• শিরোনাম

    তুমুল সমালোচনার মধ্য দিয়ে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএম সম্পন্ন

    বিবিএনিউজ.নেট | ০৩ আগস্ট ২০১৯ | ১:২৮ অপরাহ্ণ

    তুমুল সমালোচনার মধ্য দিয়ে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের এজিএম সম্পন্ন

    বিনিয়োগকারীদের তুমুল সমালোচনার মধ্যেও গুটিকতেক বিনিয়োগকারী দিয়ে বার্ষিক সাধারণ সভা অনুমোদন করিয়ে নিলেন পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ‘বি’ ক্যাটাগরির কোম্পানি গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড।

    আজ শনিবার রাজধানীর ফারস্ হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টসে ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভার আয়োজন করে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠান শুরুর দিকে বিনিয়োগকারীরা বক্তব্য দেওয়ার জন্য তালিকায় নাম লিপিবদ্ধ করলেও ২ জন শেয়ারহোল্ডারের বক্তব্যে কোম্পানির বিভিন্ন অনিয়ম উঠে এলেও অন্য কোনো বক্তাকে বক্তব্য প্রদান করতে না দিয়ে গুটিকতেক বিনিয়োগকারীকে ম্যানেজ করে এজেন্ডাগুলো অনুমোদন করিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ।

    প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক সাধারণ সভা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, কোম্পানিটি ২০১৮ সালে লোন রয়েছে ১০ কোটি ৭২ লাখ টাকা, যা ২০১৭ অর্থবছরে ছিল ৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা। আলোচ্য অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটি দাবি পরিশোধ করেছে ১ কোটি ৫ লাখ টাকা যা গত অর্থবছর থেকে ৩০.৯২ শতাংশ কমেছে। ২০১৭ সালে কোম্পানিটি আয় করেছে ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা যা ২০১৮ সালে কমে ১ কোটি ৬৮ লাখ দাঁড়িয়েছে। যা একটি প্রতিষ্ঠান দেউলিয়া হওয়ার আগাম বার্তা বলে মনে করে বিনিয়োগকারীরা।

    প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অবৈধ কমিশন বাণিজ্যে অভিযোগ অনেক পুরোনো। অবৈধ কমিশনের টাকা আর্থিক প্রতিবেদনে প্রকাশ্যে উল্লেখ করতে না পারলেও প্রতিষ্ঠানটি ব্যবস্থাপনা খরচ দেখিয়ে সেটা অনুমোদন করে নিয়েছেন বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে। ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি ৬ কোটি ৪৭ টাকা ব্যবস্থাপনা ব্যয় করলেও ২০১৮ সালে তা বেড়ে ৮ কোটি ৩৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। এজেন্সি কমিশন ২০১৭ সালে ছিল ২ কোটি ৭৮ লাখ টাকা যা আলোচ্য অর্থবছরে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। ২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠানটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ প্রদান করনে।

    এই সময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান সৈয়দ বদরুল আলম, ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ আহম্মেদ, পরিচালক নগরপরিকল্পনাবিদ মোবাশ্বের হোসাইন, কামরুজ্জামান, সাদনান সাকিব অপূর্ব, সাজ্জাদ আরেফিন আলম, আবদুল মুকতাদির, স্বতন্ত্র পরিচালক ক্যাপ্টেন আবুল খায়ের, আফতাব উদ্দিন শাহ, মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মোশারফ হোসেন, কোম্পানি সচিব ওমর ফারুক প্রমুখ।

    আলোচ্য বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫৪ পয়সা এবং ৩১ ডিসেম্বর শেয়ারপ্রতি সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১১ টাকা ৮৩ পয়সা। যা আগের বছর একই সময় ছিল যথাক্রমে এক টাকা ৩৭ পয়সা ও ১১ টাকা ৮৬ পয়সা।

    এর আগে ২০১৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত হিসাববছরেও বিনিয়োগকারীদের পাঁচ শতাংশ বোনাস লভ্যাংশ দিয়েছিল।

    Comments

    comments

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    আর্কাইভ

    ডিসেম্বর ২০১৯
    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
    « নভেম্বর    
     
    ১০১১১২১৩
    ১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
    ২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
    ২৮২৯৩০৩১  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি