নিজস্ব প্রতিবেদক
সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট ১০৯ বার পঠিত
বীমা আইন, ২০১০-এ নতুন একটি ধারা সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ধারায় জনস্বার্থে সরল বিশ্বাসে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপদেষ্টা বা পরামর্শকের বিরুদ্ধে দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা কিংবা অন্য কোনো আইনগত কার্যক্রম গ্রহণের ক্ষেত্রে সুরক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আইনটির অধিকতর সংশোধনের জন্য প্রণীত প্রস্তাবনায় এ সংক্রান্ত নতুন ধারা ১৫৮ক সংযোজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। ২২ সেপ্টেম্বর বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন স্বাক্ষরিত প্রস্তাবনা অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পাঠানো হয়েছে।
তবে আইনটিতে এই ধারা সংযোজনের বিষয়ে দেশের বীমা মালিকদের সংগঠন (বিআইএ) অথবা বীমা কোম্পানিগুলোর মুখ্য নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামসহ অন্যান্য অংশীজনদের সঙ্গে কোনো আলোচনা কিংবা মতামতই নেয়নি আইডিআরএ। যা নজিরবিহীন। একইসঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে বীমা আইনে এ ধরনের ধারা সংযোজন উপযোগী কি না ; কিংবা এই ধারার ফলে ক্ষতিগ্রস্তদের আইনের আশ্রয় পাওয়ার মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হবে কি না?
প্রস্তাবিত ধারায় বলা হয়েছে, “জনস্বার্থে সরল বিশ্বাসে কৃত কার্যক্রম রক্ষণ” করা হবে। অর্থাৎ, বীমা আইন বা এর অধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীনে সরল বিশ্বাসে কোনো কাজ করার ফলে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে, তার জন্য নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না।
নথি অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে সরকার, কর্তৃপক্ষ, কর্তৃপক্ষের পক্ষে দায়িত্ব পালনরত কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী, উপদেষ্টা কিংবা পরামর্শকের বিরুদ্ধে কোনো দেওয়ানি বা ফৌজদারি মামলা বা অন্য কোনো ধরনের আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাবে না।
কারা সুরক্ষা পাবেন: প্রস্তাবিত ধারার ভাষ্য অনুযায়ী, বীমা আইন বা এর অধীন প্রণীত বিধি বা প্রবিধানের অধীনে সরল বিশ্বাসে দায়িত্ব পালনকারীরা এ সুরক্ষার আওতায় থাকবেন।
এ ক্ষেত্রে সরকার, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ), কর্তৃপক্ষের পক্ষে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী, উপদেষ্টা ও পরামর্শকদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে প্রস্তাবিত বিধানে সুরক্ষার মূল শর্ত হিসেবে ‘সরল বিশ্বাসে’ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়টি রাখা হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত ধারাটি বাস্তবায়িত হলে এর পরিধি ও প্রয়োগ নির্ভর করবে চূড়ান্ত আইনের ভাষ্য এবং সংশ্লিষ্ট আইনি ব্যাখ্যার ওপর।
নথিতে দেখা যায়, আইনটির নাম ‘বীমা আইন, ২০১০-এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত প্রজ্ঞাপন’। এতে ২০১০ সালের আইনের ধারা ১৫৮-এর পর নতুন ধারা ১৫৮ক সংযোজনের প্রস্তাব করা হয়েছে।#
Posted ০৯:১০ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com