অনলাইন ডেস্ক
সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ২৭৪ বার পঠিত
বিশ্ববাজারে সব ধরনের চালের মূল্য ব্যাপকভাবে হ্রাস পেলেও স্থানীয় বাজারে তার কোন প্রভাব প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে না। আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা বড়ই অদ্ভুত মানসিকতার।
আন্তর্জাতিক বাজারে কোন পণ্যের মূল্য সামান্য বৃদ্ধি পেলে তার অজুহাতে স্থানীয় বাজারে সংশ্লিষ্ট পণ্যের মূল্য ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববাজারে কোন পণ্যের মূল্য হ্রাস পেলে স্থানীয় বাজারে তাৎক্ষণিকভাবে কোন প্রভাব পড়ে না। এই বিষয়টি প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে চালের মূল্যের ক্ষেত্রে। বিশ্ববাজারে চালের মূল্য সাম্প্রতিক সময়ে অনেকটাই সহনীয় পর্যায়ে নেমে এসেছে।
বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে সব ধরনের চালের মূল্য এখন কমে ২০১৭ সালের পর্যায়ে নেমে এসেছে। বিভিন্ন দেশে চালের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং আমদানিকারক দেশগুলোতে চালের চাহিদা কমে যাবার কারণেই মূলত বিশ্ববাজারে চালের মূল্য এভাবে কমেছে। কিন্তু স্থানীয় বাজারে চালের মূল্য বেড়েই চলেছে। দেশে বর্তমানে চালের বার্ষিক চাহিদা ৩ কোটি ০৭ লাখ টন। এর বিপরীতে দেশে বার্ষিক চালের উৎপাদন হচ্ছে ৪ কোটি ৪৩ লাখ টন। কিন্তু তারপরও চালের মূল্য কমছে না। বরং চাল আমদানি করা হচ্ছে। ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে মোট ১৪ লাখ ৩৭ হাজার টন চাল আমদানি করা হয়। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৪ মাসে চাল আমদানি করা হয়েছে ৫ লাখ টন। গত জানুয়ারি-মার্চ কোয়ার্টারে বিশ্ববাজারে প্রতি টন চালের মূল্য ছিল ৪৪৬ মার্কিন ডলার। আর অক্টোবর মাসে তা ৩৫৬ মার্কিন ডলারে নেমে আসে। কিন্তু দেশের চালের বাজারে তার কোন প্রভাব প্রত্যক্ষ করা যাচ্ছে না। ১ জানুয়ারি স্থানীয় বাজারে প্রতি কেজি চাল বিক্রি হয়েছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা মূল্যে। আর ২৯ নভেম্বর তা বিক্রি হয়েছে ৫৪ থেকে ৬০ টাকা মূল্যে। বাংলাদেশের মানুষের প্রধান খাদ্য হচ্ছে চাল বা ভাত। কাজেই স্থানীয় বাজারে চালের চাহিদা সব সময়ই থাকে। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ তাদের খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে চালের বিকল্প কোন খাবার গ্রহণ করবে এমনটা এখনো ভাবার সময় আসেনি। এক শ্রেণির ব্যবসায়ী তৃণমূল পর্যায়ের কৃষকদের নিকট থেকে স্বল্প মূল্যে চাল সংগ্রহ করে তা গুদামজাত করে রাখে। পরবর্তীতে তা উচ্চ মূল্যে বাজারে ছাড়ে। বাজারের উপর সরকারের ন্যূনতম কোন নিয়ন্ত্রণ নেই। ফলে সাধারণ মানুষ অসৎ ব্যবসায়ীদের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে।
Posted ০৪:১৮ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com