এম এ খালেক
রবিবার, ০৩ আগস্ট ২০২৫ প্রিন্ট ৭০২ বার পঠিত
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি যতটা আলোড়ন সৃষ্টি করেছে আর কোনো অর্থনৈতিক ইস্যু তা পারেনি। জাত ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্র্যাম্প প্রথমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতি ঘোষণা করেছিলেন। অর্থাৎ সব ক্ষেত্রেই আমেরিকাকে তিনি শীর্ষ স্থানে দেখতে চেয়েছিলেন। দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবার পর ডোনাল্ড ট্র্যাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নের উপরে বেশি গুরুত্বারোপ করেন। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানকে আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ব্যতিক্রমধর্মী কৌশল গ্রহণ করেন। এই কৌশলের অন্যতম হচ্ছে মার্কিন শুল্কনীতির নীতির পুনর্বিন্যাসকরণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সেই দেশ যারা বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজেদের শক্তিমত্তা প্রদর্শন করতে সক্ষম হলেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দেশটি এখনো তেমন কোনো সাফল্য প্রদর্শন করতে পারেনি। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আন্তর্জাতিকভাবে একটি বাণিজ্য ঘাটতির দেশ হিসেবে পরিচিত। বিশ্বের অন্তত ৬০টি দেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিপুল বাণিজ্য ঘাটতে রয়েছে। কোনোভাবেই দেশটি বিদ্যমান বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে পারছে না। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি মাত্রায় বাণিজ্য ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে চীনের সঙ্গে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোনোভাবেই চীনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে সুবিধা করতে পারছে না। বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে না পেরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করে চলেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে চীনা সস্তা পণ্যের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। কোনোভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় উৎপাদকগণ চীনা পণ্যের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই অভিযোগ করে, চীন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের নিমিত্তে দেশটি মার্কিন ডলারের বিপরীতে চীনা স্থানীয় মুদ্রার বিনিময় হার পরিকল্পিতভাবে অবমূল্যায়িত করে রাখে। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের একটি সাধারণ কৌশল। কোনো দেশ যখন স্থানীয় মুদ্রার বিনিময় হার অব্যমূল্যায়িত করে রাখে তখন সেই দেশের রপ্তানিকারকগণ একই পরিমাণ পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে স্থানীয় মুদ্রায় আগের তুলনায় বেশি অর্থ পেয়ে থাকে। এ জন্য তাদের কোনো বাড়তি অর্থ ব্যয় করতে হয় না। একটি উদাহরণ দেয়া যেতে পারে। মনে করি, বাংলাদেশের একজন পণ্য উৎপাদক একটি পণ্য তৈরি করে তা বিদেশে রপ্তানি করলো। এর মাধ্যমে তিনি ১ মার্কিন ডলার আয় করলেন। মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকার বিনিময় হার যদি ১০০ টাকা হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারক এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১০০ টাকা পাবেন। অন্য কিছু অপরিবর্তিত থাকা অবস্থাতে বাংলাদেশ যদি প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা টাকার বিনিময় হার অবমূল্যায়ন করে প্রতি মার্কিন ডলারের বিপরীতে ১১০ টাকা নির্ধারণ করে তাহলে পণ্য রপ্তানিকারক আগের মতো ১ মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে তিনি সেই মার্কিন ডলার যখন স্থানীয় মুদ্রায় কনভার্ট করবেন তখন তিনি আগের তুলনায় ১০ টাকা বেশি পাবেন। অর্থাৎ আগে যেখানে তিনি এক মার্কিন ডলারের বিনিময়ে স্থানীয় মুদ্রা ১০০টাকা পেতেন। এখন অবমূল্যায়নের কারণে পাবেন ১১০ টাকা। কিন্তু এই বাড়তি ১০ টাকা পাবার জন্য রপ্তানিকারককে কোনো বাড়তি ব্যয় বা পরিশ্রম করতে হবে না। তার উৎপাদন খরচ আগের মতোই থাকবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ করলেও চীন সব সময়ই তা অস্বীকার করে আসছে। চীন বলছে তারা পরিকল্পিতভাবে স্থানীয় মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটাচ্ছে না। স্থানীয় স্বাভাবিক নিয়মেই অবমূল্যায়িত বা অতি মূল্যায়িত হচ্ছে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত এপ্রিল মাসে বিভিন্ন দেশের রপ্তানি পণ্যের উপর উচ্চ হারে বাড়তি শুল্কারোপের ঘোষণা দিলে বিশ্বব্যাপী প্রচন্ড আলোড়ন সৃষ্টি হয়। অনেকে মনে করছিলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হয়তো চীনকে শিক্ষা দেবার জন্যই এমন উচ্চ হারে বাড়িত শুল্কারোপের উদ্যোগ েিনয়ছে। এমনিতে স্বাভাবিক অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশকে গড়ে ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক প্রদান করতে হচ্ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র খসড়া শুল্ক নীতিতে চীনের পণ্যের উপর ১২৫ শতাংশ হারে বাড়তি শুল্কারোপের ঘোষণা দিয়েছিল। এর বিপরীতে চীনও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের উপর উচ্চ হারে বাড়তি শুল্কারোপের ঘোষণা দিয়েছিল। সেই সময় চীন বলেছিল, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিকট কোনোভাবেই নতজানু হবে না। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাড়তি শুল্কারোপের বিপরীতে মার্কিন পণ্যের উপরও প্রতিশোধমূলক বাড়তি শুল্কারোপ করবে। এই অবস্থায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চীনের প্রতি নমনীয় আচরণ করার ঈঙ্গিত দেয়। তারা তিন মাসের জন্য বাড়তি শুল্কারোপের সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য ছিল এই সময়ের মধ্যে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিভিন্ন দেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে উচ্চ হারে বাড়তি শুল্কারোপের ঘোষণা দেবার কারণে বিশ্বব্যাপী তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র হচ্ছে বিশ্বের এক নম্বর অর্থনৈতিক শক্তি। তারা বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ পণ্য প্রতি বছর আমদানি করে থাকে। মার্কিন ভোক্তা শ্রেণির ক্রয় ক্ষমতা এবং ক্রয়ের ইচ্ছে দু’টোই বেড়েছে। এমন অনেক দেশ আছে যাদের রপ্তানি বাণিজ্যিক কার্যক্রম বহুলাংশে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপর নির্ভরশীল। এসব দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতির কারণে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বিকাশ এবং রপ্তানি বাণিজ্যে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠার পেছনে একক দেশ হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অঞ্চল হিসেবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ১৯৭৬ সাল থেকে বাংলাদেশকে জিএসপি(জেনারালাইজড সিস্টেম অব প্রেফারেন্স) সুবিধা প্রদান করে এসেছে। জিএসপি সুবিধা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশে শুল্কম্ক্তুভাবে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রাথমিক পর্যায়ে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে কোটা সুবিধা প্রদান করতো। কোটা সুবিধার আওতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য আমদানি করতো। ২০০৫ সালে বিশ্বব্যাপী মুক্ত বাণিজ্য অনুসৃত হবার ফলে সব ধরনের কোটা সুবিধা বাতিল হয়ে যায়। সেই সময় বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বিপর্যয় নেমে আসার আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশকে সীমিত পরিসরে জিএসপি সুবিধা প্রদান করে। ফলে তৈরি পোশাক শিল্প প্রাথমিক বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন মিলে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক সামগ্রির ৮০ শতাংশেরও বেশি আমদানি করে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক সামগ্রির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আন্তর্জাতিক তৈরি পোশাক বাজারে বাংলাদেশের অংশিদারিত্ব হচ্ছে ৬ দশমিক ৯২ শতাংশ। এর একটি বড় অংশই আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে। আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক সামগ্রীর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি হচ্ছে ভিয়েতনাম ও ভারত। কাজেই ভারত এবং ভিয়েতনামের পণ্যের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চূড়ান্ত পর্যায়ে কি পরিমাণ শুল্কারোপ করে তা নিয়ে বাংলাদেশি রপ্তানিকারকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল। কারণ ভিয়েতনাম এবং ভারতের পণ্যের উপর প্রাথমিক পর্যায়ে উচ্চ হারে শুল্কারোপ করা হলেও ভিয়েতনাম তার রপ্তানি পণ্যের উপর বাড়তি শুল্ক যৌক্তিকভাবে কমিয়ে আনতে সক্ষম হলেও বাংলাদেশ এ ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোনো সফলতা প্রদর্শন করতে পারেনি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তিন মাস আগে বিভিন্ন দেশের নিকট থেকে আমদানিযোগ্য পণ্যের উপর বাড়তি শুল্কারোপের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা শুরু করে। তারা শুল্ক কমানোর জন্য লবিস্ট নিয়োগ করে। বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের উপর প্রাথমিকভাবে ৩৭ শতাংশ বাড়তি শুল্কারোপ করা হয়েছিল। পরবর্তীতে তা ৩৫ শতাংশে কামিয়ে আনা হয় এবং চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ২০ শতাংশ বাড়তি শুল্কারোপ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সবচেয়ে উদ্বিগ্ন ছিল ভিয়েতনাম এবং ভারতের উপর আরোপিত তুলনামূলক স্বল্প শুল্কহার নিয়ে। কারণ আন্তর্তাহিক বাজারে ভিয়েতনাম হচ্ছে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকজাত পণ্যের সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দি। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে তৈরি পোশাকজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশিদারিত্ব হচ্ছে ৬ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর ভিয়েতনামের অংশিদারিত্ব হচ্ছে ৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। ভারত অবশ্য আরো খানিকটা পিছিয়ে আছে। কিন্তু বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের উপর ৩৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক অব্যাহত থাকলে ভিয়েতনাম এবং ভারতের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়তো।
বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের পণ্যের উপর বর্তমানে আরোপিত ১৫ শতাংশ গড় শুল্ক বাহাল থাকবে। দ্বিতীয়বার বর্ধিত শুল্কহার যেভাবে পুনর্বিন্যাস করা হয়েছিল তা বহাল থাকলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির জন্য সার্বিকভাবে ৫০(৩৫+১৫=৫০শতাংশ) শতাংশ শুল্ক প্রদান করতে হবে। আর ভিয়েতনামকে মোট শুল্ক প্রদান করতে হতো ৩৫(২০+১৫=৩৫শতাংশ) শতাংশ। অর্থাৎ বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের মধ্যে মোট আরোপিত শুল্কের ব্যবধান দাঁড়াতো ১৫ শতাংশ। তবে আশার কথা এই যে, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের উপর আরোপিত শুল্ক হার ৩৭ শতাংশ থেকে ৩৬ শতাংশ এবং পরবর্তীতে তা ২০ শতাংশে নামিয়ে আনার ফলে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামকে এখন একই হারে শুল্ক প্রদান করতে হবে। ভারতকে বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের রপ্তানি পণ্যের চেয়ে ৬ শতাংশ বেশি শুল্ক প্রদান করতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে আরো একটি মারাত্মক শর্তারোপ করেছে। ট্র্যাম্প প্রশাসন বলেছে, ভারত আমাদের বন্ধু দেশ। তাই তাদের রপ্তানি পণ্যের উপর যৌক্তিকভাবে বাড়তি শুল্কারোপ করা হয়েছে। তবে ভারত যদি রাশিয়া থেকে যুদ্ধাস্ত্র এবং সামরিক সরঞ্জাম ক্রয় করে দেশটির উপর শাস্তিমূলক শুল্কারোপ করা হবে। রাশিয়া ভারতের সামরিক অস্ত্রের অন্যতম যোগানদার। তাই তারা চাইলেই রাশিয়া থেকে অস্ত্র আমদানি বন্ধ অথবা কমাতে পারবে না। যদি সত্যি সেটি হয় তাহলে আগামীতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ভারতীয় পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বিপদে পড়তে হবে।
যাই হোক মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাকজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে যে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল তা থেকে বাংলাদেশ আপাতত রক্ষা পেয়েছে এটাই শান্তনা। তবে আলোচনার উদ্যোগ আরো আগেই গ্রহণ করা উচিত ছিল।
Posted ০৬:২৪ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৩ আগস্ট ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com