|

Advertisement
×

যুদ্ধের প্রভাবে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬   প্রিন্ট   ২১ বার পঠিত

যুদ্ধের প্রভাবে পণ্যমূল্য বাড়তে পারে ২৩ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন এবং খাদ্যশস্য পরিবহনে বাধার কারণে ২০২৬ সালে বিশ্ববাজারে পণ্যমূল্য ২৩ শতাংশ বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

সংস্থাটির আশঙ্কা, যুদ্ধের তীব্রতা বাড়লে এবং রাশিয়ার তেল অবকাঠামোর ক্ষতি অব্যাহত থাকলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।

বুধবার প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছর জ্বালানির দাম ৩২ শতাংশ বেড়ে ২০২২ সালে রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। ব্রেন্ট ক্রুড তেলের গড় দাম ব্যারেলপ্রতি ৯২ ডলারে দাঁড়ানোর পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের সরবরাহ ৫ দশমিক ২ শতাংশ কমতে পারে। ২০২০ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা বাদ দিলে গত চার দশকের মধ্যে এটি হবে সরবরাহ কমার সবচেয়ে বড় ঘটনা।

খাদ্যপণ্যের দাম এ বছর ১০ শতাংশের কিছু বেশি বাড়তে পারে। ২০২৭ সালে আরও ৭ শতাংশের বেশি বাড়লে দুই বছরে খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির হার দাঁড়াবে প্রায় ১৮ শতাংশ। কৃষি উৎপাদনে ব্যবহৃত সারের দামও এ বছর ১৪ শতাংশ বাড়তে পারে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য পরিবহনে বাধা, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত এবং আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব খাদ্যের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ১৯৫০ সালের পর সবচেয়ে তীব্র এল নিনোও পরিস্থিতি তৈরি হলে খাদ্যসংকটের ঝুঁকি বাড়বে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যের দাম পূর্বাভাসের চেয়ে আরও ১২ শতাংশ বাড়তে পারে। এতে মূল্যস্ফীতি ও চরম দারিদ্র্য বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশ্বব্যাংক আরও জানিয়েছে, সরবরাহে বিঘ্ন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বৈদ্যুতিক গাড়ি ও তথ্যকেন্দ্রে বিনিয়োগের চাহিদা বাড়ায় ধাতুর দাম এ বছর ২৫ শতাংশ বাড়তে পারে। অ্যালুমিনিয়াম, তামা ও টিনের দাম নতুন রেকর্ড গড়তে পারে। ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে স্বর্ণের মতো নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত মূল্যবান ধাতুর দাম বাড়তে পারে ৪০ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের উপপ্রধান অর্থনীতিবিদ আয়হান কোসে বলেন, একসঙ্গে একাধিক বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে পণ্যের বাজার। জ্বালানির বাড়তি খরচ ও বাণিজ্যে বিঘ্ন নানা পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। এতে মূল্যস্ফীতি, খাদ্যনিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির ওপর চাপ বাড়তে পারে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ২৫টি দেশকে এরই মধ্যে ৮৭০ কোটি ডলারের স্বল্প সুদের ঋণ ও অন্যান্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৬:০৪ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com