|

Advertisement
×
পিপলস লিজিং বন্ধ না করার আহ্বান

প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা আমানতকারীদের

সোমবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫   প্রিন্ট   ৪৯৮ বার পঠিত

প্রধান উপদেষ্টা ও অর্থ উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা আমানতকারীদের

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস লিমিটেড হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীরা। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের প্রধান সমন্বয়কারী মোহাম্মদ আতিকুর রহমান আতিক এ বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আতিকুর রহমান জানান, সারা জীবনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় নিয়ে তারা পিপলস লিজিংয়ে আমানত রেখেছিলেন। কিন্তু ২০১৫ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তৎকালীন মালিক ও পরিচালকেরা বাংলাদেশ ব্যাংকের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহযোগিতায় বিপুল পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে আত্মসাৎ করেন। অথচ দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় না এনে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটিকে লিকুইডেশনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে, যার ফলে হাজারো আমানতকারী অর্থ ফেরত পাওয়া থেকে বঞ্চিত হন।

অমানবিক পরিস্থিতিতে নিঃস্ব আমানতকারীরা হাইকোর্টে কোম্পানিটি পুনরায় চালুর আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। ২০২১ সাল থেকে হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে পিপলস লিজিং আবারও কার্যক্রম চালু করে এবং ধীরে ধীরে স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছে। এ সময় কয়েক হাজার আমানতকারী আংশিক অর্থ ফেরত পান। প্রতিষ্ঠানটি শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করে এবং ক্ষুদ্র ব্যবসা ও আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে লাভজনক অবস্থায় অগ্রসর হতে থাকে।

হাইকোর্ট সম্প্রতি পূর্ববর্তী পরিচালককে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা ছয় মাসের মধ্যে কোম্পানিতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ফেরত দেওয়ার পথ উন্মুক্ত হয়েছে যা হাজারো আমানতকারীর জন্য আশার আলো জ্বালিয়েছে।

আতিকুর রহমান অভিযোগ করেন, এমন ইতিবাচক অগ্রগতি সত্ত্বেও বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর হঠাৎ প্রতিষ্ঠানটি লিকুইডেশনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার মতে, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে হাজারো আমানতকারী আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, অথচ আসল দায়ীরা যারা অর্থ আত্মসাৎ ও ঋণখেলাপির সঙ্গে যুক্ত তারা পার পেয়ে যাবে। তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, অর্থ উপদেষ্টা, অর্থ সচিব এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে আমাদের জোর দাবি পিপলস লিজিংয়ের কার্যক্রম যেন বন্ধ না করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি সচল থাকলে আমানতকারীরা অর্থ ফেরত পাওয়ার সুযোগ পাবেন। অন্যথায় লুটেরা চক্র ও ঋণখেলাপিরাই লাভবান হবেন, আর আমানতকারীরা নিঃস্ব হয়ে পড়বেন।”

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৬:১৩ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com