অনলাইন ডেস্ক
সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ১৭৯ বার পঠিত
এটি সহযোগী জাতীয় দৈনিকের একটি সংবাদের শিরোনাম। সংবাদটি যে কোনো বিচারেই উদ্বেগজনক এবং ভয়াবহ। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আদালতে বিগত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তার কয়েকজন সঙ্গীর বিরুদ্ধে চলমান বিচার প্রক্রিয়া বাচনাল করার জন্য একটি মহল উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসন্ত্রাস চালাচ্ছে। কোন বিবেকবান মানুষ তিনি যে রাজনৈতিক দলের সমর্থকই হোন না কেন এভাবে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে না।
আজ (১৭ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক আদালতের প্রথম মামলার রায় প্রকাশিত হবে। এই রায়কে ঘিরে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হবে এটা মোটামুটি নিশ্চিত করেই বলা যেতে পারে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যগণ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকবে। কিন্তু তারপরও অনাকাক্সিক্ষত ঘটনা ঘটতে পারে। প্রশ্ন হলো, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনে বিগত সরকার আমলে বেশ কয়েকটি রায়ের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক নেতাদের মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল। তখন তো সেই রায় বাতিলের উদ্দেশ্যে জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলন হয়নি। এখন কেনো এ ধরনের আন্দোলন করতে হবে। তার অর্থ কি এই যে রায় যদি পক্ষে যায় তাহলে অসুবিধা নেই। কিন্তু রায় বিপক্ষে গেলেই অসুবিধা। আদালতের কোন রায় যদি মনোঃপুত না হয় কোন পক্ষ যদি সংক্ষুব্ধ হয় তাহলে রায়ের বিরুদ্ধে আপীল করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু তা না করে রাজপথে নৈারজ্য সৃষ্টি করা হবে কেন। এটা সুস্পষ্টভাবে আদালত অবমাননা। কোন ভাবেই এ ধরনের আচরণ বরদাস্ত করা যাবে না।
তাহলে আইনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে যাবে। বিচারকগণ তাদের বুদ্ধি বিবেচনা মোতাবেক রায় দেবেন। তাতে কোন ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা ঠিক হবে না। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন বিগত সরকারের আমলে প্রণীত হয়েছে। এখন তারা সেই আইনের আওতায় বিচারকে মানতে চাইছে না। সত্যি কি স্ববিরোধিতা। আইনের প্রতি আমাদের সবারই শ্রদ্ধাশীল হতে হবে।
Posted ০৪:০২ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com