নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬ প্রিন্ট ৪৮ বার পঠিত
নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি খাতের ৬০টি বীমা কোম্পানির লাইসেন্স নবায়ন বেআইনিভাবে আটকে রেখেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)। বীমা মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন ফি জমাদানকারী কোম্পানিগুলোর লাইসেন্স নবায়ন দ্রুত সম্পন্ন করার আহ্বান জানালেও তাতে সাড়া দেয়নি আইডিআরএ। উল্টো সংশোধিত বিধিমালার আলোকে আরোপিত ২ টাকা ৫০ পয়সা হারে বর্ধিত নবায়ন ফি আদায়ের নির্দেশনা চেয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব বরাবর চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
২০২৬ সালের ফি নির্ধারণের সুবিধার্থে সংশোধিত বিধিমালা নিয়ে অর্থমন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট প্রস্তাব চাওয়ার প্রেক্ষিতে ৩ জুন আইডিআরএ এ চিঠি দেয়। এতে বলা হয়, “ইতিমধ্যে গত ৮ মার্চ বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশন সূত্রোক্ত পত্রের মাধ্যমে বীমা আইন ২০১০ এর ১১(২)(৩) ধারার বিধান মতে ২০১৮ সনে সংশোধিত বিধি অনুযায়ী প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ১.০০ টাকা হারে বীমাকারীর লাইসেন্স নবায়ন ফি আদায়পূর্বক বর্ণিত লাইসেন্স নবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে এবং কোন কোন বীমাকারী বর্ধিত (১.৫০ টাকা) ফি প্রদান হতে বিরত রয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনায় তারা সরকার হতে এ বিষয়ে নির্দেশনা গ্রহণের বিষয়ে সম্মত হয়েছে।
ইতিমধ্যে ০৬ টি লাইফ বীমা কোম্পানি এবং ১৪ টি নন-লাইফ বীমা কোম্পানি প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ২.৫০ টাকা হারে নবায়ন ফি জমা প্রদান করে কর্তৃপক্ষ হতে ২০২৬ সনের জন্য লাইসেন্স নবায়ন করে নিয়েছে।
এমতাবস্থায়, উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে বীমা ব্যবসা নিবন্ধন ফি বিধিমালা, ২০১২ এর বিধি ৩(২) এর সর্বশেষ ২০২৬ সনে সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে (প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ২.৫০ টাকা) নবায়ন ফি আদায়ের জন্য সদয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।”
যদিও এর আগে কয়েক দফায় ২০২৫ সালের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে নিবন্ধন ফি জমাদানকারী বীমা কোম্পানিগুলোর লাইসেন্স নবায়ন দ্রুত সম্পন্ন করতে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) প্রতি আহ্বান জানায় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশন (বিআইএ)। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত অতিরিক্ত নবায়ন ফি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে প্রয়োজন হলে সরকারি গেজেট সংশোধনেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
এর আগে খাতের অংশীজনদের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঠিক আগমূহূর্তে তাড়াহুড়ো করে আইডিআরএ’র বিদায়ী চেয়ারম্যান এম আসলাম আলমের প্রস্তাবে নবায়ন ফি বাড়িয়ে এ সংক্রান্ত বিধিমালা সংশোধন করা হয়। সংশোধিত বিধি ৩(২) এ ২০২৬ সাল থেকে ২০৩২ ও পরবর্তী সময় পর্যন্ত ধাপে ধাপে বীমা কোম্পানির লাইসেন্স নবায়ন ফি বর্ধিত করার বিধান যুক্ত করা রয়েছে।
তবে সংশোধিত ওই বর্ধিত ফি দিতে অস্বীকৃতি জানায় বেশিরভাগ বীমা কোম্পানি। নতুন করে আরোপ করা বর্ধিত নবায়ন ফি নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি খাতের ৬০টি বীমা কোম্পানির লাইসেন্স এখনো নবায়ন হয়নি।
বিরোধের মূল কোথায়: বীমা আইন অনুযায়ী, পরবর্তী বছরের লাইসেন্স নবায়নের আবেদন ও ফি জমা দিতে হয় আগের বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে। সে অনুযায়ী বীমা কোম্পানিগুলো ২০২৫ সালের মধ্যেই ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দেয়।
তবে ২০২৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশিত সংশোধিত বিধিমালায় নবায়ন ফি বাড়িয়ে প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ১ টাকা থেকে ২ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। এই নতুন হারই এখন বিরোধের কেন্দ্রবিন্দু।
বীমা কোম্পানিগুলোর যুক্তি যে সময় তারা ফি জমা দিয়েছে, তখন পুরনো বিধিমালাই কার্যকর ছিল। তাই পরবর্তীতে সংশোধিত হার প্রয়োগ করে অতিরিক্ত ফি দাবি করা আইনসম্মত নয়। আইডিআরএ’র পক্ষ থেকেও চিঠিতে আইন লঙ্ঘন করে ইচ্ছাকৃতভাবে নিবন্ধন নবায়ন স্থগিত রাখার বিষয়টি স্বীকার করা হয়েছে। বীমা আইন, ২০১০ এর ১১(২) ধারা অনুযায়ী, কোনো বীমা কোম্পানিকে সংশ্লিষ্ট বছরের লাইসেন্স নবায়নের জন্য পূর্ববর্তী বছরের ৩০ নভেম্বরের মধ্যে আবেদন ও নির্ধারিত ফি জমা দিতে হয়। একই আইনের ১১(৩) ধারা অনুযায়ী, আবেদন ও ফি গ্রহণের পর কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট বীমাকারীর লাইসেন্স নবায়ন করতে বাধ্য।
অথচ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে (৩০ নভেম্বর ২০২৫) নিবন্ধন ফি জমা দেয়ার পরও আইন লঙ্ঘন করে কোম্পানিগুলোর লাইসেন্স নবায়ন হয়নি। যা আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে লেখা আইডিআরএ’র চিঠিতেই স্পষ্ট হয়েছে- চিঠিরে একাংশে বলা হয়েছে-
“সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করায় সংস্থাটির ব্যয়ের মাত্রা অনেকগুণ বেড়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে ০১-০৭-২০২৫ তারিখে উক্ত বিধিমালার বিধি ৩(২) এ নির্ধারিত বীমাকারী নিবন্ধন নবায়নের ফি সংশোধনের কার্যক্রম শুরু হয় এবং তা ২০২৬ সন হতে কার্যকর করার প্রস্তাব করায় নিবন্ধন নবায়ন স্থগিত রাখা হয়। বিধিমালা সংশোধনের ব্যাপারে অংশীজনদের সাথে কর্তৃপক্ষ পর্যায়ে একাধিকবার এবং মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ব্যাপক পরামর্শকমূলক সভা করে ঐক্যমতে পৌঁছার পর সর্বশেষ ০৪-০২-২০২৬ তারিখে আইনের ধারা ১১ (২) এর রেফারেন্সে উক্ত বিধিমালার সংশোধনী বাংলাদেশ গেজেটে প্রজ্ঞাপন আকারে জারী করা হয়। ”
বিশ্লেষকরা প্রশ্ন তুলেছেন- কোনো সংশোধনী কার্যকর হওয়ার আগে বিদ্যমান আইন অনুযায়ী প্রাপ্য সেবা স্থগিত রাখা কতটা আইনসম্মত। আইন সংশোধন হওয়ার আগেই একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিজস্ব স্বার্থে কোনোভাবেই বিদ্যমান আইন লঙ্ঘন করতে পারে কি না? বিষয়টি মূলত- রেট্রোস্পেকটিভ অ্যাপ্লিকেশন’ বা পূর্ববর্তী সময়ের ওপর নতুন বিধান প্রয়োগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
যেখানে আইডিআরএ নিজেই বলেছে-প্রায় সকল বীমাকারী আইনের উপরোক্ত ধারা অনুযায়ী প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ১.০০ (এক) টাকা হারে নবায়ন ফি পরিশোধ করে ২০২৬ সনের জন্য নিবন্ধন নবায়নের আবেদন করেছে। তবে ফি নির্ধারণে বিলম্ব ও অংশীজনদের সঙ্গে দীর্ঘ পরামর্শ প্রক্রিয়ার কারণে সময়মতো লাইসেন্স নবায়ন করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, বর্ধিত ফি বাতিলের দাবিতে ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তনয় কুমার সাহা জনস্বার্থে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারির সংশোধনী বাতিল এবং ২০১৮ সালের ফি কাঠামো বহাল রাখার দাবি জানিয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বিরোধ মূলত “রেট্রোস্পেকটিভ প্রয়োগ” (পূর্ববর্তী সময়ের ওপর নতুন আইন প্রয়োগ) নিয়ে। আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফি জমা দেওয়ার পর নতুন হার চাপিয়ে দেওয়া হলে তা আইনি প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। তারা আরও বলছেন, দ্রুত সমাধান না এলে বীমা খাতে আস্থার সংকট তৈরি হতে পারে এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
আইডিআরএ’র চিঠিতে যা আছে:
দেশের বীমা কোম্পানিগুলোর সংগঠন -বিআইএ এই বর্ধিত ফি ছাড়াই লাইসেন্স নবায়ন করে দিতে আইডিআরএকে চিঠি দিলেও তা রক্ষা করেনি। বরং সংশোধিনীর আলোকে বর্ধিত ফি নিতে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের নির্দেশনা চেয়ে আবারও চিঠি পাঠিয়েছে সংস্থাটি। গত ৩ জুন আইডিআরএ’র পক্ষ থেকে উপপরিচালক (নন লাইফ) মোঃ সোলায়মান সচিব বরাবর এই চিঠি দিয়েছেন।
নন-লাইফ ও লাইফ বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ২০২৬ সালের নিবন্ধন নবায়ন প্রসঙ্গে দেয়া ওই চিঠিতে বিভিন্ন সূত্র উল্লেখ করার পর বলা হয়, “উপর্যুক্ত বিষয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সূত্রোক্ত স্মারকের নির্দেশনার প্রেক্ষিতে সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের নিজস্ব আয় হতে সকল ব্যয় মিটাতে হয়। বীমাকারী লাইসেন্স নবায়ন ফি এ সংস্থার আয়ের প্রধান উৎস। বীমা আইন, ২০১০ এর এতদসংক্রান্ত ধারা ১১(২) এর রেফারেন্সে বীমা ব্যবসা নিবন্ধন ফি বিধিমালা, ২০১২ জারী করা হয় এবং এর বিধি ৩(২) অনুযায়ী প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ৩.৫০ টাকা নবায়ন ফি নির্ধারণ করা হয়। ২০১৮ সনে হঠাৎ করে এ লাইসেন্স নবায়ন ফি উক্ত ৩.৫০ টাকা হতে কমিয়ে ১.০০ টাকায় নামিয়ে আনলে এ সংস্থার আয় দারুণভাবে কমে যাওয়ায় ব্যয় নির্বাহ কষ্টকর হয়ে পড়ে।
২. তাছাড়া ২০২৫ সনে এ সংস্থার জনবল বৃদ্ধি, কমপ্লিট ডিজিটাইজেশন, ন্যাশনাল কোর ইন্স্যুরেন্স সলিউশন, বাংলাদেশ একচ্যুয়ারিয়াল ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ চার্টার্ড ইন্স্যুরেন্স ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি যুগোপযোগী সংস্কারমূলক কার্যক্রম শুরু করায় সংস্থাটির ব্যয়ের মাত্রা অনেকগুণ বেড়ে যায়। এর প্রেক্ষিতে ০১-০৭-২০২৫ তারিখে উক্ত বিধিমালার বিধি ৩(২) এ নির্ধারিত বীমাকারী নিবন্ধন নবায়নের ফি সংশোধনের কার্যক্রম শুরু হয় এবং তা ২০২৬ সন হতে কার্যকর করার প্রস্তাব করায় নিবন্ধন নবায়ন স্থগিত রাখা হয়। বিধিমালা সংশোধনের ব্যাপারে অংশীজনদের সাথে কর্তৃপক্ষ পর্যায়ে একাধিকবার এবং মন্ত্রণালয় পর্যায়ে ব্যাপক পরামর্শকমূলক (Consultation) সভা করে ঐক্যমতে পৌঁছার পর সর্বশেষ ০৪-০২-২০২৬ তারিখে আইনের ধারা ১১ (২) এর রেফারেন্সে উক্ত বিধিমালার সংশোধনী বাংলাদেশ গেজেটে প্রজ্ঞাপন আকারে জারী করা হয়। সর্বশেষ সংশোধিত এ বিধিমালায় ২০২৬, ২০২৭ এবং ২০২৮ সনের বীমা ব্যবসার নিবন্ধন নবায়ন ফি প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ২.৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
৩. ইতিমধ্যে গত ০৮-০৩-২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশন সূত্রোক্ত পত্রের মাধ্যমে বীমা আইন ২০১০ এর ১১(২)(৩) ধারার বিধান মতে ২০১৮ সনে সংশোধিত বিধি অনুযায়ী প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ১.০০ টাকা হারে বীমাকারীর লাইসেন্স নবায়ন ফি আদায়পূর্বক বর্ণিত লাইসেন্স নবায়নের অনুরোধ জানিয়েছে এবং কোন কোন বীমাকারী বর্ধিত (১.৫০ টাকা) ফি প্রদান হতে বিরত রয়েছে। বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স এসোসিয়েশনের প্রতিনিধিদের সাথে এ বিষয়ে আলোচনায় তারা সরকার হতে এ বিষয়ে নির্দেশনা গ্রহণের বিষয়ে সম্মত হয়েছে। ৪. ইতিমধ্যে ০৬ টি লাইফ বীমা কোম্পানি এবং ১৪ টি নন-লাইফ বীমা কোম্পানি প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ২.৫০ টাকা হারে নবায়ন ফি জমা প্রদান করে কর্তৃপক্ষ হতে ২০২৬ সনের জন্য লাইসেন্স নবায়ন করে
নিয়েছে।
৫. এমতাবস্থায়, উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে বীমা ব্যবসা নিবন্ধন ফি বিধিমালা, ২০১২ এর বিধি ৩(২) এর সর্বশেষ ২০২৬ সনে সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখিত হারে (প্রতি হাজার গ্রস প্রিমিয়ামের বিপরীতে ২.৫০ টাকা) নবায়ন ফি আদায়ের জন্য সদয় নির্দেশনা প্রদানের জন্য বিনীত অনুরোধ করা হলো।”
Posted ০৮:৩৭ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com