অনলাইন ডেস্ক
বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ৩০৩ বার পঠিত
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন। তারা আন্দোলনের অংশ হিসেবে পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন থেকে বিরত রয়েছে। ফলে পরীক্ষা অনুষ্ঠান নিয়ে বিশৃঙ্খল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
শিক্ষকবিহীন পরীক্ষার হলে হ-য-ব-র-ল অস্থার সৃষ্টি হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। বর্তমানে বার্ষিক পরীক্ষা চলছে। এক জন শিক্ষার্থীর জীবনে বার্ষিক পরীক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু সেই পরীক্ষার আগে শিক্ষকরা আন্দোলনে রত থাকবেন এটা কোনভাবেই কাম্য হতে পারে না। বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় নানা দুর্নীতি এবং অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়। প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা উচ্চতর শিক্ষা ব্যবস্থার মূল্য ভিত্তি। আমাদের দেশের এক শ্রেণির শিক্ষক শিক্ষকতাকে মানবিক পেশা হিসেবে গ্রহণ না করে অর্থ উপার্জনের একটি সহজ মাধ্যমে বলে গণ্য করছেন। শিক্ষকরা তাদের দাবি জানাতেই পারেন। দাবি জানানো পদ্ধতি আছে। তাই বলে ক্লাশ বর্জন করে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে দাবি আদায় করতে হবে কেন? আর দাবি আদায়ের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলকে কেনো বেছে নেয়া হলো? শিক্ষকরা তাদের দাবি আদায়ের জন্য রাজনৈতিক সরকার ক্ষমতাসীন হবার সময় পর্যন্ত আপেক্ষা করতে পারতেন।
শিক্ষকতা অন্য দশটি সাধারণ পেশার মতো নয়। তাই চাইলেই তারা আন্দালন-সংগ্রামের নামে শিক্ষার্থীদের জিম্মি করতে পারেন না। যারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতার কাজে নিয়োজিত আছেন তারা সবাই কি সঠিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছেন? যাদের নিকট শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের চেয়ে আত্মস্বার্থই বড় তাদের শিক্ষকতা না করে অন্য কোন পেশায় চলে যাওয়াই উচিত। একটি সময় নির্ধারণ করে দিয়ে শিক্ষকদের কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেয়া যেতে পারে। যারা নির্দেশনা পালনে ব্যর্থ হবেন তাদের চাকরিচ্যুত করে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া যেতে পারে। যারা বর্তমানে শিক্ষক আন্দোলনের পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন তাদের মধ্যে বিগত সরকারের সুবিধাভোগিরা থাকতে পারেন। যাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে আন্দোলনের নামে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে বিব্রত করা। একই সঙ্গে শিক্ষকদের তাদের নিকট নিজ এলাকার বাইরে বদলী করা যেতে পারে। কোন শিক্ষক যাতে প্রাইভেট পড়াতে না পারেন তা নিশ্চিত করতে হবে।
Posted ০৪:০৫ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com