রবিবার ৭ জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৪ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

Ad
x

বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে অর্থপাচার একটি জটিল সমস্যা

মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫   প্রিন্ট   ৭৫১ বার পঠিত

বাংলাদেশের মতো দেশগুলোতে অর্থপাচার একটি জটিল সমস্যা

অর্থপাচার সারা বিশ্বব্যাপী একটি জটিল সমস্যায় পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে এই সমস্যা সবচেয়ে মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। কোনোভাবেই অর্থপাচার রোধ করা যাচ্ছে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগে গঠিত শ্বেতপত্র কমিটি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ২০০৯ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ থেকে মোট ২৩ হাজার ৪০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমতুল্য ২৮ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি বছর গড়ে ১ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে। কয়েক বছর আগে ওয়াশিংটন ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইনটিগ্রিটি (জিএফআই) তাদের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল, বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ অর্থ পাচার হয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে। পণ্য আমদানিকালে ওভার ইনভয়েসিং এবং পণ্য রপ্তানিকালে আন্ডার ইনভয়েসিংয়ের মাধ্যমে এই অর্থ পাচার হয়। সংস্থাটি বলেছিল, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ৬৪ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়। বিভিন্ন অন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনে বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচারের চিত্র ফুটে উঠেছে। সম্প্রতি আমরা অর্থপাচারের বিষয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করি।
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার গবেষণায় দেখা গেছে, তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলো থেকে প্রতি বছর যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিভিন্ন দেশে পাচার হয় তার চার ভাগের তিন ভাগ অর্থ পাচার হয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে। কোনো কোনো দেশ থেকে পাচারকৃত অর্থের ৮০ শতাংশেরও বেশি পাচার হয়ে থাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আড়ালে। পণ্য আমদানিকালে অতিমূল্যায়ন এবং পণ্য রপ্তানিকালে অবমূল্যায়নের মাধ্যমে এই অর্থ পাচার করা হয়। বাংলাদেশের জন্য অর্থ পাচার একটি জটিল সমস্যা এবং এই সমস্যা থেকে কোনোভাবেই পরিত্রাণ পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থ পাচারের ঘটনা বিভিন্ন সময় উদঘাটন করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে ব্যক্তি পর্যায়ে অর্থপাচারের ঘটনার বিষয় অনেক সময় জানা যায়। কিন্তু অর্থপাচারের অভিযোগে দোষীদের বিচারের মাধ্যমে শাস্তি প্রদানের ঘটনা খুব একটা নেই বললেই চলে। তার অর্থ হচ্ছে আপনার কাছে অর্থ পাচার বিরোধী আইন আছে। আইনে বিচারের মাধ্যমে অপরাধিদের শাস্তি প্রদানের বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে সেই আইনের প্রয়োগ নেই। আইনের মাধ্যমে কাউকে শাস্তি দেয়া হয়েছে এমন নজীর নেই। তার অর্থ হচ্ছে, অর্থপাচার সংক্রান্ত বিদ্যামান আইনের কোনো স্থানে ফাঁক আছে। আমরা যে স্টাডি করি তার উদ্দেশ্য ছিল, অর্থপাচার সংক্রান্ত আইনের ফাঁকগুলো খুঁজে বের করা এবং কেনো আমরা অর্থপাচারকারীদের শাস্তির আওতায় আনতে পারছি না তার কারণ অনুসন্ধান করা। সিঙ্গাপুরে অর্থপাচার রোধে আইনের বাস্তবায়নের অবস্থা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক ভালো। তারা বিগত এক বছরে ৯টি ব্যাংককে বড় অঙ্কের জরিমানা করেছে। অর্থপাচারকারীদের অনেককে জেলে আটক করা হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশে গত এক বছরে অর্থপাচারের অভিযোগে কাউকে শাস্তির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। তার অর্থ হচ্ছে, আইনের কঠোর প্রয়োগ থাকার কারণে সিঙ্গাপুরের চেয়ে বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচারের আশঙ্কা নিশ্চিতভাবেই অনেক বেশি। আমরা বলি, বাংলাদেশ থেকে অর্থপাচার হচ্ছে। অথচ আমরা অর্থপাচারকারীদের ধরে শাস্তির আওতায় আনতে পারছি না। তার অর্থ হচ্ছে দেশে আইন থাকলেও তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে।
দেশে ব্যবসায়রত ব্যাংকগুলোর দুই-তৃতীয়াংশকে আমাদের গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের চেষ্টা করেছি। অর্থপাচার রোধে আন্তর্জাতিকভাবে অনুসৃত নীতিগুলো এ ক্ষেত্রে অনুসরণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ২০১৯ সালে অর্থপাচার রোধে যে গাইড লাইন ইস্যু করা হয়েছিল সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলো তা কতটা বাস্তবায়ন করেছে আমরা তা পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করেছি। গাইডলাইনের ৪টি পিলার আছে যা বাস্তবায়ন পর্যায়ে বিবেচনা করার প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ অবকাঠামো পর্যায়ে, গ্রাহক পর্যায়ে, লেনদেন পর্যায়ে এবং এন্টারপ্রাইজ লেভেলে দেখা হয়। এই পিলারগুলো বাস্তবায়নের জন্য বাড়তি অর্থ বিনিয়োগের ব্যাপার আছে। একই সঙ্গে দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়টিও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। অনেকগুলো বিষয় আছে যা পরিমাপ করা যায় আবার কোনো কোনো বিষয় আছে যা পরিমাপ করা যায় না। আমরা মতামত জরিপের মাধ্যমে সার্কুলারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করার চেষ্টা করেছি। যেখানে প্রয়োগের ব্যবধান লক্ষ্য করা গেছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে বাস্তবায়নের সফলতার যে দাবি করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি তার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ মনে হয়নি। অর্থাৎ প্রয়োগ ব্যবধান বাস্তব ক্ষেত্রে হয়তো আরো বেশি। সার্বিকভাবে আমাদের গবেষণায় প্রতীয়মান হয়েছে, ব্যাংকগুলো অর্থপাচার রোধে বিদ্যমান আইন ও গাইডলাইন বাস্তবায়নে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। জারিকৃত সার্কুলার সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে কিনা এ ব্যাপারটি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক যথাযথভাবে পরিমাপ এবং এজন্য পর্যাপ্ত প্রণোদনাও নিশ্চিত করা হয়নি। আইনে অপরাধিকে শাস্তি দেবার বিধান আছে। কিন্তু শুধু শাস্তির বিধান থাকলেই তো চলবে না। যিনি অপরাধ করেছেন তাকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এটা না করা গেলে আইন কোনোভাবেই কার্যকর করা সম্ভব নয়। বাংলাদেশে থেকে অর্থপাচার রোধের ক্ষেত্রে ঠিক সেই কাজটিই আমার করতে পারিনি। আইন আছে। আইনে শাস্তির বিধান রয়েছে কিন্তু অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগের অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। জারিকৃত আইন কতটা বাস্তবায়িত হলো বা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা কি এসব ভালোভাবেই যাচাই করা দরকার ছিল কিন্তু সেখানেই আমাদের ব্যর্থতা রয়েছে।
অর্থপাচার রোধকল্পে জারিকৃত আইনগুলো বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক সময় নির্ধারণ করে দিতে পারে। যেসব ব্যাংক আইন বাস্তবায়নে দক্ষতার পরিচয় দিতে পারবে তাদের পুরস্কৃত করা যেতে পারে। আর যারা আইন বাস্তবায়নে ব্যর্থ হবে তাদের জরিমানাসহ বিভিন্ন ধরনের শাস্তি দেয়া যেতে পারে। এজন্য একটি বিশেষ ফান্ড তৈরি করা যেতে পারে। যেসব ব্যাংক অর্থপাচার রোধে প্রণীত আইন সঠিকভাবে বাস্তবায়িত করতে পারবে তাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পুরস্কার দেয়া যেতে পারে। যেসব ব্যাংক আইন প্রয়োগে ব্যর্থ হবে তাদের জরিমানা করে সেই জরিমানার অর্থ সফল ব্যাংকগুলোকে পুরস্কার হিসেবে দেয়া যেতে পারে। এছাড়া যেসব ব্যাংক আইন বাস্তবায়নে সফল হবে তাদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শকদল প্রতি বছরের পরিবর্তে দুই বছর অন্তর সুপারভিশনে যাবে- এরকম কিছু প্রণোদনা থাকতে পারে। যেসব ব্যাংক আইন বাস্তবায়নে ব্যর্থ হবে তাদের ক্ষেত্রে প্রতি বছর সুপারভিশনে যাওয়া যেতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংকে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল আছে তার সুদের হার ভিন্ন করা যেতে পারে। যেসব ব্যাংক অর্থ পাচার রোধে প্রণীত আইন বাস্তবায়নে সফল হবে তাদের ক্ষেত্রে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সুদের হার তুলনামূলক কম হবে। আর যারা আইন বাস্তবায়নে ব্যর্থ হবে তাদের ক্ষেত্রে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সুদের হার বেশি হবে।
ব্যাংক খাতে সংক্রান্ত তথ্যাদি পর্যবেক্ষণকালে আমরা একটি বিষয় লক্ষ্য করি, যেসব দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের হার বেশি সেই সব ক্ষেত্রে অর্থপাচার বেশি হয়েছে। বাংলাদেশের ব্যাংক ব্যবস্থায় খেলাপি ঋণের হার অন্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি। সুতরাং এই খাতের মাধ্যমে অর্থপাচার হবার আশঙ্কাও তত্ত্বগতভাবে বেশি। সার্বিক লক্ষণসমূহও সে ব্যপারটা নির্দেশ করে। খেলাপি ঋণের যে অংশ দেশে থাকে তাতে ক্ষতির পরিমাণ তুলনামূলকভাবে কম হয়। আর যে অংশ দেশের বাইরে চলে যায় তার ক্ষতির পরিমাণ বেশি। যে অর্থ দেশের উন্নয়নে ব্যয়িত হতে পারতো তা অন্য দেশের উন্নয়নে ব্যবহৃত হচ্ছে। খেলাপি ঋণের যে অংশ বিদেশে চলে যাচ্ছে বা পাচার করা হচ্ছে তার সঠিক পরিসংখ্যান আমরা জানি না বা জানা সম্ভব না। এমনকি দেশের ব্যাংক খাতের খেলাপি ঋণের মধ্যে কত অংশ বৈদেশিক বাণিজ্যের সাথে সর্ম্পকিত তার হিসাবও আমাদের কাছে নাই। ব্যাংকগুলো অধিকাংশ সময়ই বাণিজ্য বিষয়ক খেলাপি ঋণকে টার্ম লোনে কনভার্ট করে রিপোর্ট করে থাকে। ফলে বুঝার উপায় থাকে না কি পরিমাণ বাণিজ্য সংক্রান্ত খেলাপি ঋণ যা অধিক ঝুঁকিপূর্ণ এবং অর্থ পাচারের সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে।
আমরা যে সুপারিশ করছি, ব্যাংকগুলোকে বাণিজ্য বিষয়ক খেলাপি ঋণকে আলাদাভাবে প্রকাশ করতে হবে। পণ্য আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকদের মধ্যে যখন বাণিজ্য চুক্তি হয় তখন আমদানি পণ্যের মূল্য বাড়িয়ে বা কমিয়ে দেখানো হয়। এ সমস্ত পণ্যের সঠিক মূল্য নির্ধারণ করা অবশ্যই সহজ কাজ নয়। এছাড়া বাণিজ্য চুক্তিগুলোর বেশিরভাগেরই আইনগত ভিত্তি নাই। যার ফলে কোন ধরণের সমস্যা বা চুক্তি ভঙ্গ হলে আইনগত সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকে না। এজন্য সরকার এবং নিয়ন্ত্রণ সংস্থার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার সুযোগ আছে। অন্য দেশগুলো বা আমাদের বাণিজ্য সহযোগীরা এক্ষেত্রে সব সময় সহযোগিতা করবেন এমন আশা করা ঠিক নয়। উন্নত দেশগুলো অর্থপাচার রোধে আন্তরিক নয় বলে অনেকেই অভিযোগ করে থাকেন। প্রশ্ন হলো, উন্নত দেশগুলো অর্থপাচার রোধে আন্তরিক কেনো হবে? আমাদের মতো দেশ থেকে টাকা উন্নত দেশে চলে যায়। কাজেই অর্থপাচার হলে উন্নত দেশগুলোর তো কোনো ক্ষতি নেই। ক্ষতি যা হবার তা উন্নয়নশীল দেশের হয়। এমন অনেক দেশ আছে যারা অর্থপাচারকে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে উৎসাহিত করে থাকে। যেমন অনেক দেশ সেকেন্ড হোক নামে প্রকল্পের মাধ্যমে অন্য দেশ থেকে পাচারকে উৎসাহিত করে চলেছে। কোনো বিদেশে নাগরিক একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ এ সমস্ত দেশে বিনিয়োগ করলে তাদের অর্থের উৎস সম্পর্কে তেমন কোনো প্রশ্ন উত্থাপন করা হয় না। উপরন্তু সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে নাগরিকত্ব প্রদান করা হয়। উন্নত দেশগুলো পাচারকৃত অর্থ ফেরতদানের ক্ষেত্রে আন্তরিক হবে এমনটা আশা করা ঠিক হবে না এবং স্বল্পোন্নত দেশ থেকে অর্থপাচার হয়ে গেলে তা ফেরত আনা প্রায়শই সম্ভব হয় না।
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর যে বিপুল পরিমাণ অর্থপাচার হচ্ছে তার মধ্যে ৭৫ শতাংশই হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মাধ্যমে। আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং প্রয়োজনে আরো কঠিন আইন প্রণয়ন করা যেতে পারে। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান নির্বিশেষে বিদ্যমান আইনের কঠোর বাস্তবায়ন করা প্রয়োজন। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে দেশে যতটুকু এ সংক্রান্ত আইন আছে তার যথাযথ বাস্তবায়নের সর্বোচ্চ চেষ্ঠা করা। কারণ একবার অর্থ বিদেশে পাচার হয়ে গেছে তা ফিরিয়ে আনা খুবই কঠিন কাজ। তাই অর্থপাচার রোধে পূর্ব সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

Facebook Comments Box

Posted ০৫:১০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৯ জুলাই ২০২৫

bankbimaarthonity.com |

আর্কাইভ ক্য

শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
 
১০১১
১৩১৫১৬১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭৩০  
সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com