• বিজিএমইএ মনিটর করবে ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা

    নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ১:৪৯ অপরাহ্ণ

    বিজিএমইএ মনিটর করবে ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা
    apps

    সাভারের রানাপ্লাজা ধসের পর অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স পোশাকশিল্প কারখানার কর্মপরিবেশ নিয়ে বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল। এ সময়ে দেশ সুনাম কুড়িয়েছে এবং একই সাথে বেড়েছে রফতানি।

    কিন্তু এই ক্রেতাজোটের মেয়াদ শেষ হয় গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর। ফলে তারা বিদায় নেয়ার পথে রয়েছে।

    Progoti-Insurance-AAA.jpg

    পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ রক্ষায় অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স মনোনীত প্রতিনিধিদের নিয়ে সরকার, বিজিএমইএ ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় রিমিডিয়েশন কো-অর্ডিনেন্স সেল (আরসিসি)। ক্রেতাজোট দু’টির পরিপূরক হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা পরিদর্শন ও ছাড়পত্র দেবে এ সংস্থা।

    তবে পোশাক শিল্পের ঝুঁকিপূর্ণ কারখানা পরিদর্শনে মনিটরিংয়ের কাজ করবে তৈরি পোশাক মালিক রফতানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। কিন্তু বিজিএমইর মনিটরিং নিয়ে আবারও ক্রেতাজোট বাধ সাধতে পারে এমন আশঙ্কাও রয়েছে বিশিষ্টজনদের। তাদের মতে, আরসিসি স্বাধীনভাবে কাজ করলে আরো ভালো অবস্থানে যাবে পোশাকখাত।
    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল ‘রানাপ্লাজা ধস’-এর মাধ্যমে একরকম কলঙ্ক নেমে আসে পোশাকশিল্পে। এ ঘটনায় নিহত হন ১১শ’ শ্রমিক। এরপর পোশাকখাতের কর্মপরিবেশ উন্নত করতে উত্তর আমেরিকা ক্রেতাজোট অ্যালায়েন্স ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ক্রেতাজোট অ্যাকর্ড গঠন করা হয়। তারা কারখানা পরিদর্শন করে ও ত্রুটি সংশোধনের উদ্যোগ নেয়। এর ফলে কর্মপরিবেশের উন্নতি না হওয়ায় তিন শতাধিকের বেশি কারখানার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে।


    পরে তাদের মনোনীত প্রতিনিধিদের নিয়ে বাংলাদেশ সরকার, বিজিএমইএ ও বুয়েটের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে গঠন করা হয় রিমিডিয়েশন কো-অর্ডিনেন্স সেল বা সংস্কার সমন্বয়ক সেল (আরসিসি)। প্রতিষ্ঠানটি ক্রেতা জোট দু’টির পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। আর এ কাজের মনিটরিংয়ের দায়িত্ব পালন করবে বিজিএমইএ।

    বিজিএমইএ সূত্রে জানা গেছে, রানাপ্লাজা ধসের পর ইমেজ সংকট কাটিয়ে উঠেছে পোশাক খাত। উন্নত হয়েছে কারখানা ও কর্মপরিবেশ। বিশ্বের ১০টি প্লাটিনাম কারখানার ৭টি বাংলাদেশে। ৮০টি গ্রিন কনসেপ্ট কারখানা উৎপাদনে আছে। আরো অনেকগুলো কারখানা উৎপাদনের অপেক্ষায়। সব কারখানায় সরকার ঘোষিত বেতন কার্যকর করা হয়েছে।
    অন্যদিকে রানাপ্লাজা ধসের পর কেন্দ্রীয়ভাবে সব শ্রমিককে তথ্যভাণ্ডারে নিতে কাজ শুরু করে বিজিএমইএ। এখন পর্যন্ত ৩০ লাখ শ্রমিককে যুক্ত করা হয়েছে তথ্যভাণ্ডারে। দেড় হাজার বন্ধ কারখানা উৎপাদনে নিতে নেয়া হয়েছে উদ্যোগ।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পোশাক শিল্পের ভাবমূর্তি রক্ষায় বিজিএমইএ, বিকেএমইএকে আরও উদ্যোগী হতে হবে। খুঁজতে হবে নতুন নতুন ক্রেতা দেশ। অন্যদিকে দেশের স্বার্থে, দেশের শিল্পের স্বার্থে স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে আরসিসিকে।

    Facebook Comments Box

    বাংলাদেশ সময়: ১:৪৯ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

    bankbimaarthonity.com |

    এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

    রডের দাম বাড়ছে

    ১৩ জানুয়ারি ২০১৯

    Archive Calendar

    শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
     
    ১০
    ১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
    ১৮১৯২০২১২২২৩২৪
    ২৫২৬২৭২৮২৯৩০  
  • ফেসবুকে ব্যাংক বীমা অর্থনীতি