নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ৪৫৬ বার পঠিত
বীমা আইন ২০১০ সংশোধনের ক্ষেত্রে অংশীজনের দেওয়া বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ‘ইতিবাচকভাবে’ বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। রোববার (২৩ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত চার ঘণ্টার পরামর্শ সভা শেষে সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।
বিকেল ৩টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত আইডিআরএর সভাকক্ষে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট সাঈদ আহমেদ, সদ্য সাবেক প্রেসিডেন্ট নাসির উদ্দিন আহমেদ পাভেল, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট বিএম ইউসুফ আলী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি, জীবন ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ মোট ২২টি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
সভায় বিআইএ ও ইন্স্যুরেন্স ফোরামের নেতারা সংশোধিত খসড়ার বেশ কিছু ধারা-উপধারায় আপত্তি জানান। একইসঙ্গে বীমা শিল্পের স্বার্থে আরও কিছু নতুন প্রস্তাব যুক্ত করার দাবি তোলেন তারা।
সূত্র জানায়, অংশীজনদের উত্থাপিত প্রস্তাবগুলো আইডিআরএ ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করে এবং খসড়া আরও পরিমার্জনের আশ্বাস দেয়।
চেয়ারম্যানদের নিয়ে আরেক দফা সভা ডাকার প্রস্তাব :
বিআইএ প্রেসিডেন্ট সভায় বীমা কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যানদের নিয়ে আলাদা একটি পরামর্শ সভা আয়োজনের প্রস্তাব দেন। সংশোধনী চূড়ান্ত করার আগে চেয়ারম্যানদের মতামত নেওয়ার বিষয়ে আইডিআরএ এতে সম্মত হয়েছে বলে সভাসূত্র জানিয়েছে। শিগগিরই এ সভা ডাকা হবে বলেও জানা গেছে।
১৭ নভেম্বর আইডিআরএ সংশোধিত খসড়াটি নিয়ে মতামত নিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সভা ডাকে।
সভায় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রতিনিধি,জীবন ও সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের এমডি,বিএসইসি প্রতিনিধি,বিআইএ, ইন্স্যুরেন্স ফোরাম, চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস ও চার্টার্ড সেক্রেটারিজ সংগঠন, সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিভাগের চেয়ারম্যান ও বাণিজ্য অনুষদের ডীন, বীমা খাতের গবেষক ও বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়।
খসড়া প্রকাশের পর থেকেই আপত্তি :
বীমা আইন ২০১০ সংশোধনীর খসড়া প্রকাশের পরপরই খাতের বিভিন্ন পক্ষ থেকে কিছু ধারা-উপধারা নিয়ে আপত্তি তোলা হয়। অংশীজনরা মনে করেন, খসড়ার কয়েকটি প্রস্তাব বীমা খাতের বাস্তবতা ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অনেকের মতে, বিদ্যমান আইনের সঠিক প্রয়োগ হলে বীমা খাতের উন্নয়ন ও সংস্কার সম্ভব। বীমা কোম্পানিতে নিরীক্ষা, তদন্ত, প্রশাসক নিয়োগ, আইন লঙ্ঘন ও অর্থ আত্মসাতে দোষী ব্যক্তিদের অপসারণ এবং আত্মসাতকৃত অর্থ উদ্ধারের বিধান বীমা আইন-২০১০–এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। তাই বীমা খাত সংস্কারের জন্য প্রয়োজন বীমা আইন-২০১০ এর সঠিক প্রয়োগ। আর এ জন্য আইন সংশোধন নয়, বরং আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সদিচ্ছাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
Posted ০৮:৫২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com