|

Advertisement
×
দ্বিতীয় প্রান্তিকে নিষ্পত্তি মাত্র ১৩ শতাংশ

নন লাইফে বকেয়া সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি

সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬   প্রিন্ট   ৪২ বার পঠিত

নন লাইফে বকেয়া সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বীমা দাবি

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) অপরিশোধিত বীমা দাবির ১৩.০৯ শতাংশ পরিশোধ করেছে দেশের নন লাইফ বীমা খাতের ৪৬ কোম্পানি। দ্বিতীয় প্রান্তিক পর্যন্ত মোট অপরিশোধিত বীমা দাবির পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯৬৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। এর বিপরীতে কোম্পানিগুলো পরিশোধ করেছে মাত্র ৫১৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা। ফলে তিন মাসে দাবি নিষ্পত্তির হার দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৩ দশমিক ০৯ শতাংশ। অনিষ্পন্ন রয়েছে ৩ হাজার ৪৪৮ কোটি ৪৪ লাখ টাকা।
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) কাছে কোম্পানিগুলোর পাঠানো দ্বিতীয় প্রান্তিকের দাবি নিষ্পত্তি-সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে এ চিত্র পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৪৬টি কোম্পানির মধ্যে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দাবি নিষ্পত্তির হার তুলনামূলকভাবে বেশি হলেও অধিকাংশ কোম্পানির ক্ষেত্রে তা ৫০ শতাংশের নিচে। আবার কয়েকটি কোম্পানি মোট দাবির ১০ শতাংশেরও কম পরিশোধ করেছে। সার্বিক হিসাবে দেখা যায়, ৪৬টি কোম্পানির মোট দাবির ৮৬ দশমিক ৯১ শতাংশ এখনো অনিষ্পন্ন। বিশেষ করে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে বিপুল অঙ্কের দাবি বকেয়া থাকায় সামগ্রিক চিত্রটি আরও দুর্বল হয়েছে।

অন্যদিকে অল্প কয়েকটি কোম্পানি তুলনামূলকভাবে উচ্চহারে দাবি নিষ্পত্তি করলেও তাদের দাবির পরিমাণও তুলনামূলক কম। ফলে বেশি অঙ্কের দাবি রয়েছে এমন কোম্পানিগুলোর নিষ্পত্তির হার সামগ্রিক খাতের চিত্রে বড় প্রভাব ফেলেছে।

বীমা খাতে দাবি পরিশোধে দীর্ঘসূত্রতা গ্রাহকের আস্থার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এর আগে নিয়ন্ত্রক সংস্থার তথ্য বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন প্রতিবেদনে সাধারণ বীমা খাতের দাবি নিষ্পত্তির দুর্বলতার কথা উঠে এসেছে। ২০২৫ সালে আইডিআরএ ১৭টি সাধারণ বীমা কোম্পানিকে উচ্চঝুঁকির হিসেবে চিহ্নিত করে বিশেষ নিরীক্ষার উদ্যোগ নিয়েছিল; সেখানে দাবি নিষ্পত্তি, সুশাসন ও সম্পদ ব্যবস্থাপনা নিয়ে উদ্বেগের কথা বলা হয়েছিল।

২০২৬ সালে বীমা খাতের অনিষ্পন্ন দাবি পরিশোধকে আইডিআরের নতুন নেতৃত্বও অগ্রাধিকার দিয়েছে। বীমা খাতের মোট অনিষ্পন্ন দাবি প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বলে এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সব মিলিয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিকের এই পরিসংখ্যান বলছে, সাধারণ বীমা খাতে দাবি নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে কোম্পানিভেদে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে। গ্রাহকের আস্থা ফেরাতে শুধু নতুন দাবি নিষ্পত্তিই নয়, দীর্ঘদিনের অনিষ্পন্ন দাবির দ্রুত নিষ্পত্তিও এখন নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও বীমা কোম্পানিগুলোর অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ।

অঙ্কের হিসাবে সবচেয়ে বেশি অনিষ্পন্ন দাবি রয়েছে বাংলাদেশ সাধারণ বীমা করপোরেশনে। প্রতিষ্ঠানটির মোট দাবির পরিমাণ ২ হাজার ২৮০ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ২১৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা নিষ্পত্তি হয়েছে। ফলে এখনো অনিষ্পন্ন রয়েছে ২ হাজার ৬৭ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তির হার ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

বেসরকারি কোম্পানিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি অনিষ্পন্ন দাবি রয়েছে গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সে। কোম্পানিটির মোট দাবি ৩২৮ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিষ্পত্তি হয়েছে। বকেয়া রয়েছে ২৯৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। নিষ্পত্তির হার ১০ দশমিক ০২ শতাংশ।

এ ছাড়া প্রগতি ইন্স্যুরেন্সে ১৫৬ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা, রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সে ১৪০ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং পিপলস ইন্স্যুরেন্সে ৮৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকার দাবি অনিষ্পন্ন রয়েছে।

দাবি নিষ্পত্তির হারে সবচেয়ে পিছিয়ে রয়েছে নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির মোট ৮১ কোটি ১ লাখ টাকার দাবির বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা। ফলে নিষ্পত্তির হার দাঁড়িয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ। কোম্পানিটির ৮০ কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার টাকার দাবি অনিষ্পন্ন রয়েছে।

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সে ৭ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকার দাবির বিপরীতে নিষ্পত্তি হয়েছে মাত্র ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তির হার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

পিপলস ইন্স্যুরেন্সের নিষ্পত্তির হার ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ এবং স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ। মেঘনা ইন্স্যুরেন্স ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশ ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ এবং দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ দাবি নিষ্পত্তি করেছে।

অন্যদিকে কয়েকটি কোম্পানির দাবি নিষ্পত্তির হার তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। সবচেয়ে বেশি ৯৪ দশমিক ৫০ শতাংশ দাবি নিষ্পত্তি করেছে সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির মোট দাবি ছিল ৮ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা; এর মধ্যে ৭ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিষ্পত্তি হয়েছে।

দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে জনতা ইন্স্যুরেন্স। কোম্পানিটির দাবি নিষ্পত্তির হার ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ। ৮ কোটি ৫ লাখ টাকার দাবির মধ্যে ৭ কোটি ৪০ লাখ ৯০ হাজার টাকা নিষ্পত্তি হয়েছে এবং বকেয়া রয়েছে ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্স ৮৯ শতাংশ দাবি নিষ্পত্তি করেছে। ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৯০ হাজার টাকার দাবির মধ্যে ১০ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্স ৭২ দশমিক ৯৮ শতাংশ, নিটল ইন্স্যুরেন্স ৬৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ, ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্স ৬৩ দশমিক ২৯ শতাংশ এবং সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্স ৬০ দশমিক ৮৭ শতাংশ দাবি নিষ্পত্তি করেছে।

কোম্পানিভিত্তিক চিত্র:

অগ্রণী ইন্স্যুরেন্সের মোট দাবি ৭ কোটি ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ১০ লাখ ৭০ হাজার টাকা; বকেয়া ৬ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তির হার ১ দশমিক ৫২ শতাংশ।

এশিয়া ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২১ কোটি ৫৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ ৫০ হাজার টাকা; বকেয়া ১৭ কোটি ৭৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তির হার ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

এশিয়া প্যাসিফিক জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৭ কোটি ৮৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ২ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৫ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তির হার ২৯ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ কো-অপারেটিভস ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৮ কোটি ৪০ লাখ ১০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ২ কোটি ৮১ লাখ টাকা এবং বকেয়া ১৫ কোটি ৫৯ লাখ ২০ হাজার টাকা। হার ১৫ দশমিক ২৭ শতাংশ।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৯ কোটি ২১ লাখ ৩০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৪ কোটি ৯০ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৪ কোটি ৩০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। হার ২৫ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৪৯ কোটি ৮১ লাখ ২০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ৬ কোটি ২৮ লাখ টাকা; বকেয়া ৪৩ কোটি ৫৩ লাখ ২০ হাজার টাকা। হার ১২ দশমিক ৬১ শতাংশ।

বাংলাদেশ সাধারণ বীমা করপোরেশনে মোট দাবি ২ হাজার ২৮০ কোটি ৯৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ২১৩ কোটি ৮৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ২ হাজার ৬৭ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। হার ৯ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

সেন্ট্রাল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১১ কোটি ৭৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ২ কোটি ৬৩ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৯ কোটি ১২ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ২২ দশমিক ৪১ শতাংশ।

সিটি জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১০ কোটি ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ৬ কোটি ৬৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা; বকেয়া ৪ কোটি ২৯ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ৬০ দশমিক ৮৭ শতাংশ।

কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১০ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ১ কোটি ৩৩ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৮ কোটি ৯২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। হার ১২ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৩০ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৬ কোটি ৬ লাখ টাকা; বকেয়া ২৪ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা। হার ১৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

দেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ৭৫ লাখ টাকা এবং বকেয়া ১১ কোটি ১৩ লাখ টাকা। হার ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ।

ঢাকা ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১০ কোটি ১১ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ২ কোটি ৪৫ লাখ টাকা এবং বকেয়া ৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। হার ২৪ দশমিক ২৩ শতাংশ।

ইস্টার্ন ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৪৭ কোটি ৯৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি হয়েছে ৩ কোটি ২৩ লাখ ৯০ হাজার টাকা; বকেয়া ৪৪ কোটি ৭২ লাখ ৭০ হাজার টাকা। হার ৬ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

ইস্টল্যান্ড ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৪ কোটি ১৩ লাখ ১০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৭ কোটি ৪৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৬ কোটি ৬৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হার ৫৩ দশমিক ০৬ শতাংশ।

এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৪ কোটি ৩২ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ২৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৩ কোটি ৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। হার ৮ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৮ কোটি ৯৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৪ কোটি ২৯ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৪ কোটি ৬৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ৪৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৪ কোটি ৮ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৮ লাখ টাকা এবং বকেয়া ১৩ কোটি টাকা। হার ৭ দশমিক ৬৭ শতাংশ।

গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৩২৮ কোটি ৯০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৩২ কোটি ৯৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ২৯৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা। হার ১০ দশমিক ০২ শতাংশ।

ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৩ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৯০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১ কোটি ৬৪ লাখ ২০ হাজার টাকা। হার ৫৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

ইসলামী ইন্স্যুরেন্স বাংলাদেশে মোট দাবি ২৫ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৬২ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ২৪ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ।

জনতা ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৮ কোটি ৫ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ৭ কোটি ৪০ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৫৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। হার ৯২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

কর্ণফুলী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৮ কোটি ৫০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৭ কোটি ৭০ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১০ কোটি ৮০ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হার ৪১ দশমিক ৬২ শতাংশ।

মেঘনা ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২৯ কোটি ৩২ লাখ ১০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং বকেয়া ২৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা। হার ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

মার্কেন্টাইল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৩৫ কোটি ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৭ কোটি ৯২ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ২৭ কোটি ৩৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ২২ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

নিটল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৫ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৩ কোটি ৮৬ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১ কোটি ৮৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ৬৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ।

নর্দার্ন ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৮১ কোটি ১ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ৭৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৮০ কোটি ২৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। হার মাত্র শূন্য দশমিক ৯৩ শতাংশ।

প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৫ কোটি ৯৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ২ কোটি ৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৩ কোটি ৯৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হার ১২ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

পিপলস ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৮৮ কোটি ৮৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ২ কোটি ৩৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৮৬ কোটি ৫৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ।

ফিনিক্স ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৮ কোটি ২৪ লাখ ৯০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং বকেয়া ৬ কোটি ৭০ লাখ টাকা। হার ৬৩ দশমিক ২৯ শতাংশ।

পাইওনিয়ার ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৯২ কোটি ৭৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৪৩ কোটি ৬২ লাখ ২০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৪৯ কোটি ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হার ৪৭ দশমিক ০১ শতাংশ।

প্রগতি ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৮৬ কোটি ৪২ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ২৯ কোটি ৫২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৫৬ কোটি ৮৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ১৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ৯ কোটি ৩৭ লাখ ১০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। হার ৭২ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

প্রভাতী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৫৩ কোটি ৫ লাখ টাকা। নিষ্পত্তি ১০ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৪২ কোটি ৬০ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ১৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

পুরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২৫ কোটি ৩১ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা এবং বকেয়া ২৩ কোটি ৫৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৭৪ কোটি ৪৯ লাখ ৯০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৩৪ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৪০ কোটি ৭ লাখ ৪০ হাজার টাকা। হার ১৯ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১৯ কোটি ৩০ লাখ ১০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৪২ লাখ টাকা এবং বকেয়া ১৭ কোটি ৮৮ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

রূপালী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২৬ কোটি ২৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৬ কোটি ৬১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৯ কোটি ৬৫ লাখ ১০ হাজার টাকা। হার ২৫ দশমিক ১৮ শতাংশ।

সেনা কল্যাণ ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৫৪ কোটি ৭৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ২ কোটি ৪০ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৫২ কোটি ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। হার ৪ দশমিক ৪০ শতাংশ।

সিকদার ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২ কোটি ৪২ লাখ ২০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৮১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১ কোটি ৬০ লাখ ৭০ হাজার টাকা। হার ৩৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

সোনার বাংলা ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৮ কোটি ৪৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৭ কোটি ৯৯ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ৪৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ৯৪ দশমিক ৫০ শতাংশ।

সাউথ এশিয়া ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২০ কোটি ৭৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৪ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১৬ কোটি ২৩ লাখ টাকা। হার ২১ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ২১ কোটি ২০ লাখ ২০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ৫২ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ২০ কোটি ৬৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ২ দশমিক ৪৮ শতাংশ।

তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৩ কোটি ৪৬ লাখ ৮০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ৪২ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ২ কোটি ৪ লাখ ৩০ হাজার টাকা। হার ৪১ দশমিক ০৮ শতাংশ।

ইউনিয়ন ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ১১ কোটি ৬৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১০ কোটি ৩৭ লাখ ৭০ হাজার টাকা এবং বকেয়া ১ কোটি ২৮ লাখ ২০ হাজার টাকা। হার ৮৯ শতাংশ।

ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সে মোট দাবি ৫ কোটি ৪৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। নিষ্পত্তি ১ কোটি ১১ লাখ টাকা এবং বকেয়া ৪ কোটি ৩৭ লাখ ৬০ হাজার টাকা। হার ২০ দশমিক ২৪ শতাংশ।

আইন অনুযায়ী বৈধ বীমা দাবি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা থাকলেও বাস্তবে অনেক গ্রাহককে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, কোম্পানির আর্থিক দুর্বলতা, পুনর্বীমা দাবি আদায়ে বিলম্ব, অসম্পূর্ণ কাগজপত্র এবং মামলা-মোকদ্দমাসহ বিভিন্ন কারণে দাবি নিষ্পত্তি আটকে থাকে।

 

Facebook Comments Box

Posted ০৯:১৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com