|

Advertisement
×

‘টি প্লাস জিরো সেটেলম্যান্ট’র দাবি সিএসই’র

রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২০   প্রিন্ট   ৭৩৮ বার পঠিত

‘টি প্লাস জিরো সেটেলম্যান্ট’র দাবি সিএসই’র

পুঁজিবাজার গতিশীল করতে শেয়ার লেনদেন নিষ্পত্তির সময় কমানোর দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)। প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কাছে ‘টি প্লাস জিরো সেটেলম্যান্ট’র দাবি জানিয়েছে।

সিএসইর নতুন পরিচালনা পর্ষদ বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. খায়রুল হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে গিয়ে এ প্রস্তাব দেন বলে রোববার সিএসইর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

টি প্লাস জিরো সেটেলম্যান্ট হলো-একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনার সঙ্গে সঙ্গে তা তার বিও হিসাবে জমা হবে। আর যে বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করবেন তার হিসাবে সঙ্গে সঙ্গে শেয়ারের মূল্য জমা হবে।

বর্তমানে শেয়ারবাজার ‘টি প্লাস টু সেটেল্যোন্ট’ পদ্ধতি চালু রয়েছে। এ পদ্ধতিতে একজন বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনার পর তৃতীয় কার্যদিবসে তার বিও হিসাবে ওই শেয়ার জমা হয়। একইভাবে কোনো বিনিয়োগকারী শেয়ার বিক্রি করলে তৃতীয় কার্যদিবসে তার মূল্য পান।

‘টি প্লাস জিরো সেটেলম্যান্ট’র পাশাপাশ সিএসইর পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানটির নতুন চেয়ারম্যান আসিফ ইব্রাহিম বিএসইসির চেয়ারম্যানের কাছে নেটিং, এপিআই শেয়ারিং’র সময়োপযোগী কিছু পরিবর্তন করার দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে পুঁজিবাজারকে আরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তুলনামূলকভাবে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে জিডিপির পার্সেন্টেজের সঙ্গে মার্কেট ক্যাপ আরও বেশি হওয়া প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে আরও কোম্পানি পুঁজিবাজারে আনতে সিএসই এবং বিএসইসিকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে। বিশেষ করে স্মল ক্যাপ কোম্পানি পুজিঁবাজারে আনতে উভয়ের সমন্বিত উদ্যোগ পুঁজিবাজারকে গতিশীল করবে।

সাক্ষাতে বিএসইসির চেয়ারম্যান খায়রুল হোসেন বলেন, স্টক এক্সচেঞ্জকে কেন্দ্র করেই পুঁজিবাজারের সব ধরনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে থাকে। সে ক্ষেত্রে এক্সচেঞ্জের পরিচালনা পর্ষদের কাছে বিনিয়োগকারীদের প্রত্যাশা সবসময়ই বেশি। স্বতন্ত্র পরিচালকদের কর্মকাণ্ডের ওপরই নির্ভর করে বিনিয়োগকারীদের আস্থা। সেই সঙ্গে নির্ভর করে বাজারের গতিশীলতা। আমাদের সকলের উদ্দেশ্য পুঁজিবাজারকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া। এই লক্ষ্যে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে বিএসইসির পক্ষ থেকে সর্বাত্মক নীতিগত সহযোগিতা দেয়া হবে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএসইসিএর কমিশনার অধ্যাপক মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী, ড. স্বপন কুমার বালা, খোন্দকার কামালুজ্জামান, ফরহাদ আহমেদ, নির্বাহী পরিচালক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, মো. সাইফুর রহমান, মো. মাহবুবুল আলম প্রমুখ।

সিএসইর প্রতিনিধিদলে ছিলেন সোহেল মাহমুদ সাকুর, লিয়াকত হোসেন চৌধুরী, আনিতা গাজী ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী, মো. ছায়াদুর রহমান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন-উর-রশিদ এবং মহাব্যবস্থাপক ও সিএসই ঢাকা অফিস ইন-চার্জ মো. গোলাম ফারুক।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৩:৪১ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২০

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com