নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট ১৭ বার পঠিত
ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটারের বেশি গতিতে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন ‘চাম্পি’। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়টি তাইওয়ানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। পরে এটি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করে চীনের উপকূলের দিকে মোড় নিয়ে দক্ষিণ জাপানের দিকে অগ্রসর হতে পারে। এর প্রভাবে ইতোমধ্যে ওই অঞ্চলে ২০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মধ্যে পরিকল্পিত একটি বড় সামরিক মহড়ার সূচিতেও পরিবর্তন আনতে হয়েছে।
ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তাইওয়ানের কেন্দ্রীয় আবহাওয়া প্রশাসনের (সিডব্লিউএ) তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় ‘চাম্পি’ ইতোমধ্যে সুপার টাইফুনে পরিণত হয়েছে। চলতি বছর প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়গুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
বৃহস্পতিবার ঘূর্ণিঝড়টির তীব্রতা কিছুটা কমলেও এর কেন্দ্রের কাছাকাছি বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ২২৭ কিলোমিটারের বেশি রয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টির ব্যাসার্ধ বেড়ে প্রায় ৩২০ কিলোমিটার হয়েছে, যা তাইওয়ানের বিস্তীর্ণ এলাকাকে প্রভাবিত করতে পারে।
সিডব্লিউএর তথ্য অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি বর্তমানে তাইওয়ানের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে প্রায় ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থান করছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এটি তাইওয়ানের উত্তর-পূর্ব দিক দিয়ে অতিক্রম করে চীনের উপকূলের দিকে মোড় নিতে পারে। পরে দক্ষিণ জাপানের দিকে অগ্রসর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আবহাওয়াবিদদের ধারণা, ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব প্রায় দুই দিন স্থায়ী হতে পারে। এরই মধ্যে উপকূলীয় শহরগুলোতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এসব বার্তায় ৬ মিটারের বেশি উচ্চতার ঢেউ সৃষ্টির আশঙ্কার কথা জানানো হয়েছে।
এ ছাড়া তাইওয়ানের রাজধানী তাইপের আশপাশের পাহাড়ি এলাকা এবং দ্বীপরাষ্ট্রটির উত্তরাঞ্চলের পার্বত্য এলাকাগুলোতে প্রায় ১ মিটার বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এতে ভারী বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও বড় ঢেউ ও প্রতিকূল সামুদ্রিক পরিস্থিতির আশঙ্কা রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়টির সম্ভাব্য গতিপথ ও তীব্রতা বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এরই মধ্যে ফ্লাইট বাতিল ও সামরিক মহড়ার পরিকল্পনায় পরিবর্তনের ঘটনা পরিস্থিতির প্রভাব তুলে ধরছে। তবে ঘূর্ণিঝড়টি শেষ পর্যন্ত কোন পথে অগ্রসর হবে এবং কোন এলাকাগুলোতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলবে, তা নির্ভর করছে পরবর্তী সময়ে এর গতিপথ ও শক্তির পরিবর্তনের ওপর।
Posted ১০:০২ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com
✎ মন্তব্য করুন