নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ২২২ বার পঠিত
রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে কিছু বিষয়ে মতভেদ থাকলেও এখন সবাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনে অংশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
রাস্তা-ঘাট ব্যানার-ফেস্টুনে সসুজ্জত হয়ে উঠছে। সর্বত্রই সাজ সাজ বর। নির্বাচন কমিশনের আইন মোতাবেক একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসন থেকে নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন। এর আগে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারতেন। অনেকের নিশ্চয়ই মনে আছে ১৯৮৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি এবং আওয়ামী লীগসহ দেশের রাজনৈতিক দলগুলো এরশাদ বিরোধী প্রচন্ড আন্দোলন গড়ে তুলেছিল। এক পর্যায়ে আন্দোলনের অংশ হিসেবে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৫০টি আসলে এবং আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনা ১৫০টি আসনে নির্বাচন করবেন। এতে এরশাদ প্রচন্ড ভয় পেয়ে যান। তিনি তাৎক্ষণাৎ নির্বাচনি আইন পরিবর্তন করে একজন প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ ৫টি নির্বাচনি আসনে প্রতিযোগিতার বিধান জারি করেন।
এই অবস্থায় চলছিল অনেক দিন। এরপর এক সময় ৫টির পরিবর্তে একজন প্রার্থীকে সর্বোচ্চ তিনটি আসলে নির্বাচন করার অনুমতি দেয়া হয়। কিন্তু বাস্তবতার প্রেক্ষিতে এটি একটি বৈষম্যমূলক এবং অযৌক্তিক আইন। কারণ একজন প্রার্থীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে যেসব শর্ত পূরণ করতে হয় তার মধ্যে অন্যতম একটি শর্ত হচ্ছে তাকে সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি এলাকার ভোটের হতে হবে। এক ব্যক্তি নিশ্চয়ই ৩টি স্থানে ভোটার নন। তাহলে তিনি কিভাবে তিনটি আসনে নির্বাচন করেন? কোন ব্যক্তি যদি নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩টি আসনে জয়লাভ করেন তাহলেও তিনি তিনটি আসন ধরে রাখতে পারেন না। পরবর্তীতে তাকে দু’টি আসন ছেড়ে দিতে হয়। ছেড়ে দেয়া আসনে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হয়। প্রশ্ন হলো, ব্যক্তির জনপ্রিয়তা যাচাই করতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় কেন করা হবে? উপ নির্বাচনে রাষ্ট্রকে প্রচুর অর্থ ব্যয় করতে হয়। কাজেই কোন ব্যক্তিকেই একটির বেশি আসনে প্রতিযোগিতা করতে দেয়া ঠিক হবে না। আর কেউ যদি একাধিক আসনে প্রতিযোগিতা করতে চান তাহলে নির্বাচিত হবার পর যে দু’টি আসন ছেড়ে দিতে হবে তাতে উপ-নির্বাচনের জন্য যে ব্যয় হবে তা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই বহন করতে হবে।
Posted ০৬:২৩ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com