Ad
x

নন-লাইফ বীমা খাতে সম্পদ ও বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধি

বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬   প্রিন্ট   ৫৭ বার পঠিত

নন-লাইফ বীমা খাতে সম্পদ ও বিনিয়োগে প্রবৃদ্ধি

২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে ৪৬টি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে ৪৫ টির সম্মিলিত সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০,৭৯৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা ২০২৫ সালে ছিল ২০ হাজার ২৪৭ কোটি ৩৫ লাখ টাকা। অর্থাৎ সম্পদ বেড়েছে ৫৫২ কোটি ৪২ লাখ টাকা বা ২.৭৩ শতাংশ।

একই সময়ে খাতটির মোট বিনিয়োগ বেড়ে ১১ হাজার ৭২৮ কোটি ১০ লাখ টাকায় পৌঁছেছে, যা ২০২৫ সালে ছিল ১১ হাজার ২০৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। ফলে তিন মাসে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে ৫২১ কোটি ৭৪ লাখ টাকা বা ৪.৬৬ শতাংশ।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সর্বশেষ ত্রৈমাসিক তথ্য বিশ্লেষণে এ চিত্র উঠে এসেছে।

বিশ্লেষণে দেখা যায়, সম্পদের তুলনায় বিনিয়োগের প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেশি হলেও সামগ্রিকভাবে নন-লাইফ বীমা খাত এখনও সীমিত হারে সম্প্রসারিত হচ্ছে।

খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, নন-লাইফ বীমা শিল্পে সম্পদ ও বিনিয়োগ ক্রমেই কয়েকটি বড় প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। বিশেষ করে রাষ্ট্রায়ত্ত সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং কয়েকটি শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি কোম্পানি বাজারে উল্লেখযোগ্য প্রভাব বজায় রেখেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বড় সম্পদভিত্তি কোম্পানিগুলোকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বড় অঙ্কের দাবি পরিশোধে সক্ষমতা প্রদান করে। অন্যদিকে তুলনামূলক ছোট কোম্পানিগুলোর সম্পদ ও বিনিয়োগের পরিমাণ সীমিত থাকায় তাদের ব্যবসা সম্প্রসারণ এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।
নন-লাইফ বীমা শিল্পে সম্পদ ও বিনিয়োগের বড় অংশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাতে কেন্দ্রীভূত হওয়ায় বাজারে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে। অধিকাংশ ছোট ও মাঝারি কোম্পানির সম্পদভিত্তি এখনও দুর্বল, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের ঝুঁকি বহনের সক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।

তবে বীমা খাতের বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু সম্পদের আকার নয়, বরং সম্পদের গুণগত মান, বিনিয়োগের নিরাপত্তা, তারল্য এবং আয় সৃষ্টির সক্ষমতাই একটি বীমা কোম্পানির প্রকৃত আর্থিক শক্তির নির্দেশক। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের তথ্য সেই বাস্তবতাকেই নতুন করে সামনে এনেছে।

আইডিআরএ’র তথ্য বলছে, নন-লাইফ বীমা খাতের মোট সম্পদের প্রায় ৩৯ শতাংশ এবং মোট বিনিয়োগের প্রায় ৪৭ শতাংশ এককভাবে ধারণ করছে রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন (এসবিসি) । ২০২৬ সালের মার্চ শেষে প্রতিষ্ঠানটির মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৮,১১৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৫,৪৯১ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা পুরো শিল্পের মধ্যে সর্বোচ্চ।

২০২৫ সালে এসবিসির মোট সম্পদ ছিল ৭,৬৫৭ কোটি ১১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ছিল ৫,২৮২ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ফলে এক বছরে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদ বেড়েছে প্রায় ৪৬০ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ বেড়েছে প্রায় ২০৯ কোটি টাকা।
বেসরকারি খাতে সম্পদের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স। ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে কোম্পানিটির মোট সম্পদ ১,৫৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকায় পৌঁছেছে বলে আইডিআরএর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। এছাড়া আরো বেশ কয়েকটি কোম্পানি উল্লেখযোগ্য সম্পদ ও বিনিয়োগ ধরে রেখেছে।

এরমধ্যে ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিক শেষে অগ্রণী ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১০৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৪৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৩১ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১২৮ কোটি ৯১ লাখ টাকা। এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৮৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১০৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা।

 

বাংলাদেশ কো-অপারেটিভ ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৭৫ কোটি ২১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২ কোটি ২২ লাখ টাকা। বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২০১ কোটি ৮৯ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১২৪ কোটি ৬ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৩০২ কোটি ৫৩ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২৪৭ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। বাংলাদেশ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন (এসবিসি)-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৮ হাজার ১১৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৫ হাজার ৪৯১ কোটি ২৬ লাখ টাকা। সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্স পিএলসি-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৩৮৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২৭৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৫৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৭১ কোটি ১৭ লাখ টাকা। কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৭০ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৬১ কোটি ১৪ লাখ টাকা। ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৩২ কোটি ৮৯ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৪৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা। দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৯০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৩৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। ঢাকা ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৭৭ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৮৯ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৭৩ কোটি ৬৩ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২৩২ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৬৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৭৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৩৮ কোটি ১১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৫২ কোটি ৯২ লাখ টাকা। ফেডারেল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৫৯ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৩১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড ২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকের প্রতিবেদন আইডিআরএতে জমা দেয়নি। গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৮৮ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৬৯০ কোটি ৩২ লাখ টাকা। ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৫২ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৮৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ইসলামি ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৯০ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১১২ কোটি ৫ লাখ টাকা। জনতা ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৫৭ কোটি ৮৭ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৬৭ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২০৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১২৮ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। মেঘনা ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১১৬ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৮৪ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। মার্কেন্টাইল ইসলামি ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৩৮ কোটি ৯৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৩১ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। নিটল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৩৯৩ কোটি ৩৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১০৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। নর্দার্ন ইসলামি ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২১৫ কোটি ৪৭ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৪৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা। প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৮৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৫৬ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। পিপলস ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৩২৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২৩৪ কোটি ১ লাখ টাকা। ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৩৮ কোটি ১৪ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১১৩ কোটি ৩ লাখ টাকা। পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৬৭৯ কোটি ৯২ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২১৬ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। প্রগতি ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ৬৪৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৩০৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা। প্রাইম ইসলামি ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২০৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৬৫ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। প্রভাতী ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৯৪ কোটি ৭৪ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৮৪ কোটি ১৪ লাখ টাকা। পুরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৯৪ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৯৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৫৫৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৪৯১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৯৯ কোটি ৯৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৫৭ কোটি ৯৭ লাখ টাকা। রূপালী ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৬৪ কোটি ৯৫ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১০৩ কোটি ৮৬ লাখ টাকা। সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ২৪০ কোটি টাকা এবং বিনিয়োগ ১৭৫ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। সিকদার ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৩৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১০৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১২৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৬৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা। সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১০৯ কোটি ৭৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ২৭ লাখ টাকা। স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৬৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৩০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। তাকাফুল ইসলামি ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৩৪ কোটি ৬১ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ৮১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৭৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্স-এর মোট সম্পদ দাঁড়িয়েছে ১৮৪ কোটি ৬ লাখ টাকা এবং বিনিয়োগ ১৪৮ কোটি ১২ লাখ টাকা।

তবে খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্পদ ও বিনিয়োগে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি থাকলেও তা শিল্পের সম্ভাবনার তুলনায় কম। দীর্ঘদিন ধরে প্রিমিয়াম সংগ্রহে স্থবিরতা, বকেয়া দাবি, দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্স এবং কিছু প্রতিষ্ঠানের আর্থিক দুর্বলতা খাতটির প্রবৃদ্ধিকে সীমিত করছে।

 

 

Facebook Comments Box

Posted ০৯:২৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com