির সুযোগ এবং এলএনজি টার্মিনালসহ জ্বালানি অবকাঠামোয় ১৭৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব ছিল।

তবে পরিকল্পনাটির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মধ্যে প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে জাপানের বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং এশিয়ায় এলএনজি বাণিজ্য ও গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে দেশটির বিনিয়োগের বিষয়টি নিয়েও আলোচনা হয়েছে।

আগের সরকারের পরিবর্তনের পর IEPMP-এর গুরুত্ব কমলেও বাংলাদেশের জ্বালানি কৌশলের মৌলিক পরিবর্তন কতটা হয়েছে, সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

বাংলাদেশের স্বল্পমেয়াদে এলএনজি প্রয়োজন—বিশেষ করে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন কমে যাওয়া এবং শিল্প খাতে সরবরাহ সংকটের কারণে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এলএনজিকে জ্বালানি সংকটের একমাত্র সমাধান হিসেবে দেখা ঝুঁকিপূর্ণ।

মূল প্রশ্ন এখন সামর্থ্যের

বাংলাদেশ যদি আজ ১১০০ এমএমসিএফডি এলএনজি আমদানির খরচ ও সরবরাহ নিশ্চিত করতে হিমশিম খায়, তাহলে আগামী দুই বছরের মধ্যে ২৭০০ এমএমসিএফডি আমদানি কীভাবে নিশ্চিত করবে?

তার চেয়েও বড় প্রশ্ন—এত বিপুল এলএনজি আমদানির বিল পরিশোধ করবে কীভাবে?

নতুন টার্মিনাল নির্মাণের আগে তাই ১০, ২০ ও ৩০ ডলার—এই তিনটি সম্ভাব্য এলএনজি মূল্যের ভিত্তিতে সরকারের পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক হিসাব প্রকাশ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বছরে কত বৈদেশিক মুদ্রা লাগবে, অর্থের উৎস কী হবে এবং টার্মিনাল কম ব্যবহার হলেও কত ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হবে—এসব তথ্যও প্রকাশ করা জরুরি।

কারণ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গিয়ে বাংলাদেশ যেন নতুন কোনো ‘এলএনজি ফাঁদে’ না পড়ে, সেটিই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

Facebook Comments Box

Posted ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com