|

Advertisement
×

লভ্যাংশের পরিমাণ বিনিয়োগকারীদের হতাশ করছে

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২০   প্রিন্ট   ৪৫২ বার পঠিত

লভ্যাংশের পরিমাণ বিনিয়োগকারীদের হতাশ করছে

পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ করা কোম্পানির লভ্যাংশে বিনিয়োগকারীদের পূর্ণ অধিকার রয়েছে। এটি তাদের ন্যায্যপ্রাপ্তি। কিন্তু অনেক কোম্পানি সেই প্রাপ্তি থেকে বিনিয়োগকারীদের বঞ্চিত করছে। এমনও কোম্পানি রয়েছে ১ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করে খালাস। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে হতাশা কাজ করে। মনে রাখা প্রয়োজন বিনিয়োগকারীরা পুঁজিবাজারে যুক্ত হন বৈধভাবে উপার্জনের জন্য। এক্ষেত্রে কোম্পানি লাভবান হলে তারা তার অংশীদার হবেন, এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু অনেক কোম্পানির ক্ষেত্রেই এর ব্যত্যয় ঘটছে।

একটি কোম্পানি তার মুনাফার যে অংশ শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে বিতরণ করে থাকে তা-ই লভ্যাংশ বা ডিভিডেন্ড। কখনো কখনো রিজার্ভ বা সংরক্ষিত তহবিল থেকেও লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়। লভ্যাংশ নগদ টাকা বা স্টক (শেয়ার) অথবা উভয় আকারে হতে পারে।

কোনো কোম্পানি তার অর্জিত মুনাফার কতটুকু লভ্যাংশ হিসেবে বিতরণ করবে সে বিষয়ে কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। এটি সম্পূর্ণভাবে কোম্পানির নিজস্ব নীতিমালা ও পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত। ক্ষেত্রবিশেষে শেয়ারহোল্ডারদের ইচ্ছার ওপর নির্ভর করে। তবে মিউচুয়াল ফান্ডের ক্ষেত্রে লভ্যাংশের বাধ্যবাধকতা আছে।

এখন আইনি ফাঁকফোকর গলিয়ে বিনিয়োগকারীদের ঠকানো হলে সেটি হবে অনৈতিক। এক্ষেত্রে বিনিয়োগকারীদের হতাশা স্বাভাবিক কারণেই বেড়ে যায়। এতে শেষ পর্যন্ত পুঁজিবাজার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নতুন বিনিয়োগ সঙ্কোচিত হয়ে পড়ে। তাই কোম্পানিগুলোর উন্নয়নের জন্যই বিনিয়োগকারীদের সন্তুষ্টি প্রয়োজন। তারা যদি বিষয়টি মাথায় না রাখে তাহলে এর নেতিবাচক ফল হতে পারে। যা পুঁজিবাজারে জন্য কাক্সিক্ষত নয়। মনে রাখা প্রয়োজন বিনিয়োগকারীরা পুঁজির জোগান না দিলে কোম্পানির পক্ষে মূলধন বাড়ানো বা মুনাফা করা সহজ নয়। বিনিয়োগকারীরা এক্ষেত্রে সহায় ভূমিকা পালন করে থাকেন।

আমাদের দেশের পুঁজিবাজারে স্বচ্ছতার অনেক ঘাটতি আছে। বিশেষ করে কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন থেকে শুরু করে পরিচালন পদ্ধতিও অনেক সময় প্রশ্নবিদ্ধ। এ কারণে লভ্যাংশ ঘোষণার বিষয়টিতে কোম্পানিগুলোর আরও আন্তরিক হওয়া দরকার। এছাড়া কোম্পানিগুলোর দায় রয়েছে বিনিয়োগকারীদের প্রতি। বিনিয়োগকারীদের ঠকানো বা হতাশ করা তাদের কাজ হতে পারে না। তাই লভ্যাংশ ঘোষণার সময় কোম্পানিগুলোর দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৩:৪৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২০

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com